News

ঝিনাইদহে ভাতিজার হাতে প্রাণ গেল চাচার | | বাংলাদেশ প্রতিদিন

1781015986-aedd875672a101047fd0d006013c47e9

ঝিনাইদহে ভাতিজার হাতে প্রাণ গেল চাচার

Patrikajournal.com – ঝ ন ইদহ ভ ত জ র – ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার কোলা ইউনিয়নের কামালহাট গ্রামে টাকা-পয়সা সংক্রান্ত বিরোধ কেন্দ্র করে চাচা ও ভাতিজার মধ্যে সংঘর্ষে একজন মানুষের প্রাণ হারিয়েছে। ঘটনাটি মঙ্গলবার দুপুরে ঘটে। নিহত নিয়ামত কামালহাটের মৃত ইমাম আলীর ছেলে। এ ঘটনায় শোকের ছায়া এলাকায় নেমে এসেছে।

বিরোধের প্রাথমিক কারণ

স্থানীয় সূত্র থেকে জানা গেছে যে, দীর্ঘ দিন ধরে নিয়ামত এবং তার ভাতিজার মধ্যে টাকা লেনদেনের কারণে বিরোধ চলছিল। পরিবারের সম্পত্তি বিভাজন ও সংঘর্ষ এ বিরোধের প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। পরিস্থিতি শুরু হয় কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে যখন দুই পক্ষের মধ্যে তীব্র সংঘর্ষ ঘটে।

সংঘর্ষের পরিস্থিতি এবং প্রাণহারণ

ঘটনার সময় নিয়ামত ভাতিজার আঘাতে গুরুতর আহত হন। পরে গ্রামের বাসিন্দারা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন, কিন্তু পথেই তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় এলাকায় ভীষণ আতঙ্ক ছড়ায়। কালীগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মনিরুজ্জামান বলেন, “ঝিনাইদহে এ সংঘর্ষে আহত হওয়া পরিবারের সদস্য তার জীবন হারিয়েছেন। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।”

অতঃপর ঘটনার পরিস্থিতি তদন্তের জন্য নথিভুক্ত করা হয়েছে। কালীগঞ্জ থানা পুলিশ স্থানে উপস্থিত হয়ে সাময়িক স্থিতিকে নিয়ন্ত্রণে আনে। এ পর্যন্ত কোনো মামলা গঠন করা হয়নি।

ঝিনাইদহে ভাতিজার হাতে চাচার প্রাণ হারানোর ঘটনার প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ দাবি করা হয়েছে যে লেনদেন ও সম্পত্তির বিভাজন নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে অশান্তি ছড়ানো হয়েছে। কামালহাট গ্রামে এ ঘটনার পর দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ ঘটে প্রাণ হারানো হয়।

ঝিনাইদহে ভাতিজার হাতে চাচার প্রাণ হারানো ঘটনার প্রতিবেদন সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়েছে। গ্রামের বাসিন্দারা ঘটনার প্রতি শোক প্রকাশ করেছেন। স্থানীয়দের মতে এ ঘটনায় পরিবারের সম্পর্ক আবার একবার স্থায়ী ভাবে বিপর্যস্ত হয়েছে। তাদের পরিবার গুরুতর শোকে আচ্ছন্ন।

ঝিনাইদহে ভাতিজার হাতে প্রাণ গেল চাচার ঘটনার পর পুলিশ বিষয়টি তদন্তে জড়িত হয়েছে। কালীগঞ্জ থানার কর্মকর্তারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য কাজ করছেন। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়া পর্যন্ত ঘটনার সংঘটনের কারণ স্পষ্ট হবে। পরিবারের মধ্যে প্রতিবেদন প্রকাশের পর আরও গুরুতর স�

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *