খরায় যৌবন হারিয়েছে কাপ্তাই হ্রদ: সমগ্র উপজেলার যাতায়াত বিপর্যস্ত
খর য় য বন হ র য় – খরায় যৌবন হারিয়েছে কাপ্তাই হ্রদ নামে পরিচিত ওই সুন্দর স্থানটি খরার আঁতো করে শুকিয়ে গেছে। খরার কারণে হ্রদের পানির স্তর প্রায় দুই মাসের মধ্যে সাধারণের চেয়ে দুই তৃতীয়াংশ কমে গেছে। এতে সৃষ্ট সমস্যার কারণে রাঙামাটি সদর থেকে নানিয়ারচর, বিলাইছড়ি ও অন্যান্য উপজেলায় লঞ্চ চলাচল বন্ধ রয়েছে। সম্প্রতি এ প্রকৃতি সৃষ্ট তীর্থযাত্রীদের প্রতি বিপর্যস্ত পরিস্থিতি বিস্তারিত হয়েছে। খরার আঁতো কারণে হ্রদটি তামাসা হয়ে যাওয়ায় বাসিন্দারা যাতায়াতের সমস্যায় পড়েছেন।
আবহাওয়া পরিবর্তনের সঙ্গে খরার তীব্র প্রভাব
আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে যে বৃষ্টি না হওয়া ও বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে। তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেয়েছে যা খরায় যৌবন হারানোর সঙ্গে যুক্ত। রাঙামাটি কাপ্তাই হ্রদ প্রতিদিন সর্বোচ্চ ৩৬.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করছে। এটি সাধারণের চেয়ে প্রায় দুই ডিগ্রি বেশি। বাতাসে কার্বন মনোক্সাইড পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে যা গরমের তীব্রতা বৃদ্ধি করে। খরার আঁতো কারণে হ্রদটি আগেকার তুলনায় আরও বেশি শুকনো হয়েছে।
“খরার কারণে পাহাড় পুড়ছে, তাপ বাড়ছে। কাপ্তাই হ্রদে পানি কমে যাওয়ায় ডুবোচরে আটকে পড়ছে বড় লঞ্চগুলো।”
খরার আঁতো কাপ্তাই হ্রদের সাথে যুক্ত করে একটি তীব্র দুর্দান্ত সৃষ্টি হয়েছে। পানির স্তর কমে যাওয়ায় লঞ্চ চলাচল বন্ধ রয়েছে যা স্থানীয় ব্যবসায়ীদের অর্থনৈতিক ক্ষতি ঘটাচ্ছে। খরার আঁতো কারণে পরিবহন ব্যবস্থায় ক্ষুব্ধতা ছড়ায় এবং বৈশাখী ঝড়ের সর্তক সংকেত দেওয়া হয়েছে। হ্রদের পানি বাড়লে যাতায়াত স্বাভাবিক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
খরার আঁতো কাপ
