ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনায় নতুন গতি, সুইজারল্যান্ডে যাচ্ছেন ট্রাম্পের দূত
ইর ন য ক তর ষ ট – মধ্যপ্রাচ্যে সাম্প্রতিক ঘটনার প্রেক্ষাপটে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে শান্তি ও পারমাণবিক চুক্তি নিয়ে আলোচনার আবির্ভাব পরিলক্ষিত হয়েছে। এর পরে যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের সফর স্থগিত করা হয়েছিল, যখন তেহরান সম্ভাব্য চুক্তি করার প্রথম ধাপে নতুন গতি এনেছিল।
পূর্ববর্তী সময়ে ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহর মধ্যে যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর বিশ্লেষকদের মতে কূটনৈতিক প্রক্রিয়া কিছুটা সহজ হয়েছে। তবে যুদ্ধবিরতি ঘোষণার আগে পরিস্থিতি ছিল বেশ উত্তপ্ত, কারণ লেবাননে ইসরায়েলের হামলায় কমপক্ষে ৪৭ জন নিহত হন।
সম্ভাব্য নতুন চুক্তি নিয়ে আলোচনা শুরু করতে সুইজারল্যান্ডে যাচ্ছেন স্টিভ উইটকফ, যিনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী হিসেবে কাজ করছেন। এই বৈঠককে ভবিষ্যৎ চুক্তির ভিত্তি হিসেবে দেখা হচ্ছে।
এই প্রক্রিয়ায় উইটকফের সফর কিছুটা আলোচনার পরিবেশ সুনির্দিষ্ট করেছে। তবে ইসরায়েলের কিছু দল এই সমঝোতার বিরোধিতা করে আসছে, যা পরিপ্রস্থ আলোচনার পথে নতুন বাধা তৈরি করতে পারে।
সম্ভাব্য চুক্তির বিষয়ে প্রাথমিক আলোচনা করার জন্য উইটকফ সুইজারল্যান্ডের বার্গেনস্টক অবকাশকেন্দ্রে দুই দেশের প্রতিনিধিদের বৈঠক পরিকল্পিত হয়েছিল। যুক্তরাষ্ট্র ও কাতারের মধ্যস্থতার সাথে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একটি সমঝোতা স্মারক সই করেন।
বিশ্লেষকদের মতে, এই প্রক্রিয়া এখনও বেশ নাজুক অবস্থায় রয়েছে। তবে যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর পর কূটনৈতিক তৎপরতা নতুন করে শুরু হয়েছে যা মধ্যপ্রাচ্যে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে কতটা কার্যকর হবে, তা এখন দেখার বিষয়
