পতিত সরকারের সময় নারী ও সংখ্যালঘুদের ওপর জুলুম ঘটেছে: উপদেষ্টা তিতুমীর
পত ত সরক র র সময় ন – গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার পল্লী উন্নয়ন একাডেমিতে অনুষ্ঠিত সমাবেশে উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর টেকসই জীবনমান উন্নয়ন সম্পর্কে আলোচনা করা হয়। সেমিনারে পল্লী উন্নয়ন একাডেমির মহাপরিচালক ড. আব্দুল্লাহ আল মামুন মুখ্য অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। এ সময় সভায় বক্তব্য রাখেন গোপালগঞ্জ জেলার কয়েকজন সংসদ সদস্য এবং কর্মকর্তারা।
পতিত সরকারের প্রতিক্রিয়া ও সমালোচনা
প্রধানমন্ত্রী আর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ মাহমুদ তিতুমীর সমাবেশে স্পষ্ট ভাষায় বলেন, পতিত সরকারের সময় দেশে সামাজিক ন্যায় ও আইনি কাঠামোর অভাব ছিল। সেই সময় নারী ও সংখ্যালঘুদের প্রতি অত্যাচারের সংখ্যা বৃদ্ধি পায়। তিনি জোর দিয়ে বলেন, নারীদের সম্মান ও স্বাধীনতা নিশ্চিত করা জরুরি। কারণ সেই সরকারের কাজে নারী ও সংখ্যালঘুদের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি ছিল না।
পতিত সরকারের সময়ে নারী ও সংখ্যালঘুদের ওপর স্থায়ী জুলুম ঘটেছে। সেই সময় জনগণের মানসিক ও পদ্মন ক্ষতি সাধারণ বিষয় হয়ে ওঠে। তিতুমীর অনুসারে, আইনের শাসন ছিল না এবং সরকার মানুষের জন্য প্রতিশ্রুতি পূরণ করতে পারেনি। উদাহরণস্বরূপ, চিকিৎসাকেন্দ্রগুলোতে সেবা প্রদান হত না। অ্যাম্বুলেন্স থাকলেও প্রয়োজনীয় কর্মী ছিল না।
তিতুমীর আরও বলেন, সরকারের টেকসই জীবনমান উন্নয়ন প্রকল্পে বৈষম্যবিহীন সামাজিক ব্যবস্থা গুরুত্বপূর্ণ। কর্মসংস্থান বৃদ্ধি করতে সরকার ব্যর্থ হয়েছে। এ কারণে সামাজিক ন্যায় নিশ্চিত করা প্রয়োজন বলে তিনি মন্তব্য করেন।
সংখ্যালঘুদের অবস্থা ও প্রতিক্রিয়া
নিমাই কুমার রায় জানান দেন যে, উপকূলীয় অঞ্চলে বনদস্যুদের আক্রমণে নারী ও সংখ্যালঘুদের অস্থিতিশীলতা দেখা যায়। তিনি বলেন, এ সময় জীবন বাজি দিয়ে প্রতিক্রিয়া দিতে হয়েছে। সরকার কর্মসংস্থান প্রদানে অপর্যাপ্ত দাবি করেন।
বিশেষ করে পতিত সরকারের সময়ে আইনের কাঠামো ছিল না। সেই সময় স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষা সংক্রান্ত কাজগুলো সম্পন্ন হয়নি। তিতুমীর অনুসারে, এ সময় সামাজিক অধিকার গুরুত্বপূর্ণ। অত্যাচারের প্রতি সংবিধান ও আইনে বিশেষ করে নারী ও সংখ্যালঘুদের প্রতি গুরুত্ব দেওয়া উচিত ছিল।
