News

ইসরায়েল ও লেবাননের যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আরও ৪৫ দিন বাড়ল | | বাংলাদেশ প্রতিদিন

ইসরায়েল ও লেবাননের যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আরও ৪৫ দিন বাড়ল ইসর য় ল ও ল ব নন - ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে চলমান সংঘাটন কমাতে বিশেষ আলোচনার পরিণতি হিসেবে

Desk News
Published May 16, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

ইসরায়েল ও লেবাননের যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আরও ৪৫ দিন বাড়ল

ইসর য় ল ও ল ব নন – ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে চলমান সংঘাটন কমাতে বিশেষ আলোচনার পরিণতি হিসেবে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আরও চারাশ দিন বৃদ্ধি করা হয়েছে। ওয়াশিংটনে দুই দেশের রাষ্ট্রদূতদের মধ্যে চলা দুই দিনের আলোচনার ফলে এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

এই প্রস্তাবের পূর্বে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ রবিবার শেষ হওয়ার সম্ভাবনা ছিল। যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতার কারণে দুই দেশ আলোচনার জন্য পৌঁছেছিল। আগামী মার্চে ইরানের সমর্থন পেয়ে লেবাননের হিজবুল্লাহ গোষ্ঠী ইসরায়েলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছিল। তারপর ইসরায়েল দক্ষিণ লেবাননে বিমান হামলা শুরু করে। এই সংঘাটনে লেবাননের প্রায় ১২ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে।

গত ১৬ এপ্রিল থেকে কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের মুখপাত্র টমি পিগট জানান, দুই পক্ষের মধ্যকার আলোচনা নিরসনে ফলপ্রসূ হয়েছে।

যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর ইসরায়েল ও লেবানন উভয় পক্ষই ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। ইসরায়েলি রাষ্ট্রদূত ইয়েচিয়েল লিটার এই আলোচনাকে গঠনমূলক বলেছেন। তিনি আরও জানান, চ্যালেঞ্জ থাকলেও সফলতার সম্ভাবনা বেশি।

লেবানন বলছে, তারা যুদ্ধবিরতিকে স্থায়ী শান্তি চুক্তিতে পরিণত করতে চায়। ইরান সমর্থিত হিজবুল্লাহর বিরোধিতা সত্ত্বেও লেবাননের প্রতিনিধি দল শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য প্রথম প্রাথমিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। ইসরায়েল দাবি করেছে যে কোন স্থায়ী শান্তি চুক্তি পূর্বে হিজবুল্লাহকে নিরস্ত্রীকরণ করতে হবে।

আলোচনার মাধ্যমে দুই পক্ষের সামরিক ও নিরাপত্তা কর্মকর্তারা অংশ নিয়েছেন। ওয়াশিংটনের বৈঠক কয়েক দশকের মধ্যে লেবানন ও ইসরাইলের সর্বোচ্চ পর্যায়ের যোগাযোগ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। আগামী ২৯ মে মার্কিন প্রতিরক্ষা সদর দফতর পেন্টাগনে নতুন নিরাপত্তা বিষয়ক আলোচনা শুরু হবে।

২ থেকে ৩ জুন রাজনৈতিক পর্যায়ে আবারও বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। এই আলোচনা ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার বৃহত্তর কূটনৈতিক প্রচেষ্টার সঙ্গে সম্পর্কিত। যুদ্ধবিরতির মাধ্যমে লেবাননে দীর্ঘস্থায়ী শান্তি ফিরে আসবে বলে মনে করা হচ্ছে।

Leave a Comment