বাজেটে দাম কমানো হতে পারে কিছু পণ্যের উপর নীতি প্রস্তাব
ব জ ট কমত প র য – প্রস্তাবিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরে সরকারের বাজেট বিস্তার ধরা হয়েছে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা। এ সংখ্যা চলতি বাজেটের তুলনায় ১ লাখ ৪৮ হাজার কোটি টাকা বেশি। নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্য, ওষুধ এবং চিকিৎসা সরঞ্জাম উল্লেখ করা হয়েছে কর-শুল্ক কমানোর বিষয়ে মন্তব্য করা হয়েছে। তাই এসব পণ্যের দাম কিছুটা হ্রাস পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
বিভিন্ন খাতে কর ও শুল্ক পরিবর্তনের প্রস্তাব
প্রস্তাবিত বাজেটে এসব খাত সম্পর্কে নতুন কর স্কিম চালু করা হয়েছে। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে উৎসে কর কমিয়ে ৩ শতাংশ করা হয়েছে। রিফাইনারি পর্যায়ে তেল সরবরাহে উৎসে কর আগে ১.৫ শতাংশ ছিল, এখন এটি কমিয়ে ১ শতাংশ করা হয়েছে।
এছাড়া সৌরবিদ্যুৎ খাতে শূন্য শতাংশ করহার কাজে লাগবে প্রস্তাবিত ২০৩৫ সাল পর্যন্ত। যন্ত্রপাতি আমদানিতে কর অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে ২০৩১ সাল পর্যন্ত। এ সুবিধার ফলে নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎপাদন বৃদ্ধি পেতে পারে।
টেলিযোগাযোগ খাতে উৎসে কর ২০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১২ শতাংশ করা হয়েছে। মোবাইল ফোন ও প্রযুক্তি পণ্যে কর কমানোর বিষয়ে প্রস্তাব রয়েছে। যেমন ইলেকট্রনিক পণ্যগুলো যেমন ব্লেন্ডার, মিক্সার, ইলেকট্রিক কেটলি ও গ্রাইন্ডারের দাম কমতে পারে।
স্বর্ণালঙ্কার খাতে উৎসে কর প্রত্যাহার করা হয়েছে। কম্পিউটার, প্রিন্টার, মনিটরসহ বিভিন্ন ডিজিটাল পণ্যের আমদানি উপর অগ্রিম কর কমানো হয়েছে। কম্পিউটার ব্যবহারকারীদের সুবিধা হবে।
খাদ্য খাতে বড় পরিবর্তন
বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের প্রয়োজনীয় ১৫টি পণ্যের উপর অগ্রিম আয়কর কমানো হয়েছে। এ সাথে কর মুক্তি সুবিধা দেওয়া হয়েছে স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত ভোজ্যতেল খাতে। সরিষার তেল সহ বিভিন্ন পণ্যের দাম হ্রাস পেতে পারে।
খাদ্য খাতে বিদ্যমান নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক প্রত্যাহারের পরিকল্পনা রয়েছে। সেই সাথে শিশুখাদ্য প্রস্তুতের কাঁচামাল আমদানিতে শুল্ক কমিয়ে ১৫ শতাংশ থেকে ১০ শতাংশ করা হয়েছে।
ভোজ্যতেল উৎপাদনকারীদের আগামী ১০ বছর করমুক্তি দেওয়া হতে পারে। এ খাতের সাথে জড়িত কয়েকটি কাঁচামালের ওপর অগ্রিম কর কমানো হয়েছে। যেমন ধান, চাল, গম ও আলু সহ প্রায় ৬০টি কৃষি ও ভোগ্যপণ্যের ওপর উৎসে কর কমিয়ে ০.৫ শতাংশ করা হয়েছে।
