News

বিনিয়োগবান্ধব বাস্তবায়নে জোর দিতে হবে | | বাংলাদেশ প্রতিদিন

default-img-17-86

বাজেটে বিনিয়োগ বান্ধব পরিবেশ গঠন

Patrikajournal.com – ব ন য় গব ন ধব ব – বিনিয়োগবান্ধব বাস্তবায়নে জোর দিতে হবে বলে ইউরোপিয়ান চেম্বার অব কমার্স ইন বাংলাদেশ (ইউরোচ্যাম বাংলাদেশ) জানিয়েছে আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটে বিনিয়োগ, রপ্তানি বহুমুখীকরণ এবং কর প্রশাসনের আধুনিকায়নে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ব্যবসাবাণিজ্য ও বিদেশি বিনিয়োগের পরিবেশ উন্নয়নে বাজেটের পদক্ষেপগুলো সহায়ক হতে পারে বলে ইউরোচ্যাম মনে করছে। তাদের মতে, বাজেটে বিনিয়োগ পরিবেশ উন্নত করার দিকে কিছু বিশেষ পদক্ষেপ রয়েছে যা এ সময়ে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক রূপান্তরে ভূমিকা রাখতে পারে।

ইউরোচ্যামের স্বাগতিক মন্তব্য

বাজেটে বিনিয়োগ বান্ধব পরিবেশ গঠন করার প্রস্তাব দেখে ইউরোচ্যাম বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক আরিক শামা জানিয়েছেন, বিনিয়োগ কার্যক্রমের পরিবেশ উন্নয়নের জন্য কর প্রশাসন ও রপ্তানি বহুমুখীকরণের দিকে নতুন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তবে বিনিয়োগ আকর্ষণের জন্য বিস্তারিত প্রস্তাবগুলো কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের ওপর নির্ভর করবে বলে মনে করছেন তিনি। তাদের প্রস্তাবে কর রিটার্ন ও কর ফেরতের ডিজিটালাইজেশন, রপ্তানিমুখী শিল্পের জন্য বন্ডেড ও শুল্কমুক্ত সুবিধাগুলোর সম্প্রসারণ এবং ফ্রি ট্রেড জোন কাঠামো অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।

বিনিয়োগ আকর্ষণের আরও উন্নত পদক্রমের প্রয়োজনীয়তা

বাজেট বিষয়ে স্বাগতিক মন্তব্য জানিয়ে ইউরোচ্যাম বলেছে, কর প্রশাসনের সংস্কার এবং ব্যবসার সহজীকরণ জনগণের বিনিয়োগ আকর্ষণ বৃদ্ধির জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তাদের সুপারিশগুলোতে কর ফেরত ব্যবস্থার স্বয়ংক্রিয় কর, ঝুঁকিভিত্তিক অডিট নির্বাচন এবং ট্যাক্স রেসিডেন্সি সার্টিফিকেশনের মধ্যে ইউরোচ্যামের প্রকৃত সম্মান রয়েছে। বিশেষ করে বিনিয়োগ পরিবেশ আকর্ষণের জন্য করপোরেট কর কাঠামো যৌক্তিকীকরণ ও বিনিয়োগ আধুনিকায়ন সম্পর্কে সংগঠনটি প্রকাশ্যে স্বাগত জানিয়েছে।

নীতিগত স্থিরতা ও প্রণোদনা বৃদ্ধি

বাজেটে বিনিয়োগ পরিবেশ আধুনিকায়নের উদ্দেশ্যে বিশেষ করে নীতিগত স্থিরতা বৃদ্ধির জন্য কর প্রশাসনের সংস্কার কার্যক্রমে স্থায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ইউরোচ্যাম বলেছে, রপ্তানি বহুমুখীকরণ ও কর সার্বিক পরিবেশ উন্নয়ন করতে পারে বিনিয়োগবান্ধব নীতি গঠনের মাধ্যমে। এছাড়াও বিনিয়োগ গন্তব্য হিসেবে বাংলাদেশে প্রস্তাবিত প্রণোদনাগুলো এ খাতের জন্য মূল্যবান সম্পদ সৃষ্টি করতে পারে বলে মনে করছে সংগঠনটি। এসব বিষয়ে সরকারি ও বেসরকারি খাতের মধ্যে ধারাবাহিক সংলাপ অব্যাহত রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে।

বিনিয়োগবান্ধব বাস্তবায়নে জোর দিতে হবে বলে জানিয়ে

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *