News

ব্যয়ের উচ্চাকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে সীমাবদ্ধতা | | বাংলাদেশ প্রতিদিন

1781210228-f5858bdbeb5b0ae1253a4aac0aca0f36

বাংলাদেশের ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট: উদ্দেশ্য ও সীমাবদ্ধতা

Patrikajournal.com – ব যয় র উচ চ ক ঙ – ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটটি অর্থনৈতিক বৃদ্ধি ও মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ সহ বিস্তারিত স্বাস্থ্য সেবা ও শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নের লক্ষ্যে প্রস্তুত করা হয়েছে। যদিও সরকার ব্যয়ের কাঠামো বিশ্লেষণের মাধ্যমে বিভিন্ন বিষয়ে স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধি করেছে, তবু ব্যয়ের প্রকৃত ব্যবহার এর বাস্তবায়নে সীমাবদ্ধতা বোঝা যাচ্ছে।

বিশ্লেষণ অনুযায়ী বেশির ভাগ সরকারি ব্যয় উপরে সুদ পরিশোধ, ভর্তুকি ও প্রশাসনিক খরচ পরিচালনা করে। ফলে বিস্তারিত উন্নয়নমূলক প্রকল্পে অর্থ ব্যয়ের সীমিত ক্ষমতা থাকায় নতুন সেবার জন্য প্রকৃত পরিসর কম। যেমন স্বাস্থ্য খাতে সেবার মানোন্নয়ন বা শিক্ষার উন্নত প্রকৃতি বৃদ্ধি করা সম্ভব হচ্ছে না।

বাজেটে কিছু ইতিবাচক পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়। স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও সামাজিক কল্যাণ খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধি করা হয়েছে, যেটি মানুষের সামাজিক সুরক্ষার গুরুত্ব বৃদ্ধি করে। কিন্তু এর প্রকৃত ফলপ্রসূতি বোঝা জন্য সেবার গুণমান ও কর্মসংস্থানের উপযোগিতা বৃদ্ধি করতে হবে।

লেখক: বিশ্বব্যাংকের ঢাকা কার্যালয়ের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ

বৃদ্ধি অর্জনের প্রতিক্ষা করতে হবে যদি সরবরাহজনিত দুর্বলতা যেমন জ্বালানি সংকট ও আমদানি সীমাবদ্ধতা দূর করা হয়। অর্থনৈতিক সুযোগ বৃদ্ধির জন্য বাজেটে ব্যয় বৃদ্ধি করা হয়েছে কিন্তু উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধি না হলে এটি কার্যকর হবে না।

সরকারের ব্যয়ের প্রকৃত সাফল্য হাসপাতালের সেবা, শিক্ষার মান ও অর্থনৈতিক সুযোগ বৃদ্ধির ক্ষেত্রে নির্ধারিত হবে। নাগরিকরা ব্যয়ের আঙকা বরঁ বাজেটের প্রকৃত ফলাফল দেখে মূল্যায়ন করবে। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের সাথে সাথে ব্যয়ের বিন্যাসের প্রকৃত ক্ষমতা নির্ভর করছে।

ব্যয়ের পরিকল্পনা ও সমস্যার চূড়ান্ত পরীক্ষা

বাজেটে অর্থনৈতিক উন্নয়ন লক্ষ্য স্পষ্ট করা হয়েছে কিন্তু তা বাস্তবায়ন করতে হবে স্বাস্থ্য ও শিক্ষার সঠিক সময়ে ব্যবহার নিশ্চিত করে। যেমন সেবা গুণমান বৃদ্ধি ও সামাজিক সহায়তার কার্যকারিতা সঠিক হলে বাজেটের কার্যকারিতা অনুমোদিত হবে।

যাচ্ছে সরকার প্রবৃদ্ধি বাড়াতে চায় আর মূল্যস্ফীতি কমাতে চায়। কিন্তু বর্তমান অর্থনৈতিক দুর্বলতা সরবরাহ করতে বৃদ্ধি করা হয়েছে। জ্বালানি সংকট, ঋণ গ্রহণের জটিলতা ও আমদানি সীমাবদ্ধতা সামনে রয়েছে। ফ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *