সাড়ে ৪ কোটি টাকার সোনার বার জব্দ হয়েছে | বাংলাদেশ প্রতিদিন
স ড় ৪ ক ট ট ক – বাংলাদেশের ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে একটি বড় দুর্ঘটনা ঘটেছে, যাতে প্রায় সাড়ে ৪ কোটি টাকা মূল্যের ১৯টি সোনার বার জব্দ হয়েছে। গত রবিবার গভীর রাতে ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের ঝিলমিল এলাকায় পুলিশ একটি গোপন অভিযান চালায়। অপারেশনে তিনজন ব্যক্তিকে আটক করা হয়, যাদের সাথে সাড়ে ৪ কোটি টাকার সোনার বার পাওয়া গেছে। সোনার বারগুলি মোট ২ কেজি ৪৫২ গ্রাম ওজন করে এবং বাজারমূল্য প্রায় ৪ কোটি ৪১ লাখ ৭৮ হাজার টাকা। এ জব্দ ঘটনার পর পুলিশ সূত্রে জানানো হয়েছে যে আটক ব্যক্তিদের সাড়ে ৪ কোটি টাকার সোনার বার চোরাচালানে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন।
অপারেশনের প্রক্রিয়া ও তদন্ত
গোপন খবরের ভিত্তিতে ঝিলমিল এলাকায় সাড়ে ৪ কোটি টাকার সোনার বার সন্দেহভাজন একটি গাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়। সেখানে আটক ব্যক্তিদের শরীর তল্লাশি করে সোনার বারগুলি আবিষ্কার করা হয়। পুলিশ ওসি সাইফুল আলম জানান যে আটক ব্যক্তিদের কোন বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেনি। সাড়ে ৪ কোটি টাকার সোনার বার জব্দের পর থানায় মামলা করা হয়েছে। এ বিষয়ে পুলিশ তদন্ত চালাচ্ছে চোরাচালান চক্রের অন্য সদস্যদের শনাক্ত করার জন্য।
আটক ব্যক্তির বিবরণ
সাড়ে ৪ কোটি টাকার সোনার বার জব্দের ঘটনায় আটক ব্যক্তিরা হলেন- যশোরের শার্শা উপজেলার রিপন হোসেন (২৭ বছর), রাকিবুল হাসান (২০ বছর) ও মেহেদী হাসান (২৫ বছর)। পুলিশ জানায় যে তিনজনের নিকট থেকে সাড়ে ৪ কোটি টাকার সোনার বারগুলি উপাদান হিসেবে গৃহীত হয়। এ ক্ষেত্রে সোনার বারগুলি কোন বৈধ প্রমাণ ছাড়া সংগ্রহ করা হয়েছিল। এ অপারেশনে পুলিশ নিশ্চিত করেছে যে সাড়ে ৪ কোটি টাকার সোনার বার চোরাচালানের মাধ্যমে অবৈধভাবে বাজারে পৌঁছানোর চেষা করা হয়েছিল।
সোনার বার জব্দের প্রভাব
সাড়ে ৪ কোটি টাকার সোনার বার জব্দে অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে কিছু আঁকড়ানো হয়েছে। বাংলাদেশে সোনা চোরাচালানের প্রতিবাদে পুলিশ এই ধরনের ক্রমবর্ধমান অপারেশন চালিয়ে আসছে। জব্দ সোনার বারগুলি সাধারণত বিদেশ থেকে আমদানি করে চোরাচালানের মাধ্যমে বাজারে পৌঁছানো হয়। সাড়ে ৪ কোটি টাকার সোনার বার চোরাচালান বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছেন যে তারা সাড়ে ৪ কোটি টাকার সোনার বার চোরাচালানে সাথে ছিলেন।
তদন্তে পুলিশ এখন সাড়ে ৪ কোটি টাকার সোনার বার চোরাচালান চক্রের অন্য সদস্যদের খুঁজছে। সাড়ে ৪ কোটি টাকার সোনার বার জব্দের পর কেরানীগঞ্জের ওসি বলেন যে এটি দেশের অর্থনৈতিক সমস্যা দূর করার প্রতিশ্রুতি দেয়। সাড়ে ৪ কোটি টাকার সোনার বার জব্দের ঘটনা বাংলাদেশে ক্রমবর্ধমান অপারেশনের অংশ হিসেবে পরিচিত হবে।
আটক ব্যক্তিরা নিজেদের দাবি মতে সাড়ে ৪ কোটি টাকার সোনার বার চোরাচালান করেছিলেন। সাড়ে ৪ কোটি টাকার সোনার বারগুলি মোট ওজন ২ কেজি ৪৫২ গ্রাম হিসেবে নথিভূক্ত করা হয়েছে। এ জব্দের পর সাড়ে ৪ কোটি টাকার সোনার বারগুলি বাংলাদেশ প্রতিদিন বাজারে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে যার প্রকাশ হয়েছে।
সাড়ে ৪ কোট
