News

চার দিনের ভারী বৃষ্টিতেই বিলুপ্তির ঝুঁকিতে ওরাংওটাং | | বাংলাদেশ প্রতিদিন

1781208102-d6adc5957b7a91b221d91063255661e0

বিলুপ্তির ঝুঁকিতে ওরাংওটাং নতুন সংকটে পৌঁছেছে

Patrikajournal.com – চ র দ ন র ভ র – ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা দ্বীপে চার দিনের ভারী বৃষ্টি এবং ভূমিধসের কারণে বিশ্বের সবচেয়ে বিপন্ন প্রজাতির ওরাংওটাং এখন বিলুপ্তির আরও নিকট পৌঁছেছে। সাইক্লোন সেনিয়ার কারণে এই প্রজাতির প্রায় ৫৮টি প্রাণী মারা গেছে, যা কিছুটা আগে পরিমাপ করা হয়নি। এই পরিসংখ্যান প্রকাশিত হয়েছে বুধবার বিবিসি কর্তৃক ঘোষিত একটি গবেষণার মাধ্যমে।

বর্তমানে বিশ্বজুড়ে এই প্রজাতির মোট প্রাণী প্রায় ৮০০টি রয়েছে। তাপানুলি ওরাংওটাং এই সংখ্যা গ্রেট এপ প্রজাতির প্রায় ৭ শতাংশ কমিয়ে আসে। গবেষকেরা তাঁদের ধারণা অনুযায়ী, ভূমিধস এবং বনভূমি ক্যানোপির ক্ষতির কারণে আরও বেশি প্রাণী মারা যেতে পারে। কিন্তু সেটি গণনার বাইরে রয়েছে।

সাইক্লোনের ক্ষতি সংখ্যাগুলো অতিক্রম করছে

ডিসেম্বরে বিবিসি কর্তৃক জানানো হয়েছিল যে সাইক্লোনের কারণে এই প্রজাতির অন্তত ৩৫টি প্রাণী মৃত্যুর হার বৃদ্ধি পেয়েছে। গবেষণার পরিবর্তে বর্তমান হিসাবে মৃত প্রাণীর সংখ্যা ৫৮ এর উপরে দাঁড়ায়। ডিকি চন্দ্র বলেন, “গত কয়েক দিনে আমি অনেক মানুষের মৃতদেহ দেখেছি, কিন্তু বন্য প্রাণীর মৃতদেহ এই প্রথম দেখলাম। ওরা আগে ফল খেতে এই জায়গায় আসত। কিন্তু এখন মনে হচ্ছে এটি তাদের কবরস্থান হয়ে গেছে।”

“আমাকে সবচেয়ে বেশি নাড়া দিয়েছে তা হলো, এর মুখের সব মাংস ছিলে গিয়েছিল। যখন কয়েক হেক্টর বনভূমি ভূমিধসে ধসে পড়ে, তখন শক্তিশালী ওরাংওটাংও অসহায় হয়ে পড়ে এবং এভাবেই পিষ্ট হয়।”

বনের ভেতরের অবস্থা নিশ্চয়ই নরকের মতো ছিল, জানিয়েছেন অধ্যাপক এরিক মেইজার্ড। তিনি একে প্রজাতির জন্য বড় আঘাত বলে উল্লেখ করেছিলেন। তিনি আরও বলেন, “সাইক্লোন সেনিয়ারের ধ্বংসযজ্ঞ প্রমাণ করে যে এই প্রজাতি কতটা ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।”

ইন্দোনেশিয়া সরকার সুমাত্রার সংরক্ষিত বনাঞ্চল বাতাং তোরু এলাকায় খনন এবং পাম তেলের বাগানের মতো উন্নয়ন কাজ স্থগিত করেছে। এ কারণে গবেষকেরা পরিবেশগত ঝুঁকি আরও ভালোভাবে মূল্যায়ন করতে পেরেছেন। প্রতিবেদনে লিখা হয়েছে, “তাপানুলি ওরাংওটাং আজ যে সংকটের মুখে, তা জলবায়ু অস্থিতিশীলতা, জীববৈচিত্র্য হ্রাস এবং অন্যান্য ঝুঁকির এক সমন্বয়।”

গবেষকেরা বলেন, এখন সমন্বিত পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। তাদের মতে, দেশের ভেতরে সুরক্ষা জোরদার হয�

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *