News

চুয়াডাঙ্গায় বসুন্ধরা টিস্যু ও শুভসংঘের গাছের চারা বিতরণ | | বাংলাদেশ প্রতিদিন

চুয়াডাঙ্গায় বসুন্ধরা টিস্যু ও শুভসংঘের গাছের চারা বিতরণ চ য় ড ঙ গ য় বস - সোমবার (২২ জুন) বেলা ১১টায় চুয়াডাঙ্গা শহরের রাহেলা খাতুন গার্লস একাডেমি স্কুলের

Desk News
Published June 22, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

চুয়াডাঙ্গায় বসুন্ধরা টিস্যু ও শুভসংঘের গাছের চারা বিতরণ

চ য় ড ঙ গ য় বস – সোমবার (২২ জুন) বেলা ১১টায় চুয়াডাঙ্গা শহরের রাহেলা খাতুন গার্লস একাডেমি স্কুলের প্রাঙ্গণে বসুন্ধরা টিস্যু ও শুভসংঘের যৌথ উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা বিতরণ করা হয়। এ অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের হাতে গাছের চারা তুলে দেওয়া হয় যাতে তারা নিজেদের আঙিনা বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের খালি জায়গায় রোপণ করতে পারেন।

বিশেষ অতিথির অংশগ্রহণ

বসুন্ধরা শুভসংঘের জেলা শাখার সভাপতি অ্যাডভোকেট আ.স.ম আব্দুর রউফের সভাপতিত্বে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা পরিষদের প্রশাসক শরীফুজ্জামান। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক নয়ন কুমার রাজবংশী, জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি নাজমুল হক স্বপন, জেলা দোকান মালিক সমিতির সভাপতি মঞ্জুরুল আলম মালিক লার্জ এবং সাধারণ সম্পাদকদের মধ্যে অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন সংগঠনের জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক হেমন্ত কুমার সিংহ রায়। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক নয়ন কুমার রাজবংশী বলেন, ‘একটি গাছ শুধু পরিবেশের সৌন্দর্য বাড়ায় না, এটি মানুষের জীবন রক্ষায়ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। গাছ বাতাস থেকে কার্বন ডাই-অক্সাইড শোষণ করে অক্সিজেন সরবরাহ করে, মাটির ক্ষয় রোধ করে, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে সহায়তা করে এবং তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে। তাই প্রতিটি মানুষকে অন্তত একটি করে গাছ লাগানো এবং পরিচর্যা করার দায়িত্ব নেওয়া উচিত। বসুন্ধরা শুভসংঘের এই উদ্যোগ প্রতিটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়ুক’।

বর্তমান সময়ে জলবায়ু পরিবর্তন, তাপমাত্রা বৃদ্ধি, বায়ুদূষণ ও পরিবেশগত ভারসাম্যহীনতা বিশ্বব্যাপী উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বাংলাদেশও এর বাইরে নয়। শহরাঞ্চলে বৃক্ষনিধন ও অপরিকল্পিত নগরায়ণের কারণে সবুজের পরিমাণ ক্রমেই কমে যাচ্ছে। এমন বাস্তবতায় প্রধানমন্ত্রী আগামী ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষ রোপণের ঘোষণা দিয়ে কর্মসূচি শুরু করেছেন। এ উদ্যোগ প্রশংসনীয় এবং সময়োপযোগী বলে মন্তব্য করেন জেলা পরিষদের প্রশাসক শরীফুজ্জামান।

রাহেলা খাতুন গ

Leave a Comment