আর কত মৃত্যু হলে বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবায় শৃঙ্খলা ফিরবে?
আর কত ম ত য হল ব – বৃহস্পতিবার (৪ জুন) স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল আদ্-দ্বীন হাসপাতালে ছয় শিশুর মৃত্যুর ঘটনার তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করেন। প্রতিবেদনে দেখা যাচ্ছে, হাসপাতালটি শুরু থেকে অবৈধভাবে গড়ে ওঠা। অবশেষে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে কেন সাপ কেঁচো খুঁড়তে বেরিয়ে এলো।
তদন্ত কমিটি ঘোষণা করেছে, হাসপাতালটি চিকিৎসা পরিচালনার জন্য উপযুক্ত ভবন নয়। এ হাসপাতালটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ১৯৯৭ সালে। তখন আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় ছিল। আগে ছয় শিশুর মৃত্যু হওয়া পর্যন্ত কেউ কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। কিন্তু তদন্ত কমিটি হাসপাতালটি পরিদর্শন করে এটি অবৈধভাবে গড়ে ওঠা স্বীকৃতি দিয়েছে।
বাংলাদেশে বেসরকারি হাসপাতাল মান এবং চিকিৎসা তদারকির দায়িত্ব স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের। হাসপাতাল বিভাগ সরেজমিন পরিদর্শন করে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স প্রদান করে। কিন্তু প্রতি বছর লাইসেন্স নবায়নের কথা ছাড়া কার্যক্রম চালানো হচ্ছে নিয়ম অনুযায়ী। এ সব বেসরকারি হাসপাতালের মান নিয়ন্ত্রণের কেউ নেই।
যখন যে সরকার ক্ষমতায় আসে তখন শুরুতে তারা এসব অবৈধ কসাইখানার মতো হাসপাতালগুলোর বিরুদ্ধে জোরালো অবস্থান নেয়। বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে বেশ কিছু হাসপাতালের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়। অনেক হাসপাতাল বন্ধ করে দেওয়া হয়। কিন্তু কিছুদিন যেতে না যেতেই মানুষের জীবন নিয়ে ব্যবসা চলে।
বাংলাদেশে প্রায় ৭০ ভাগ চিকিৎসা সেবা বেসরকারি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলো দ্বারা প্রদান হয়। সারা দেশে সরকারি হাসপাতালের আশপাশে লাখো বেসরকারি প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। সেগুলোর ৯৫ ভাগ অবৈধ। অধিকাংশের মালিক রাজন
