গুমনির্যাতন: শেখ হাসিনাসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ আজ
আদালতে গুমনির্যাতনের ক্ষেত্রে আসামি সাক্ষ্য দেয়ার প্রক্রিয়া শুরু
গ ম ন র য তন – গুমনির্যাতন মামলার জন্য আজ বুধবার রবিবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদার নেতৃত্বে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১৭ জন আসামির সাক্ষ্য নেয়া হবে। এই মামলায় সাক্ষ্য গ্রহণের প্রক্রিয়াটি আগে নিয়োগের কথা ছিল, কিন্তু আদালত সময় পরিবর্তনের পরিপ্রেক্ষিতে আজকে নির্ধারণ করেন। বর্তমানে চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি শুরু হওয়া সাক্ষ্য গ্রহণ পর্বে চারজন ভুক্তভোগী এবং প্রত্যক্ষদর্শী আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন।
আদালত তদন্তে গুমনির্যাতন সংক্রান্ত অপরাধের প্রমাণ সংগ্রহ করতে জোর দিচ্ছে। এই প্রক্রিয়াটি আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালের প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং অন্যান্য আসামিদের বিরুদ্ধে প্রমাণ জমা দেয়ার জন্য প্রসিকিউশন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। গুমনির্যাতনের প্রতি জোর দিয়ে কেন্দ্রিক মামলা চলছে, যেখানে বিভিন্ন আসামির সাক্ষ্য দিয়ে গুমনির্যাতনের পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হবে। অপরাধ তদন্ত প্রক্রিয়ার মধ্যে এই মামলার প্রমাণ তৈরি করতে আদালত গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষীদের প্রতিবেদন গ্রহণ করছে।
গুমনির্যাতন মামলায় আসামি হিসেবে অব্দিয়া শেখ হাসিনার সাবেক প্রতিরক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিক, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ, র্যাবের সাবেক দুই মহাপরিচালক এম খুরশীদ হোসেন ও ব্যারিস্টার হারুন অর রশিদ এবং র্যাবের সাবেক পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) মো. খায়রুল ইসলাম অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন। এই আসামিদের মধ্যে সাতজন বর্তমানে পলাতক হয়ে রয়েছেন। সাক্ষ্য গ্রহণ প্রক্রিয়ায় গুমনির্যাতন ক্ষেত্রে প্রতিবেদন সংগ্রহ করা হচ্ছে যাতে অপরাধের সত্যিকরণ হতে পারে।
বর্তমানে পলাতক আসামিদের তালিকায় রয়েছেন গুমনির্যাতনের সাথে সম্পৃক্ত ব্যক্তিবর্গ। তারা হলেন: র্যাবের সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল তোফায়েল মোস্তফা সারোয়ার, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. কামরুল হাসান, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাহাবুব আলম, কর্নেল কে এম আজাদ, কর্নেল আবদুল্লাহ আল মোমেন, কর্নেল আনোয়ার লতিফ খান, র্যাবের গোয়েন্দা শাখার সাবেক পরিচালক কর্নেল মো. মশিউর রহমান এবং অন্যান্য ব্যক্তি।
বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদার বলেন, “
