মরক্কো বিশ্বকাপে নতুন মুখোমুখি স্কটল্যান্ডের সামনে
লড় ই প র য় ব শ – বর্তমানে মরক্কো ফুটবল বিশ্বে পরাশক্তির মধ্যে অবস্থান করছে বলে সমর্থকদের মতে আত্মবিশ্বাস স্থাপন হয়েছে। ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপে বিপক্ষে বিশ্বাস করা হয়েছিল যে দলটি সেমিফাইনাল পর্যন্ত পৌঁছতে পারবে না, কিন্তু সেমিফাইনালে উঠে ইতিহাস গড়েছে। এখন ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে তাদের সপ্তম স্থানে রয়েছে।
২০২৬ সালের বিশ্বকাপে প্রথম ম্যাচে ব্রাজিলের বিপক্ষে খেলার পর দলটি প্রথম মুহূর্তে এক গোল করে পারে নি। কিন্তু দলটি সেমিফাইনাল পর্যন্ত আসতে পারে নি, কারণ সেই ম্যাচটি ড্র নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয়েছিল। তবে আত্মবিশ্বাস ক্ষীণ হয়ে না দলটির সমর্থকদের প্রতিভার দৃষ্টিতে বিশ্বাস বাড়ছে।
বৃহস্পতিবার বোস্টনে মরক্কোর সমর্থকরা লাল ও সবুজ রঙের ধোঁয়া উড়িয়ে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। এই উৎসব মরক্কো অভিজাত দলের আগে যারা তার প্রতিভা বাড়ছে বলে মনে করেন। একটি মন্তব্য করেছিলেন ওসামা খাতাম, যিনি মন্ট্রিল থেকে বোস্টনে খেলা দেখতে আসেন। “বিশ্বকাপে সুযোগ পাওয়া ছিল একটি বড় অর্জন, কিন্তু এখন দলটি যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স ও জার্মানির সাথে তফাত নেই।” তিনি বলেন।
আফ্রিকার নকশা দিয়ে বিশ্বমঞ্চে নতুন সৃষ্টি
মোহাম্মদ সিক্স ফুটবল একাডেমির উপর সমর্থকদের ভরসা রয়েছে। এই একাডেমি হাতেনাতে সম্ভব হয়েছে যে ২০১৮ সালে বিশ্বকাপে ফিরে আসা এবং ২০২২ সালে সেমিফাইনালে উঠে ইতিহাস গড়েছে। এবার স্কটল্যান্ডের মুখোমুখি হচ্ছে মরক্কো। জয়ের পর দলটি নকআউট পর্বে সহজ পথ পেতে পারে।
গত বছর অনূর্ধ্ব-২০ বিশ্বকাপ জয় করে দলটি অবিশ্বাস্য প্রতিভার দৃষ্টিতে নতুন মুখোমুখি হয়েছে। সমর্থকদের মতে, মরক্কো আফ্রিকার মহাদেশ ছাড়াও অনুন্নত বিশ্বের বাকি দেশগুলোকে অনুপ্রাণিত করছে। কেবল নিজেদের জন্য খেলছে না, বরং একটি রোল মডেল হয়ে উ�ঠেছে বলে মনে করেন তারা।
আমরা মরক্কোকে পরিচয় দিয়েছি, যে সঠিক পরিকল্পনা ছিল তাদের এখন বিশ্বমঞ্চের শীর্ষ চারে জায়গা করে নিতে পারে বলে মনে করি।
স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে মরক্কোর জয় ঘটে কিছু বিশ্বকাপ উপহার দেবে বলে আশা করেন
