সরকার জ্বালানি নিরাপত্তা বৃদ্ধির জন্য অগ্রাধিকার দিচ্ছেন
জ ব ল ন ন র পত – বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে প্রস্তাবিত বাজেট বক্তৃতার সময় অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানান যে, জ্বালানি খাতে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার দেশীয় সক্ষমতা বৃদ্ধির উদ্যোগ গ্রহণ করছেন। তিনি বলেন, ভবিষ্যতে সংকট মোকাবিলার জন্য দেশে জ্বালানি সংকট দূর করতে কৌশলগত মজুত ব্যবস্থা গড়ে তুলবে সরকার।
অনুসন্ধান ও উৎপাদন বৃদ্ধির পরিকল্পনা
সরকার এখন দেশের মধ্যে তেল-গ্যাস অনুসন্ধান কার্যক্রম জোরদার করেছে। এছাড়া জ্বালানি পরিবহনে উৎপাদন বৃদ্ধি এবং রিফাইনিং সক্ষমতা বাড়ানোর লক্ষ্যে কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। একটি মুখ্য লক্ষ্য হলো আমদানির উৎস বহুমুখীকরণ করা।
“জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দেশে সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য আমরা অগ্রাধিকার দিচ্ছি। তেল-গ্যাস খনি খুঁজতে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।”
বর্তমানে দেশে স্থাপিত পাইপলাইনের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করা হচ্ছে। বিশেষ করে চট্টগ্রাম এবং উপকূলীয় শিল্পাঞ্চলে নতুন ক্রুড অয়েল রিফাইনারি গঠনের পরিকল্পনা প্রস্তুত করা হয়েছে। তার পাশাপাশি দ্বিতীয় ইস্টার্ন রিফাইনারি স্থাপনের উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।
স্মার্ট ফুয়েল ডিস্ট্রিবিউশন মনিটরিং সিস্টেম চালু করা হয়েছে যাতে দেশে প্রায় ২ হাজার ৭২২টি ট্যাংক লরিতে জ্বালানি পরিবহন সম্পর্কে ডেটা সংগ্রহ ও পর্যবেক্ষন করা সম্ভব হবে। অতিরিক্ত প্রস্তুতির জন্য সিঙ্গেল পয়েন্ট মুরিং (এসপিএম) প্রকল্প চালু করা হয়েছে।
খনিজ সম্পদের অপ্টিমাইজেশন
২০২৬-২৭ অর্থবছরে কয়লা ও পাথর উৎপাদনের লক্ষ্য হলো ৬ লাখ মেট্রিক টন কয়লা এবং ১৪ লাখ মেট্রিক টন পাথর। বড়পুকুরিয়ায় দ্বিতীয় ফেজ এবং দিঘীপাড়া কোল ফিল্ড প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। এছাড়া যমুনা ও মেঘনা নদীর বালিতে জিরকন ও মোনাজাইট সহ মূল্যবান খনিজ অর্থনৈতিক মূল্যায়ন এবং ডিজিটাল পরিবর্তনের কাজ চলছে।
১ সেকেন্ড আগে | ক্যাম্প
