সুদ না কমলে বিনিয়োগ বাড়বে না | | বাংলাদেশ প্রতিদিন
স দ ন কমল ব ন য় – আগামী অর্থবছরের বাজেট নিয়ে আলোচনার সভায় ব্যবসায়ি ও অর্থনীতিবিদদের মতামত প্রকাশ করা হয়। সভার স্থান ছিল দ্য ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স রাজধানীর কাকরাইলে। সভাপতিত্ব করেন অর্থনীতি সমিতির অন্তর্বর্তীকালীন কমিটির আহ্বায়ক মাহবুব উল্লাহ। সঞ্চালনা করেন সদস্যসচিব মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন।
ব্যবসায়ি ও অর্থনীতিবিদদের মতে উচ্চ মূল্যস্ফীতি, সুদহার এবং জ্বালানি সংকট বেসরকারি খাতে গতি আসার বাধা হিসেবে দেখা যাচ্ছে। সরকার যদি কর ও সুদহার কমায় না তবে দেশে ব্যবসা হবে না। তারা এ কথা বলেন, দেশের সরকার বিনিয়োগ গতিশীল করার জন্য করের টাকা নষ্ট করা বন্ধ করতে হবে।
আমরা বাজেটের মডেলটাকে পরিবর্তন করার চেষ্টা করেছি। অর্থনীতি গণতন্ত্রায়ণের কথা বলেছি যাতে সব মানুষ অর্থনীতিতে অংশ নেয়। এই বিশ্বাস আমরা এখনও বজায় রেখেছি।
অর্থনীতি সমিতির আয়োজনে সভায় সাতটি প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সাতজন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক। বিআইডিএস গবেষণা পরিচালক মোহাম্মদ ইউনূস, কাজী ইকবাল ও অতনু শিক্ষক নাজমুল ইসলাম সভায় অংশগ্রহণ করেন।
বিআইডিএস গবেষণা পরিচালক মোহাম্মদ ইউনূস বলেন, এনবিআর এর অবস্থা এমন যে সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা কমিশনারের কথা শোনেন না। কমিশনার আবার সদস্যকে পাত্তা দেন না। ফলে এনবিআর সংস্কার লাগবে।
অর্থনীতি সমিতির চেয়ারম্যান আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘জ্বালানি নিরাপত্তা ছাড়া বেসরকারি খাতে প্রবৃদ্ধি আসবে না।’ তিনি বলেন, সরকার বেসরকারি খাতে গতি আনতে হবে। তার জন্য ঋণের হার কমিয়ে দেওয়া প্রয়োজন। যাদের সক্ষমতা আছে, তাদের বিনিয়োগ শুরু করতে হবে।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ নুরুল আমিন বলেন, বাজেটে আমানতকারীদের সুরক্ষা প্রসঙ্গ আছে। ব্যাংক খাতে দ্রুত আস্থা ফিরিয়ে আনা সর্বাপেক্ষা গুরুত্বপূর্ণ কাজ। যেহেতু সরকার একা পারবে না।
ব্যবসায়ী সংগঠন বিসিআইয়ের সভাপতি আনোয়ার-উল-আলম চৌধুরী আরও বলেন, বেসরকারি খাতে গতি আসতে হলে সুদহার কমানো প্রয়োজন। যার জন্য বেসরকারি খাতের ঋণপ্রবাহ কমপক্ষে ২০ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে রয়েছে।
বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণাপ্রতিষ্ঠান
