১৪ বছরে বেসরকারি বিনিয়োগ জিডিপি অনুপাতে সর্বনিম্ন
১৪ বছর র মধ য জ ড – বর্তমান অর্থবছরে বাংলাদেশের জাতীয় উৎপাদনের (জিডিপি) অনুপাতে বেসরকারি বিনিয়োগ সর্বনিম্ন হয়েছে, যা দেশজ অর্থনৈতিক উদ্বেগ জাগিয়েছে। এই হ্রাস দীর্ঘস্থায়ী রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা, ব্যবসায়িক সম্প্রদায়ের অস্থিতিশীলতা এবং নীতিগত সমস্যার ফলে ঘটেছে। চলতি অর্থবছরে জিডিপি অনুপাতে বেসরকারি বিনিয়োগ ২১.৫৩ শতাংশে নেমে আসে, যা গত ১৪ বছরে এরকম কম হারে দেখা যায়নি।
১৪ বছরের মধ্যে বিনিয়োগ হ্রাসের পটভূমি
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) হালুয়া হিসাব অনুযায়ী এই পরিস্থিতিতে বেসরকারি বিনিয়োগের হার গত দুই বছরে হ্রাস পেয়েছে। আগের সর্বোচ্চ মান ছিল ২০১৮–১৯ অর্থবছরে, যখন অনুপাত ২৫ শতাংশে ছিল। এ পর্যন্ত সর্বোচ্চ হারে বিনিয়োগ সংক্রান্ত তথ্য জানানো হয়েছে যে বেসরকারি বিনিয়োগ উৎপাদন শীলতার প্রতিফলন হিসেবে পরিচিত।
বিনিয়োগ বৃদ্ধির প্রতিক্রিয়া ও আশা
বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বিনিয়োগ বৃদ্ধির প্রত্যাশা ছিল না। পরে অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে ঢাকায় আয়োজিত বিনিয়োগ সম্মেলনে বিশেষ উপস্থাপনা করা হয়েছিল, কিন্তু দেড় বছরে পরিস্থিতির বেশি পরিবর্তন হয়নি। গ্যাস-বিদ্যুত সংকট, উচ্চ কর এবং রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে বিনিয়োগের উৎসাহ কমে আসছে।
“বিনিয়োগ করে কতটা সক্ষমতা দিয়ে উৎপাদনে কাজে লাগছে, তা দেখা হয়। কারণ বিনিয়োগ মাধ্যমেই পণ্য ও সেবা সৃষ্টি হয়।”
আগামী অর্থবছরের বাজেটে বিনিয়োগ আকর্ষণের জন্য নানা শুল্ক ও কর ছাড়ের প্রস্তাব আসছে। এছাড়া সৃজনশীল অর্থনীতি প্রসারের জন্য বিশেষ বরাদ্দও ঘোষণা করা হয়েছে। অর্থমন্ত্রী এ দুই বছরের মধ্যে অর্থনৈতিক পরিবর্তনের আশা প্রকাশ করেছেন।
বিনিয়োগ এর প্রতি ক্ষতি বাধাগ্রস্ত করেছে কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও অভ্যন্তরীণ বিকাশের গতি। ভবিষ্যতে উৎপাদন প্রবৃদ্ধির জন্য আরও শোভন কর্মসংস্থান দরকার। এ জন্য বেসরকারি বিনিয়োগ বৃদ্ধি হবে বলে আশা করা হয়। এসব কারণে বেসরকারি বিনিয়োগ সম্পর্কে অর্থনীতিবিদদের চিন্তা বৃদ্ধি পেয়েছে।
