ইরান চুক্তির জন্য ট্রাম্পের সামনে এখনও যেসব বড় চ্যালেঞ্জ
ইর ন চ ক ত র জন – নতুন আশাবাদ জাগিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য সমঝোতা করার দিকে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন এবং তেহরানের মধ্যকার আলোচনায় অগ্রগতির ইঙ্গিত মিলছে। এমনকি ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীও দাবি করেছেন যে দুই দেশের মধ্যে একটি সমঝোতা ‘আগের যেকোনও সময়ের চেয়ে বেশি কাছাকাছি’ অবস্থায় রয়েছে।
পারমাণবিক কর্মসূচি: সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ
সম্ভাব্য চুক্তির কেন্দ্রে রয়েছে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি। ট্রাম্প প্রশাসন দাবি করছে যে ইরান তার পারমাণবিক কর্মসূচি ভেঙে ফেলতে এবং অনির্দিষ্টকালের জন্য পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি না করার প্রতিশ্রুতি দিতে প্রস্তুত। তবে বাস্তবে বিষয়টি এত সহজ নয়। মূল প্রশ্ন হচ্ছে— ইরান কি তার পুরো পারমাণবিক কর্মসূচি বন্ধ করবে, নাকি কেবল ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ একটি নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে রাখবে? এছাড়া ভবিষ্যতে চুক্তি বাস্তবায়ন হচ্ছে কি না, তা নিশ্চিত করতে কী ধরনের আন্তর্জাতিক পরিদর্শন ব্যবস্থা থাকবে, সেটিও বড় প্রশ্ন।
একজন জ্যেষ্ঠ মার্কিন কর্মকর্তা নতুন একটি পরিদর্শন ব্যবস্থার কথা উল্লেখ করলেও এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য এখনও প্রকাশ করা হয়নি।
উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম নিয়ে জটিলতা ইরানের কাছে ইতোমধ্যে যে উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম মজুত রয়েছে, তা নিয়েও বিতর্ক রয়েছে। মার্কিন প্রশাসন চায় ইরান এসব উপাদান হস্তান্তর করুক। তবে কীভাবে তা বাস্তবায়িত হবে, সে বিষয়ে এখনও স্পষ্ট সিদ্ধান্ত হয়নি।
ইরানের স্থগিত সম্পদ: নতুন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়
ট্রাম্পের জন্য রাজনৈতিক ঝুঁকি চুক্তির আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে বিদেশে আটকে থাকা ইরানের সম্পদ মুক্ত করা। ইরান প্রায় ২৪ বিলিয়ন ডলারের সম্পদ ব্যবহারের অনুমতি চাইছে বলে জানা গেছে। বারবার বলেছিল ট্রাম্প প্রশাসন, তাদের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হলো হামাস ও হিজবুল্লাহর মতো ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠীগুলোর অর্থায়ন বন্ধ করা।
ট্রাম্প অতীতে দাবি করেছিলেন যে ইরান এসব গোষ্ঠীকে সমর্থন বন্ধ করতে সম্মত হয়েছে।
তবে পরবর্তী সময়ে প্রশাসনের বক্তব্যে বিষয়টি তেমন গুরুত্ব পায়নি। বিশ্লেষকদের মতে, যদি এই বিষয়টি চুক্তিতে স্পষ্টভাবে সমাধান না হয়, তাহলে সমালোচকরা বলতে পারেন যে নতুন চুক্তিটি ওবামার সময়কা�
