News

একই দেশের প্রায় ৬ হাজার শ্বেতাঙ্গ শরণার্থীকে আশ্রয় দিল যুক্তরাষ্ট্র | | বাংলাদেশ প্রতিদিন

1781017690-b43fa21eb23719acfc7ff58ee1a123f0

যুক্তরাষ্ট্রে দক্ষিণ আফ্রিকান শ্বেতাঙ্গ শরণার্থীকে আশ্রয় দেওয়া হয়েছে

Patrikajournal.com – একই দ শ র প র য় – একই দেশের প্রায় ৬ হাজার শ্বেতাঙ্গ শরণার্থীকে আশ্রয় দিল যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের জনসংখ্যা, শরণার্থী ও অভিবাসন বিষয়ক ব্যুরো অনুযায়ী, সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর হওয়া নীতির ফলে গত বছরের তুলনায় শরণার্থী কোটা কমিয়ে আনা হয়েছে।

শরণার্থী কোটা কমানোর উদ্দেশ্য ও প্রতিক্রিয়া

ট্রাম্প প্রশাসন দাবি করেছিলেন যে, দক্ষিণ আফ্রিকার শ্বেতাঙ্গদের বর্ণবৈষম্যের শিকার হওয়ার কারণে তাদের প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। নীতিটি প্রায় সব শরণার্থী কোটার সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারণ করেছিল, যার ফলে দক্ষিণ আফ্রিকার শ্বেতাঙ্গ জনগোষ্ঠী প্রাধান্য পাচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্রে শ্বেতাঙ্গ দক্ষিণ আফ্রিকানদের নির্মমভাবে হত্যা করা হচ্ছে, তাদের জমি কেড়ে নেওয়া হচ্ছে।

এই বিশেষ নীতিতে স্পষ্ট করা হয়েছে যে, শরণার্থী কোটা মূলত ডাচ বংশোদ্ভূত শ্বেতাঙ্গদের জন্য নির্ধারিত হবে। কিন্তু দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাফোসা এই দাবিগুলো অস্বীকৃত করেন এবং অক্টোবর পর্যন্ত তথ্য প্রকাশ করেন।

ট্রাম্প প্রশাসন দাবি করেছিলেন যে, দক্ষিণ আফ্রিকার শ্বেতাঙ্গ জনগোষ্ঠী কৃষ্ণাঙ্গ জনগোষ্ঠীর হাতে গণহত্যা ভোগ করছে। কিন্তু এই নীতির ফলে দক্ষিণ আফ্রিকার শ্বেতাঙ্গ শরণার্থীদের আরও বেশি সুবিধা হবে বলে প্রতিক্রিয়া দেওয়া হয়।

ট্রাম্পের মেমো ও আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের প্রতিক্রিয়া

ট্রাম্পের প্রেসিডেন্ট মেমো ফলে ওয়াশিংটন ডুলেস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দক্ষিণ আফ্রিকান শ্বেতাঙ্গ শরণার্থীদের প্রবেশ করানো হয়েছে। নভেম্বরে ৪০ জনেরও বেশি শ্বেতাঙ্গ দক্ষিণ আফ্রিকান ট্রাম্পের দাবির বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেয়।

একটি খোলা চিঠিতে তারা বলেন যে, তারা আমেরিকার সংস্কৃতি যুদ্ধের দাবার ঘুঁটি নন। রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডিটারমিনেশন থেকে জানা যায় যে, এই বছর শরণার্থী গ্রহণের সীমা বাড়িয়ে ১০ হাজার করার পরিকল্পনা করছেন।

বিশেষ বিষয়ে ব্যুরো অনুযায়ী, এই নীতির ফলে দক্ষিণ আফ্রিকার শ্বেতাঙ্গ শরণার্থীদের আশ্রয় দেওয়া হয়েছে। প্রতিক্রিয়া দেওয়ার সময় যুক্তরাষ্ট্রের শরণার্থী কোটা কমানো হয়েছে এবং এটি আন্তর্জাতিক সমালোচনার সামনে চলছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *