বিশ্বকাপের ফুটবল বানানো দেশটিই কখনো ফুটবল খেলেনি!
ব শ বক প র ফ টবল – বিশ্ব ফুটবল চূড়ান্ত পর্বে খেলার সুযোগ পেয়েছে কিনা বিশ্বের ফুটবল খেলোয়াড়দের মাঠে জাদুকরী বলগুলোর সৃষ্টি করে শিয়ালকোট শহর। কিন্তু এই শহরের কারিগরদের সাথে যুক্ত হয়ে বিশ্বকাপে খেলার বিষয়টি সে পর্যন্ত অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠেছে।
পরিসংখ্যান প্রতিদিন বিশ্বের নানা প্রান্তে প্রায় তিন লাখ ফুটবল শিয়ালকোটের কারখানা থেকে পাড়ি জমায়। বিশ্বকাপের মৌসুমে এই সংখ্যা চার কোটি পর্যন্ত বৃদ্ধি পায়। যেমন ২০১৪ সালের ব্রাজিল, ২০১৮ সালের রাশিয়া এবং ২০২২ সালের কাতারে শিয়ালকোটের সম্প্রদায় অফিশিয়াল ম্যাচ বল তৈরি করে। গত ৪৪ বছরে প্রতিটি বিশ্বকাপের জন্য তাদের সাথে পার্শ্ববর্তী কাজ হয়েছে।
ফুটবল প্রেমীদের কাছে এই শিয়ালকোট শহর এখন অনন্য উপাধি পেয়েছে। এই কারখানাগুলো বিশ্বের মোট ফুটবলের প্রায় ৭০ শতাংশ সরবরাহ করে। বিশেষ করে বিশ্বকাপে খেলা হওয়া বলগুলো তাদের কাছে সৃষ্টি করা হয়। বিশ্ব ফুটবলের জাদুকরী নাম শিয়ালকোটের প্রতিষ্ঠিত কোম্পানিগুলোকে পেয়েছে।
১৯৯১ সালে প্রতিষ্ঠিত ফরোয়ার্ড স্পোর্টস কোম্পানিটি বিশ্ব ফুটবলে নিজেদের নিয়ে নিয়ে গেছে বিশেষ উচ্চতায়। পরবর্তী বিশ্বকাপের মাঠের বলগুলো তাদের দায়িত্বে তৈরি হয়েছে।
খেলার মাঠে হয়তো খেলোয়াড়দের পায়ের জাদুতে গোল আসে, কিন্তু সেই জাদুর কারিগর হিসেবে নিয়োগ দিয়ে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে পাকিস্তানের এই শহর।
বিশ্বকাপ আয়োজনের সময় পাকিস্তান ফুটবল দল এ পর্যন্ত চূড়ান্ত পর্বে খেলতে পারেনি। এখনও তাদের বৈশ্বিক মঞ্চে অবস্থান করা যায়নি। এই দ্বৈরথই শিয়ালকোটকে এক অদ্ভুত পরিচয় দিয়েছে।
বিশ্ব ক্রীড়াঙ্গনে শিয়ালকোটের পরিচয় এখন অনন্য। পাকিস্তানের শিয়ালকোট সরাসরি সামনে দিয়ে গোল পাড়া এক অপূর্ব কারখানা হিসেবে পরিচিত হয়েছে।
মাঠে ময়দানে ১৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম ২৬ মিনিট আগে | নগর জীবন ৩৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম ৫১ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে ৫৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম ১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে ২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে ১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে ১২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি ১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে ১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম ১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম ১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে ১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে ১০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন ১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে ৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম ২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে ৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম ৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম ১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে ৬ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন ৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে ১৩ ঘণ্টা আগে
