বিশ্বকাপ ২০২৬: ঐতিহ্য ও আবেগ কিছুটা হারাবে কিনা
ব শ বক প ২০২৬ – ফুটবলের বিশ্বকাপ দীর্ঘ সময় ধরে পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাসঙ্গিক ও পরিচিত আসর হিসেবে অবিস্মরণীয় স্থান অধিকার করে নেয়েছে। বারবার বিশ্বের সম্মানিত সংখ্যক দলের প্রতিযোগিতার পরিকল্পনা গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। চার বছর পরপর অনুষ্ঠিত হওয়া এই আসরের বৈশিষ্ট্য ছিল দলের নির্বাচনে অপেক্ষার সীমা, কঠিন প্রতিযোগিতা ও প্রতিটি ম্যাচের তীব্র আবেগ।
২০২৬ বিশ্বকাপে প্রতিযোগিতা কর্তৃপালনের জন্য দলসংখ্যা ছাড়াও ক্ষেত্রে বিস্তার ঘটানো হয়েছে। আয়োজনের বিষয়ে আলোচনা চালু হয়েছে, যে এই বৃদ্ধি ঐতিহ্য বিশ্বকাপের উপর প্রভাব ফেলতে পারে। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা এবং মেক্সিকোর যৌথ আয়োজনে ম্যাচ সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে ১০৪টি হওয়ায়। গতবারের কাতার বিশ্বকাপে ম্যাচ ছিল ৬৪টি, আবার এত বেশি ম্যাচ নিশ্চিত করা হয়েছে।
ফিফা জানায়, এই বৃদ্ধি বিশ্বে ফুটবল প্রসার প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের সুযোগ আফ্রিকা, এশিয়া, উত্তর আমেরিকা এবং অন্যান্য অঞ্চলের বেশি দেশকে দেওয়া হয়েছে। কেপ ভার্দে, কুরাসাও, জর্ডান ও উজবেকিস্তান সহ কিছু দেশ এই আসরে প্রথমবারের মতো অংশ নিয়েছে।
অন্যদিকে প্রতিযোগিতা বিশেষজ্ঞরা ভাবছেন, দলসংখ্যা বাড়ানো বিশ্বকাপের স্বকীয়তা কমাতে পারে। কারণ আগে খেলার যোগ্যতা অর্জন ছিল একটি বড় সম্মান করা হয়েছে। কিন্তু দল বাড়তে থাকলে প্রতিটি ম্যাচের গুরুত্ব কমতে পারে। একটি গুরুত্বপূর্ণ আকর্ষণ ছিল গ্রুপ পর্বের ম্যাচ যে আসরের ভাগ্য নির্ধারণ করত। তবে বড় টুর্নামেন্টে ম্যাচ ফলাফলের প্রভাব কম হতে পারে।
তিনটি দেশে একত্রে আয়োজনের সম্ভাব্য সমস্যাও আলোচিত হচ্ছে। ভিন্ন অবকাঠামো, পরিবহন ও প্রশাসনিক ব্যবস্থার কারণে আসরকে একটি একক অভিজ্ঞতা হিসেবে উপস্থাপন করা কঠিন হতে পারে। যদিও অতীতে যৌথ আয়োজনে সফল আসর হয়েছে, এবার বিশ্বকাপ পরিচালনার একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সাম্প্রতিক সময়ে ইউরোপীয় ক্লাব প্রতিযোগিতা সহ মহাদেশীয় চ্যাম্পিয়নশিপ ও ক্লাব বিশ্বকাপ ক্ষেত্রে দল সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে ফুটবল ক্যালেন্ডার পূর্বের চেয়ে বেশি ব্যস্ত হয়েছে। এই পরিস
