বিশ্বকাপ উদ্বোধনী ম্যাচের দিন মেক্সিকো সিটির স্কুল বন্ধ রাখা হয়েছে
ব শ বক প উদ ব ধন – ফিফা বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচ কার্যকর করার উপলক্ষে মেক্সিকো সরকার ব্যতিক্রমী সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যানজট কমানো এবং নগরবাসী এবং বিদেশি পর্যটকদের সুবিধাজনক চলাচল নিশ্চিত করতে মেক্সিকো সিটির সমস্ত স্কুল বন্ধ রাখা হবে। মেক্সিকো প্রেসিডেন্ট ক্লাউদিয়া শেইনবাউম ঘোষণা করেন যে বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হওয়ার সময় সেদিন সড়ক পরিচালনা এবং নিরাপত্তি বিষয়ে জরুরি কাজে বিশ্বকাপ-সংশ্লিষ্ট কর্মীদের বাইরে ফেডারেল কর্মচারীদেরও কাজ করতে হবে।
বিশ্বকাপ উদ্বোধনী ম্যাচের তারিখ ও বিষয়াবলী
২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের উদ্বোধন উপলক্ষে মেক্সিকো সিটির বাসিন্দাদের ও আগত পর্যটকদের সুবিধার জন্য স্কুল বন্ধ করা হবে। বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ১টায় দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে উদ্বোধনী ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। মেক্সিকো, কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ আয়োজনে ছয় সপ্তাহব্যাপী বিশ্বকাপ চলবে, যাতে মোট ১০৪টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।
প্রেসিডেন্ট শেইনবাউম বলেন, বিশ্বকাপ অভিযানের প্রতিক্রিয়া হিসেবে মেক্সিকো সিটির স্কুল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। তিনি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকেও নিরাপত্তি ও সড়ক পরিচালনার জন্য বাইরে কাজ করতে আহ্বান জানান। মাঠে ময়দানে এবং নগর জীবন সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলো বিশ্বকাপের প্রতিক্রিয়া নিয়ে বিস্তারিত বিবরণ প্রকাশ করেছে।
বিশ্বকাপ ম্যাচের অনুষ্ঠান ও সংগঠন
মেক্সিকো সিটি এই আসরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। প্রথম ম্যাচের পর স্বাগতিক মেক্সিকো দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে আগামী ১৮ জুন খেলবে। অন্যান্য ম্যাচ সময় নিশ্চিত করে দেশের কোম্পানি এবং সামাজিক সংগঠন বিশ্বকাপের সফলতা নিশ্চিত করতে প্রস্তুত হয়েছে।
বিশ্বকাপ উদ্বোধনী ম্যাচের আগে নগর জীবনের ক্ষেত্রে প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। বিভিন্ন সময়ে স্থানীয় সংগঠনগুলো সামাজিক সুবিধা ও অর্থনীতি সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ঘোষণা করেছে। এরপর ম্যাচ সংক্রান্ত বিভিন্ন অনুষ্ঠানে প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে, যার সাথে সামাজিক সংগঠনের সম্মতি প্রাপ্ত হয়েছে।
বিশ্বকাপ উদ্বোধনী ম্যাচের সময় মেক্সিকো সিটির নগর জীবন সুষ্ঠু রূপে পরিচালিত হবে। সামাজিক সংগঠনগুলো সুবিধার জন্য প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছে, যেমন বিশ্বকাপ সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক কাজে বিশ্বকাপ-সংশ্লিষ্ট কর্মীদের বাইরে কাজ করতে বলা হয়েছে।
“বিশ্বকাপ উদ্বোধনী ম্যাচের সময় সড়ক নিরাপত্তি এবং চলাচল নিশ্চিত করতে স্কুল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে,” প্রেসিডেন্ট শেইনবাউম বলেন।
