বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থ রক্ষার মূল ভিত্তি হল সার্ক: তথ্যমন্ত্রী
আঞ চল ক ক ষ ত র – শনিবার সকালে রাজধানী ঢাকার কাকরাইলে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে অনুষ্ঠিত ‘দেশ পুনর্গঠনে স্বাক্ষরিত জুলাই সনদের বাস্তবায়ন’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ আমাদের সাংস্কৃতিক ও ঐতিহাসিক স্বকীয়তার মূল ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। তিনি একটি সূত্রে উল্লেখ করেন যে বাঙালির ঐতিহ্য গৌরব প্রকাশ করে কার্যকর হয় না সীমান্তের ওপার দিকে প্রবাহিত হওয়ার মাধ্যমে।
সংস্কৃতির ঐতিহ্য আর ঐতিহাসিক বিবর্তন
মন্ত্রী বলেন, সাংস্কৃতিক সার্বভৌমত্বের প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে স্পষ্ট করে বলেন যে বাঙালির সাংস্কৃতিক পরিবর্তন জাত-পাতের কাঠামোর কারণে ঘটেছে। সনাতন ধর্মের পর বৌদ্ধ ও ইসলাম ধর্মের বিবর্তন বাংলাদেশের নাগরিক স্বাধীনতা সৃষ্টি করেছে। এই বিবর্তন কার্যকর করে বাংলাদেশের সাংস্কৃতি একটি অনন্য স্বকীয়তা লাভ করেছে।
তিনি বলেন, স্বাধীনতার যুদ্ধের সময় বিপক্ষে সাজানো হওয়া কৃত্রিম মেরুকরণ আমাদের পরিবর্তনের দিক নির্দেশ করেছে। এই মেরুকরণ দ্বারা দেশের রাজনীতি কৃত্রিমভাবে কাঠামো পেয়েছে যেখানে স্বাধীনতা সংক্রান্ত স্বৈরাচার ও দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করা হয়েছে।
বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি ও আঞ্চলিক ক্ষেত্রে তিনি দৃঢ় বার্তা দিয়ে বলেন, আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোতে বাংলাদেশ জাতীয় স্বার্থের সমর্থন পায়। সার্ক হল আমাদের আঞ্চলিক ক্ষেত্রে স্বার্থ রক্ষার মূল ভিত্তি। তিনি যুক্তি দেন যে সার্কের ২২০ কোটি মানুষ ঐক্যবদ্ধ হয়ে আমাদের স্বার্থ রক্ষা করতে পারে। যদি কোন শক্তি অন্য কোনো প্রমাণের ওপর ভর করে আঞ্চলিক বয়ান তৈরি করে তবে তাকে সন্দেহের চোখে দেখা হবে।
আলোচনা সভার আয়োজন করেন ‘দেশ যাবে কোন পথে, ফয়সালা হবে রাজপথে’ স্লোগানে প্রবাস জীবনে স্বাধীনতার পথ খুঁজেছিলেন তারেক রহমান। এই স্লোগান বাস্তবায়নের মাধ্যমে রাজনৈতিক পরিবর্তন ঘটেছে। বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ প্রফেসর ড. মাহবুব উল্লাহ প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন।
অনুষ্ঠানের অংশগ্রহণকারীদের তালিকা
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর, সংসদ সদস্য শাহাদাত হোসেন সেলিম, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহ, মোমিনুল আমিন ও বিএনপি নেতা মো. রাশেদ খাঁন বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন।
