ইসলামের দৃষ্টিতে জমি বন্ধক ব্যবস্থা
ইসল ম র দ ষ ট ত – ঋণ আদায়ের নিশ্চয়তা জন্য কোনো বস্তু বন্ধক হিসেবে রাখার পদ্ধতি ইসলামে বৈধ বলে গণ্য হয়। এ ক্ষেত্রে ঋণদাতা নিশ্চিত থাকেন যে ঋণগ্রহীতা যদি তার কোনো কারণে ঋণ পরিশোধ করে না, তখন বন্ধক বস্তু থেকে দাবি করতে পারবেন।
নিরাপদ লেনদেনে জিনিস বন্ধক রাখার নিয়ম ইসলামও অস্বীকার করেনি। কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, “যদি তোমরা প্রবাসে থাকো এবং কোনো লেখক পাও না, তাহলে বন্ধকি হস্তগত রাখা উচিত। যে কেউ যাকে বিশ্বাস করে, তার উচিত অন্যের প্রাপ্য পরিশোধ করা এবং আল্লাহকে ভয় করা উচিত। তোমরা যে সম্পর্কে সাক্ষ্য দিবে, সে সম্পর্কে সম্যক জ্ঞাত হবে আল্লাহ।” (সুরা বাকারাহ, আয়াত ২৮৩)
পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, “যেসব ঋণে উপকার ভোগ করা হয়, তাকে রিবা বলা হয়।” (ইলাউস সুনান : ১৪/৫১৩)
ইসলামি ফিকহে বন্ধকি বস্তু থেকে উপকৃত হওয়া জায়েজ নয়। কারণ বন্ধক ব্যবস্থা এক ধরনের রিবাল করদ্ব বা ঋণের সুদের অন্তর্ভুক্ত। আলী (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) বলেছেন, “যেসব ঋণে উপকার ভোগ করা হয়, তা রিবা বলা হয়।” (মুসান্নাফে আবদুর রাজ্জাক, হাদিস ১৫০৭১)
অতএব, ঋণ প্রদান করার সময় জমি বন্ধক হিসেবে গ্রহণ করার পর ঋণদাতার জন্য সেই জমি থেকে উপকৃত হওয়া জায়েজ নয়। নিশ্চিত হওয়া জন্য বন্ধক চুক্তি বা ভাড়া চুক্তি করা প্রয়োজন। যদি বন্ধক চুক্তি বাতিল করে ভাড়া চুক্তি করা হয়, তবে ভাড়া হতে হবে কাছাকাছি যুক্তিযুক্ত হতে।
আমাদের সমাজে বিশেষ করে জমি বন্ধক রেখে টাকা গ্রহণের পর বন্ধকগ্রহীতা জমি ভোগ করে এবং তা হালাল করার জন্য সামান্য অর্থ ফেরত দিয়ে ভাড়া হিসাবে উপস্থাপন করা হয়। এটি প্রতারণার এক রূপ। কারণ ফেরত দেওয়া টাকা সাধারণত জমির সাধারণ ভাড়ার পরিমাণ সমান হয় না।
যেমন, কারো এক লাখ টাকার প্রয়োজন হলে এক বিঘা জমির বার্ষিক ভাড়া ১০ হাজার টাকা। তখন সে ১০ বছরের জন্য জমিটি ভাড়া দিয়ে অগ্রিম এক লাখ টাকা ফিরতি হিসাবে নিতে পারবে। যে কয় বছর অর্থদাতা জমি ভোগ করে, তার সমান বছরের ভাড়া সে টাকা থেকে কর্তিত হবে। আগে থেকে ভাড়া চুক্তি না করে বন্ধকি চুক্তি করলে নতুন ভাড়া চুক্তি করতে হবে।
সুতরাং জমি বন্�
