সংসদে বিশেষ কমিটির ১২ সুপারিশ | | বাংলাদেশ প্রতিদিন
স সদ ব শ ষ কম ট – ২৬ এপ্রিল থেকে আরও দুই দফা বৈঠকের পর জ্বালানিসংকট মোকাবিলার জন্য গঠিত ১০ সদস্যের বিশেষ কমিটি তাদের সুপারিশগুলি সম্পাদন করেছে। কমিটির মেয়াদ ছিল ৩০ দিন, যার পরিপ্রেক্ষিতে একটি সমীক্ষা পরিচালনার প্রস্তাব রয়েছে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি চাহিদার পূর্বাভাসের জন্য রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত স্বাধীন বিশেষজ্ঞদের কমিটি গঠন করা।
গত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে উত্থাপিত প্রতিবেদনটি স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে উপস্থাপন করেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। সুপারিশগুলি বিশেষ কমিটি দ্বারা জীবাশ্ম জ্বালানি নির্ভরতা কমানোর উদ্দেশ্যে চূড়ান্ত করা হয়েছিল, যার মধ্যে নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহার বৃদ্ধি, জ্বালানি তেলের মজুত সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং সরবরাহ ব্যবস্থা অটোমেশন করার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রধান সুপারিশগুলি
সরকারকে নবায়ণযোগ্রানি ব্যবহার বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে আমদানি ও বিক্রয়ে কর প্রত্যাহার করতে হবে। তবে কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদনকে সাশ্রয়ী বিকল্প হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে কমিটি, যার উপর বিশেষ ভাবে নির্ভর করতে হবে।
বিরোধী দলের সুপারিশে বলা হয়েছে, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি চাহিদা পূর্বাভাসের জন্য রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত স্বাধীন বিশেষজ্ঞদের কমিটি গঠন করতে হবে। সরকার চাহিদার অতিরঞ্জিত পূর্বাভাস তৈরি করা উচিত নয়। আপাতদৃষ্টিতে দেশে সক্ষমতা বাড়ানোর প্রয়োজন না থাকতে পারে।
কমিটির প্রতিবেদনে সুপারিশে অবৈধ মজুত ও পাচার রোধে আইনগত ব্যবস্থা জোরদার করা হোক। ঢাকা-চট্টগ্রাম পাইপলাইন এবং এসপিএম প্রকল্প বিশেষ গুরুত্ব প্রদান করা হয়েছে, যারা জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা পূর্ণাঙ্গ অটোমেশনের জন্য কাজ করে। অন্যান্য কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে বড়পুকুরিয়া থেকে কয়লা সরবরাহ করতে হবে।
বৃহৎ পরিসরের সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রয়োজন তুলে ধরা হয়েছে, যাতে জাতীয় বিদ্যুৎ চাহিদার অন্তত ১০ শতাংশ সৌর উৎপাদন করা সম্ভব হয়। বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে পরামর্শ করে কৌশলগত রোডম্যাপ তৈরি করার প্রস্তাব রয়েছে টেকসই �
