বিশ্বকাপে বিতর্কিত সিদ্ধান্তের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা
ব শ বক প ব ড ছ – বিশ্বকাপে বাড়ছে ভিএআরের বিতর্কিত সিদ্ধান্ত নিয়ে বিতর্ক। এই বিষয়ে খেলোয়াড়দের অপেক্ষাকৃত বেশি সন্দেহ আছে যে সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া এখন পরিস্থিতির সঙ্গে মেলে না। ভিএআর সিদ্ধান্ত প্রয়োগের হার বিশ্লেষকদের মতে এবারের আসরে আগের তুলনায় বৃদ্ধি পেয়েছে এবং যে কোন ম্যাচে কোন সিদ্ধান্ত সঠিক কিনা তা পর্যালোচনার জন্য আরও বেশি আলোচনা চাই। প্রতিদিন সিদ্ধান্তের সংখ্যা গড়ে প্রতি ম্যাচে ০.২৯ বার হয়েছিল প্রাইমার লিগে, কিন্তু বিশ্বকাপে তা প্রায় একই হয়েছে। বিশ্বকাপে প্রতি ম্যাচে রেফারিদের সিদ্ধান্ত গড়ে ০.১৫ বার হয়েছিল বিশ্লেষকরা দেখিয়েছেন, এবং বিশ্বকাপে তা ০.১৭ বার। এই তথ্যগুলো বিতর্ক কেন আরও বেশি হয়েছে তা বুঝতে সাহায্য করে।
ভিএআরের সিদ্ধান্ত কিভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যায়
বিশ্বকাপে ভিএআরের সিদ্ধান্ত কী করে তৈরি হয় সেটি আরও পর্যালোচনার জন্য প্রয়োজন। কারণ এখন প্রতিটি সিদ্ধান্ত অনেকটা আলোচনার মাধ্যমে পরিচালিত হয়। প্রতিদিন সিদ্ধান্ত প্রয়োগের মানদণ্ড স্থির করা আরও জরুরি হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে কোন ভুলকে ‘স্পষ্ট ও সুস্পষ্ট ভুল’ বলা আরও কঠিন হয়েছে। রেফারি কেন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন, তা আরও সুনির্দিষ্ট হওয়া দরকার। যাইহোক, বিশ্বকাপে ভিএআরের বিতর্ক এখন এমন স্তরে পৌঁছেছে যে খেলোয়াড়দের অনেকে তা নির্ভুল নয় বলে মনে করছেন।
গত ম্যাচে কেন ভিএআর কফি খেতে গিয়েছিল, সেটি বিশ্লেষকরা বিতর্ক করছেন।
এই সিদ্ধান্ত নিয়ে খেলোয়াড়দের সম্মতি পাওয়া খুব কম হয়েছে। স্পেন ও ইতালি ম্যাচে একটি গোল বাতিল করার সিদ্ধান্ত ভিএআর দ্বারা সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল, যেখানে রিপ্লে দেখে খেলোয়াড় মাঝমাঠে কিছু সংস্পর্শ দেখতে পেলেন। কিন্তু তা ফাউল বলে মনে হয়নি। ফলে দর্শকদের মনে হয়েছে ভিএআর কিছু সিদ্ধান্তে দ্বিধা আছে। ব
