News

৮৪৮টির ৭২১টিই ঝুঁকিপূর্ণ | | বাংলাদেশ প্রতিদিন

1781461277-50cf6c45afd85ba5fab44c9c3b8b45e4

৮৪৮টির ৭২১টিই ঝুঁকিপূর্ণ | | বাংলাদেশ প্রতিদিন

Patrikajournal.com – ৮৪৮ট র ৭২১ট ই ঝ ক প – রাজশাহী শহরের গড়ন গত দুই দশকে একটি বিপর্যয়ের মতো পরিবর্তন ঘটেছে। তবে এই প্রগতির আড়ালে অনেক ভবন নির্মাণ বিধি বিপর্যয় বা নিরাপত্তা নির্দেশনা অবহেলা করে তৈরি হয়েছে। নগরীতে অনেক স্থানে অবৈধ ভাবে নির্মিত এমন ভবনগুলো এখন নগরবাসীর প্রাণ সংকটের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

দুই দশক আগে জীবন বীমা করপোরেশনের ভবনটি ছিল রাজশাহীর একমাত্র ১০ তলা বাড়ি। এখন মানুষ সাত তলার বেশি উচ্চতার ভবনকে বহুতল ভবন বলে মানে। তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রে সেগুলো নিয়ম অনুযায়ী রাস্তা সরাসরি ছেড়ে দেওয়া হয়নি। নুরুল ইসলাম বলেন, এগুলো কোনো দুর্ঘটনার সময় ফায়ার সার্ভিস গাড়ি প্রবেশ করতে পারবে না।

‘ভূমিকম্প বা অগ্নিকাণ্ডের মতো দুর্ঘটনা ঘটলে এসব ভবনের আশপাশে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি প্রবেশের সুযোগ থাকবে না। এতে উদ্ধারকাজ ব্যাহত হবে এবং প্রাণহানির ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে যাবে,’ নগরবাসী নুরুল ইসলাম জানান।

রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (আরডিএ) ও ফায়ার সার্ভিসের অনুমোদন ছাড়াই নির্মিত হয়েছে ৮৪৮টি ভবনের মধ্যে এক হাজার ২৪৫টি। এই ভবনগুলো বর্তমানে চরম ঝুঁকির কারণ হয়েছে। আরডিএ তথ্য অনুযায়ী, নগরীর সাত তলার বেশি উচ্চতার ভবনের মালিকদের বিরুদ্ধে নোটিস দেওয়া হয়েছে রাজশাহীতে গত দশকে সাড়ে ৬ হাজারের বেশি ভবন।

ফায়ার সার্ভিসের ছাড়পত্র ছাড়াই নিউমার্কেট মোড়ে একটি ৯ তলা ভবন নির্মাণ করেছেন মোহাম্মদ রানা। ডেভেলপার প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে নির্মিত ভবনটি ফ্ল্যাট বিক্রি হয়ে গেলেও আরডিএ জানতে পারে যে এটি কোনো ধরনের অনুমোদন ছাড়া তৈরি হয়েছে। তার বিরুদ্ধে কর্তৃপক্ষ মামলা করেছে। একই ধরনের অভিযোগ সাহেববাজারের ১২ তলা এসএস টাওয়ারের বিরুদ্ধেও আছে।

রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) অধ্যাপক বুলবুল আহমেদ বলেন, শুধু নোটিস বা মামলা করেই দায়িত্ব শেষ করলে চলবে না। আরডিএকে মাঠপর্যায়ে আরও কঠোর হতে হবে। বর্তমানে পরিকল্পিত নগরায়ণের পথে এসব অবৈধ ভবন এখন প্রধান বাধা হয়েছে বলে আরডিএ সূত্রে জানা গেছে।

রাজশাহী আরডিএর ভারপ্রাপ্ত তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. আবদুল্লাহ আল তারিক বলেন, গত পাঁচ বছরে দেড় শতাধিক ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে ১৪০টি �

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *