News

কয়েক দশক ড্রয়ারে পড়ে থাকা হাড়টি আসলে ডাইনোসরের! | | বাংলাদেশ প্রতিদিন

কয়েক দশক ড্রয়ারে পড়ে থাকা হাড়টি আসলে ডাইনোসরের! কয় ক দশক ড রয় র পড় - অ্যান্টার্কটিকার জেমস রস দ্বীপে অ্যান্টার্কটিকায় খুঁজে পেয়া হাড়টি সম্প্রতি গোপন

Desk News
Published July 1, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

কয়েক দশক ড্রয়ারে পড়ে থাকা হাড়টি আসলে ডাইনোসরের!

কয় ক দশক ড রয় র পড় – অ্যান্টার্কটিকার জেমস রস দ্বীপে অ্যান্টার্কটিকায় খুঁজে পেয়া হাড়টি সম্প্রতি গোপন রাখা রহস্য উন্মুক্ত হয়েছে। ভূ-বিজ্ঞানী মাইক থমসন এই হাড়টি ১৯৮৫ সালে আবিষ্কার করেন। তখন তিনি মনে করেছিলেন যে এটি বড় কোনো সরীসৃপের হাড়। এরপর থেকে এই ফসিলটি ব্রিটিশ অ্যান্টার্কটিক সার্ভের কেমব্রিজ স্থানান্তরিত হয়ে ছিল।

গত কয়েক বছর এই হাড়টি আবার আলোচনার জন্য জীবাশ্মবিদ মার্ক ইভান্স কর্তৃক পুনরায় খুঁজে পাওয়া হয়। তিনি আধুনিক পদ্ধতি ব্যবহার করে গবেষণা করেন এবং নিশ্চিত করেন যে এটি লম্বা গলাযুক্ত একটি টাইটানোসর ডাইনোসরের হাড়। হাড়টি প্রায় ২৩ ফুট লম্বা ছিল, যা এই প্রজাতির অন্যান্য ডাইনোসরের তুলনায় ছোট। গবেষকদের মতে, ডাইনোসরটি সম্ভবত অল্প বয়সেই মারা গিয়েছিল।

গবেষক মার্ক ইভান্স জানান, বেঁচে থাকলে ডাইনোসরের এই খবরটি শুনে থমসন দারুণ খুশি হতেন।

অ্যান্টার্কটিকায় এই বিশাল ফসিলটি পাওয়া খুবই বিরল ঘটনা। বরফের প্রবল আবহাওয়ার কারণে সেখানে ডাইনোসরের হাড় পাওয়া খুব কঠিন। তবে আবিষ্কারক মাইক থমসন ২০২০ সালে মারা যাওয়ার পর এই খবর প্রকাশিত হয়।

সম্প্রতি প্রকাশিত গবেষণার ফলাফল অ্যাক্টা প্যালিওন্টোলজিকা পোলোনিকা জার্নালে প্রকাশ করা হয়েছে। বর্তমানে সেখানে ডাইনোসরের হাড় আবিষ্কার করা খুব কঠিন হয়েছে। যদিও অ্যান্টার্কটিকায় একসময় ঘন বন ছিল, তবু বরফের প্রবল বৃদ্ধির কারণে ফসিল সংগ্রহ করা খুব কঠিন।

সময় বিভাগ অনুযায়ী আপডেট প্রকাশ হয়েছে:

১ সেকেন্ড আগে | মাঠে ময়দানে ২ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম ১৫ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে ১৬ মিনিট আগে | অর্থনীতি ১৬ মিনিট আগে | পাঁচফোড়ন ২১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম ২২ মিনিট আগে | বিজ্ঞান ৩১ মিনিট আগে | নগর জীবন ৩৫ মিনিট আগে | ইসলামী জীবন ৩৫ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম ৩৭ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে ৪০ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে ৪৮ মিনিট আগে | মাঠে ম

Leave a Comment