জাবির বাসে ছাত্রীকে হেনস্তার অভিযোগে বহিষ্কার ১
জ ব র ব স ছ ত – জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ঘটেছে একটি তীব্র ঘটনা, যার প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে প্রায় পুরো ক্যাম্পাসে। বঙ্গবাজারগামী বাসে এক ছাত্রীকে শারীরিক হেনস্তার অভিযোগে ছাত্র মোহাম্মদ হাসানুর রহমানকে সাময়িক বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। অপরাধের পরিমাণ ও আক্রমণের গুরুত্ব বিবেচনায় তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। ঘটনাটি শনিবার (১৩ জুন) বিকেল ৪টার দিকে ঘটে। এটি ক্যাম্পাসের সম্পূর্ণ স্তরে আলোচিত হয়েছে, যখন ছাত্রদের প্রতিক্রিয়া ছাত্রী ও বাস সম্পর্কিত বিষয়ে প্রায় সম্পূর্ণ একটি সংঘর্ষ তৈরি করেছে।
অভিযোগ এবং ঘটনার বিস্তার
অভিযুক্ত ছাত্র মো. হাসানুর রহমান নৃবিজ্ঞান বিভাগে নবাব সলিমুল্লাহ হলে আবাসিক ছাত্র। ঘটনার পর তিনি ক্যাম্পাসে পুনরায় ফিরে আসার পর নিরাপত্তা শাখায় হস্তান্তর করা হয়। ঘটনার বিবরণ তদন্তের জন্য প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যদের ও উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ কামরুল আহসান এবং উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক শামছুল আলম নিয়ে সম্পন্ন হয়। তাদের পরামর্শে নিরাপত্তা অফিসে তিনি লিখিত জবানবন্দি দেন এবং ছাত্রীকে ছবি তোলার প্রতিবাদে ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। এর ফলে বাসের ভিতর ধস্তাধস্তি ঘটে এবং তিনি জোর করে বাস থেকে পালাবার চেষ্টা করেন।
ভুক্তভোগী ছাত্রী বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫১তম ব্যাচের শিক্ষার্থী। তিনি ছবি তোলার অনুমতি ছাড়া তাঁর মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের প্রতিক্রিয়া আলোচনার মাধ্যমে সম্প্রতি গুরুতর বিতর্ক সৃষ্টি করেছে। অভিযুক্ত ছাত্রীর কথার উপর ভিত্তি করে তিনি একটি ছবি তোলেন, যার পর তাঁর স্বাক্ষর প্রত্যাখ্যান করেন। এ অবস্থায় তিনি ছাত্রীকে লাঞ্ছনা করার অভিযোগ জানান এবং মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া আরম্ভ করেন। নিরাপত্তা অফিসে তাঁর কথার বিষয়ে প্রাথমিক তদন্ত চলছে।
বাসের অভিযোগ প্রায় পুরো ক্যাম্পাসের নীতি ও আচরণ সম্পর্কিত একটি গুরুতর সমস্যা দেখায়। সংঘটিত ঘটনার পর তদন্তের জন্য প্রক্টরিয়াল টিম নিয়ে দুর্ঘটনার পরিস্থিতি গুরুতর বৃদ্ধি পায়। বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টুডেন্টস এসোসিয়েশন এবং শিক্ষার্থীদের কমিটি বাস ঘটনার প্রতি নজর দেখে আপত্তি প্রকাশ করেছে। এ কারণে ছাত্রদের মধ্যে অভিযোগের উপর আলোচনা চলছে।
“আমাদের ছাত্রীকে নিরাপত্তা বাহিনী দ্বারা জোর করে ফোন ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে। ছবি তোলার ক্ষমতা ছাত্রীকে দেওয়া হয়েছে কিন্তু পরে এটি আক্রমণের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়েছে।” – বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী একজন মুখপাত্র
অপরাধের পর নিরাপত্তা বাহিনী ঘটনাটি তদন্তের জন্য নিজেদ
