ইউজিসি চেয়ারম্যান: প্রকৌশল শিক্ষায় নৈতিকতা ও সততার গুরুত্ব
প রক শল শ ক ষ য় – ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের শুরুতে রাজধানীতে অনুষ্ঠিত হওয়া মিলিটারি ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি (এমআইএসটি) একটি সারসংক্ষেপ অনুষ্ঠানে ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ তাঁর মতামত প্রকাশ করেন। তিনি তাঁর ভাষণে আরও বলেন যে প্রকৌশল শিক্ষার মূল উদ্দেশ্য শুধু বুদ্ধিমত্তা ও কারিগরি দক্ষতা অর্জন করা নয়, তবুও নৈতিক মূল্যবোধের সাথে সততার সমন্বয় ঘটানো আরও গুরুতর হয়ে আসছে। তিনি দাবি করেন যে একজন প্রকৌশলী ব্যক্তি হিসেবে উঠলে সমাজ ও রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারেন।
নৈতিক শিক্ষার অপরাজয় কেন প্রয়োজন?
ড. মামুন আহমেদ তাঁর বক্তব্যে বলেন যে চাকরীর প্রকৌশল শিক্ষার সমাজে একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে নৈতিক মূল্যবোধের অনুশীলন অপরাজয় করা প্রয়োজন। তিনি তাঁর মতামত বলেন, প্রকৌশল শিক্ষার একটি অনুপ্রবেশ হলো দায়িত্ব ও সততার সমন্বয় যা শিক্ষার্থীদের গৃহীত করতে হবে। কারণ প্রকৌশল শিক্ষার সমাজ ও রাষ্ট্র গঠনে প্রয়োজনীয় হয় যারা বুদ্ধিমত্তা ও কারিগরি দক্ষতা সাথে নৈতিক দায়িত্ব পালন করতে পারে। সামাজিক ও আর্থিক বিপর্যয় এবং সংস্থার প্রতি দায়িত্বের বুঝি ও গুরুত্ব করার দরকার আছে।
তিনি বলেন, “প্রকৌশল শিক্ষার সমাজ ও রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনে নৈতিকতা ও সততার অপরাজয় প্রয়োজন। প্রকৌশল শিক্ষার বিশ্ববিদ্যালয়গুলো এটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে বিশ্বাস জনাচ্ছেন।”
প্রকৌশল শিক্ষার সমাজে আরও বলা হয় যে শিক্ষার্থীদের নৈতিক মূল্যবোধ নির্মাণে তাদের কৌশলী প্রাপ্তি সাথে সততার গুরুত্ব দিতে হবে। এই ধরনের নৈতিক গুণ কৌশলী ব্যক্তিদের কার্যকারিতা করতে পারেন। এই বিষয়টি সম্পূর্ণ ভাবে মিলিটারি ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি এবং অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলো জনাচ্ছেন। তাঁরা ভাবেন যে সংস্থার মধ্যে নৈতিক মূল্যবোধ বিদ্যমান ছাত্রদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচিত হবে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের নৈতিক গুণ গড়ে উঠার প্রক্রিয়া
প্রকৌশল শিক্ষার গুরুত্ব বৃদ্ধি করতে চাই
