অটোরিকশায় যুবকের কাছে মিলল দেড় লাখ ডলার
অট র কশ য় য বক র – অট র কশ য় য বক র লালমনিরহাট সদর উপজেলার তিস্তা টোল প্লাজার প্রান্তে আটক হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) রাত সাড়ে নয়টার দিকে তার চালনা করা হয়েছিল অটোরিকশার মাধ্যমে। পুলিশ কর্মকর্তারা তিনি যাত্রী হিসেবে ধরা পড়েন এবং তার দেহে লুকিয়ে রাখা দেড় লাখ মার্কিন ডলার উদ্ধার করেন। এই সময় সদর থানার পুলিশ তদন্ত কাজ পরিচালনা করেছিল চেকপোস্টে।
বৈদেশিক মুদ্রা সংগ্রহ ও তার স্থান নির্ধারণ
পুলিশ কর্মকর্তারা বৈদেশিক মুদ্রা উদ্ধারে বিশেষ যত্ন নিয়েছে। লালমনিরহাট সদর উপজেলার তিস্তা টোল প্লাজার দক্ষিণ পাশে অবস্থিত চেকপোস্ট হতে তাকে গ্রেফতার করা হয়। অটোরিকশার চালনার সময় তিনি আসলে অপরিচিত ব্যক্তি ছিলেন না, তবে তার সঙ্গে যুক্ত থাকা বৈদেশিক মুদ্রা সম্পর্কে পুলিশ কর্মকর্তারা কোনও সন্দেহ ছিল না।
জব্দ কৃত যুবকের নাম মো. লিখন মিয়া (২৩)। তিনি কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার ঘোষপাড়া এলাকার মো. নুরনবী সরকার বাবুর ছেলে। তার দেহে লুকিয়ে রাখা বৈদেশিক মুদ্রা উদ্ধারে পুলিশ কর্মকর্তারা একটি সুসংগত পদ্ধতি অনুসরণ করেছিলেন। অটোরিকশার যাত্রী হিসেবে তাকে ধরা পড়ার পর তদন্তের সময় ডলারের পরিমাণ খুঁজে পাওয়া গেছে।
অটোরিকশার যাত্রীর চেহারা থেকে তিনি প্রথমে সাধারণ মানুষের মতো দেখতে পেরেছিলেন পুলিশ কর্মকর্তারা। কিন্তু তার দেহ তল্লাশি করে মোট দেড় লাখ ডলার পাওয়ার পর তার সত্য পরিচয় বের হয়। এ পর্যন্ত তার ডলার সংগ্রহ এবং কোথায় নিয়ে যাচ্ছিলেন—তা বিস্তারিত তদন্তের জন্য চলছে।
অপরাধের পরিমাণ ও বাংলাদেশি টাকার মূল্য
জব্দ হওয়া বৈদেশিক মুদ্রার মোট পরিমাণ ১ লাখ ৫৯ হাজার ৩০০ মার্কিন ডলার। প্রাপ্ত ডলারের মূল্য বাংলাদেশি টাকায় প্রায় দুই কোটি হিসাবে পরিমাপ করা হয়েছে। এই অপরাধের ফলে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক স্থিতিতে প্রতিশোধ সম্পর্কে আলোচনা চলছে। সদর থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে এবং অটোরিকশার মাধ্যমে যুবকের দেড় লাখ ডলার জব্দ করা হয়েছে নথি পরিষ্কার করে।
লালমনিরহাট সদর থানার ওসি স্বাদ ইসলাম জানান, বৈদেশিক মুদ্রা তার যাত্রী হিসেবে আটক করা হয়েছিল। তিনি জানান, অটোরিকশার চালনার সময় তার দেহে যে ডলার পাওয়া গেছে সেটি তদন্তের সময় প্রমাণিত হয়েছে। এই ধরনের অপরাধ অটোরিকশার ব্যবহার দিয়ে সম্পন্ন হয় না, কিন্তু সামাজিক স্তরে তার স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে।
তদন্ত করে পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, অটোরিকশার যাত্রী হিসেবে তিনি কোথায় থাকছিলেন তা খুঁজে বার করার প্রয়োজন রয়েছে। যুবক যে ডলার নিয়ে বেড়ানোর চেষ্টা করেছিলেন সেটি পুলিশের তদন্তের মাধ্যমে আবিষ্কৃত হয়েছে। এই সংগ্রহ করা অটোরিকশার মাধ্যমে হয়েছে এবং
