News

চলন্ত মোটরসাইকেলে ইটের আঘাতে আহত তরুণের মৃত্যু | | বাংলাদেশ প্রতিদিন

ইট আঘাতে মৃত্যু হয়েছে চলন্ত মোটরসাইকেলে আহত তরুণের চলন ত ম টরস ইক ল ইট - রাজধানী ঢাকার কাফরুল এলাকায় চলন্ত মোটরসাইকেলে ইটের আঘাতে আহত হওয়ার পর সাজিদ চৌধুরী

Desk News
Published June 23, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

ইট আঘাতে মৃত্যু হয়েছে চলন্ত মোটরসাইকেলে আহত তরুণের

চলন ত ম টরস ইক ল ইট – রাজধানী ঢাকার কাফরুল এলাকায় চলন্ত মোটরসাইকেলে ইটের আঘাতে আহত হওয়ার পর সাজিদ চৌধুরী রাফি (২২) মৃত্যু বরণ করেছেন। তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গতকাল সকালে স্থান ত্যাগ করেন।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঘটনাটি ঘটেছে ৯ জুন রাতে। এখন পর্যন্ত দুই যুবক ফয়সাল ওরফে কালু ও পারভেজ কাফরুল এলাকায় মোটরসাইকেল চালিয়ে যাওয়ার সময় সাজিদের পথ রোধ করার চেষ্টা করেছে। তারা সাজিদের মোটরসাইকেল থামিয়ে না দিয়ে প্রতিক্রিয়া দেখায়।

পুলিশ ও র্যাবের যৌথ অভিযানে মামলার তিন আসামি পারভেজ, ফয়সাল ওরফে কালু ও আনোয়ার হোসেন বাবুকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কাফরুল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাজ্জাদ হোসেন জানিয়েছেন, গ্রেপ্তারের পর আসামিদের আদালতে হাজির করা হলে তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।

প্রাথমিকভাবে এটি মোটরসাইকেল ছিনতাই ঘটনা বিবেচিত হয়। কিন্তু তদন্তে পুলিশ জানায় এটি কোনো ছিনতাই ছিল না। এলাকায় মাদক কারবার বাধা দেওয়া এবং পূর্বশত্রুতার জেরে সাজিদের ওপর পরিকল্পিত হামলা চালানো হয়েছে।

তার চাচা নূর হোসেন কাফরুল থানায় মামলা করেছিলেন। তবে সাজিদের মৃত্যুর পর মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ। ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অভিযানে নামে।

এ ঘটনায় অন্য কারও সংশ্লিষ্টতা আছে কি না খতিয়ে দেখছে পুলিশ। ঘটনার পর পর মামলার তিন আসামি গ্রেপ্তার হয়েছে। তাদের মধ্যে ফয়সাল ওরফে কালু ও পারভেজ রয়েছে। সাজিদ মোটরসাইকেল থামিয়ে না দিয়ে দ্রুত চলে যাওয়ার চেষ্টা করলে সামনে দাঁড়িয়ে থাকা পারভেজ একটি ইট ছুড়ে তার মাথায় আঘাত করেন। তার মাথায় গুরুতর চোট পাওয়ার পর তিনি মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে রাস্তায় পড়ে যান।

বিষয়টি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর জনগণ দ্রুত চাঞ্চল্যে পড়েছেন। ফুটেজে দেখা যায়, চলন্ত মোটরসাইকেলের আরোহীকে নির্মমভাবে ইট ছুড়ে মারার চেষ্টা করা হয়। পুলিশের তদন্তে প্রমাণ পাওয়া যায় যে এটি ছিনতাই ঘটনা ছিল না।

সাজিদের মৃত্যুর পর পুলিশ তদন্ত চালিয়ে গেছে। বিষয়টি সম্পূর্ণ আত্মসমালোচনা ও মাদক কারবারের সম্�

Leave a Comment