কঙ্গোতে ইবোলার নতুন শঙ্কা: এতিমখানায় ছড়াল সংক্রমণ, দুই শিশুর মৃত্যু
কঙ গ ত ইব ল র নত – কঙ্গোতে ইবোলা ভাইরাস সংক্রমণ বৃদ্ধির সাথে সাথে এতিমখানা পরিচালিত কেন্দ্রে শিশুদের জীবন ঝুঁকির মধ্যে একটি গুরুতর ঘটনা ঘটেছে। পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত ইতুরি প্রদেশের বুনিয়া শহরে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার পর দুই শিশু মৃত্যুবরণ করেছে। এ পর্যন্ত কোটি পরিচালিত কেন্দ্রে কমপক্ষে ৬৯ জন শিশু আক্রান্ত হয়েছে এবং বিশেষ চিকিৎসা প্রস্তুত করা হয়েছে।
নতুন করে উদ্বেগ বাড়িয়েছে ইবোলা সংক্রমণ
বাসওয়াজা নামে পরিচিত নবজাতকের মা মে মাসের শেষ দিকে মারা যাওয়ার পর শিশুটিকে বুনিয়া শহরের একটি গির্জা পরিচালিত এতিমখানায় নিয়ে আসা হয়। তার জ্বর ও পরিস্থিতি শুরুতে কম গুরুত্বপূর্ণ ছিল, কিন্তু কয়েক দিনের মধ্যে অবস্থার গুরুতর হয়ে মৃত্যু ঘটে। স্বাস্থ্য বিভাগ কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছেন যে শিশুটি ইবোলার কারণে আক্রান্ত ছিল। ঘটনার পর সেখানে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে এবং সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণের জন্য স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ আরও সতর্কতা জোরদার করেছে।
স্বাস্থ্য বিভাগ ও আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিক্রিয়া
অনুসন্ধানের পর আরও কয়েকজন শিশুর সংক্রমণ নিশ্চিত হয়েছে। তাদের আইসোলেশনে রেখে চিকিৎসা প্রক্রিয়া চালু করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি তাদের অবিলম্বে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রেখেছে। এ কারণে স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ এবং আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো কাজ করছে সংক্রমণ আরও বিস্তার রোধে।
শিশুদের ঝুঁকি বৃদ্ধির কারণ
ইবোলার মতো সংক্রামক রোগ শিশুদের জন্য আরও বেশি ঝুঁকির কারণে সমস্যা দেখা দিয়েছে। ঘনবসতিপূর্ণ অথবা স্বাস্থ্য পরিবেশ সীমিত ক্ষেত্রে এ রোগ দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে। বুনিয়া ইভানজেলিক্যাল মেডিকেল সেন্টারের প্রধান ডা. ফ্রেডি কিবওয়ানা বলেছেন, ইবোলা ভাইরাস বিপজ্জনক হওয়ায় শিশুদের চিকিৎসা প্রক্রিয়া সতর্কতা জোরদার করা হয়েছে।
ঘটনার পরিস্থিতি এবং পরবর্তী পদক্ষেপ
বর্তমানে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণের জন্য এতিমখানা থেকে আক্রান্ত শিশুদের বিশেষ হাসপাতালে পাঠানো হচ্ছে। পরীক্ষার পর পাঁচ শিশুর রিপোর্ট নেগেটিভ আসে এবং তাদের ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। তবে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন যে আক্রান্ত সংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে সমস্যা ঘটার আশঙ্কা রয়েছে।
গুরুতর পরিস্থিতি প্রতিক্রিয়া দিচ্ছে আন্তর্জাতিক সংস্থা
অনুসন্ধান প্রস্তুত করা হচ্ছে এবং সংক্রমণ আবিষ্কারের সাথে সাথে উপায় প্রণীত করা হয়েছে। কিছু শিশু পরিস্থিতি সামাল দিতে কাজ করছে। স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক কর্মসূচি একত্রিত করে সংক্রমণ দ্রুত কমানোর প্রতিপ্রতি প্রচেষ্টা চালু করা হয়েছে।
