Patrikajournal
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

চট্টগ্রামের আনোয়ারা: উপকূলে বাঁধ দৃশ্যমান ঝড়ে ক্ষতির শঙ্কা দূর

Published October 31, 2026 · Updated October 31, 2026 · By Betty Rodriguez - patrikajournal.com

Foto : Betty Rodriguez - patrikajournal.com

চট্টগ্রামের আনোয়ারায় স্থায়ী বেড়িবাঁধে উপকূলবাসীর স্বস্তি

Patrikajournal.com – চট টগ র ম র আন য় - চট্টগ্রামের আনোয়ারায় উপকূলীয় রায়পুর ও জুঁইদন্ডী ইউনিয়নে স্থায়ী বেড়িবাঁধ দৃশ্যমান হওয়ায় ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস ও নদীভাঙন নিয়ে মানুষের উদ্বেগ কমছে। স্থানীয়দের আশা, টেকসই এই বাঁধ লোকালয়, ফসলি জমি ও চিংড়িঘেরকে নোনাপানির ক্ষতি থেকে রক্ষা করবে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, ৩৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে আটটি প্যাকেজে ৫ দশমিক ১৭৫ কিলোমিটার স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মাণ ও তীর সংরক্ষণের কাজ চলছে। প্রকল্পে তীর প্রতিরক্ষা, বাঁধ পুনরাকৃতিকরণ এবং ঢাল সংরক্ষণের কাজও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

রায়পুর ও জুঁইদন্ডীতে কাজের অগ্রগতি

বাংলাদেশ নৌবাহিনীর তত্ত্বাবধানে জুঁইদন্ডী ইউনিয়নে চার প্যাকেজে প্রায় ১৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে ২ দশমিক ৪০ কিলোমিটার বাঁধ নির্মাণ হচ্ছে। সেখানে কাজের প্রায় ৮০ শতাংশ শেষ হয়েছে। অন্যদিকে পাউবোর তত্ত্বাবধানে রায়পুর ইউনিয়নে চার প্যাকেজে প্রায় ২০০ কোটি টাকা ব্যয়ে ২ দশমিক ৭৭৫ কিলোমিটার স্থায়ী তীর প্রতিরক্ষা ও বাঁধ সংরক্ষণের কাজ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

রায়পুর ইউনিয়নে ইতিমধ্যে এক কিলোমিটার বাঁধ নির্মাণ শেষ হয়েছে। বাকি অংশের কাজের অগ্রগতি প্রায় ৫০ শতাংশ। সংশ্লিষ্টদের লক্ষ্য, প্রকল্পের সব কাজ ২০২৭ সালের জুনের মধ্যে শেষ করা।

ঝুঁকিপূর্ণ বাঁধ এলাকায় সুরক্ষার প্রত্যাশা

আনোয়ারা উপজেলায় প্রায় ৪৮ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ রয়েছে। এর মধ্যে নদীতীরে ৮ কিলোমিটার এবং সমুদ্রতীরে ৪ দশমিক ৫ কিলোমিটার বাঁধ রয়েছে। বর্তমানে নদীতীরে প্রায় ৪ কিলোমিটার ও সমুদ্রতীরে ২ দশমিক ৭৩ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় আছে।

প্রতিবছর ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের সময়ে বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হলে লোকালয়ে নোনাপানি ঢুকে পড়ে। এতে ফসলি জমি, চিংড়িঘের, বসতভিটা ও স্থানীয় যোগাযোগব্যবস্থা ক্ষতির মুখে পড়ে। আধুনিক ব্লক, মজবুত মাটির ঢাল ও সিসি ব্লক ব্যবহার করে নির্মিত নতুন বাঁধ এ ক্ষতি কমাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

রায়পুর ইউনিয়নের বাসিন্দা জালাল উদ্দিন আনোয়ারী বলেন, “আমরা উপকূলবাসী একটি টেকসই বেড়িবাঁধ চাই। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্মাণকাজ শেষ হলে এলাকার চিত্র বদলে যাবে।”

ছিবাতলী ঘাট এলাকার বাসিন্দা মো. জাহিদুল আলমের ভাষ্য, দীর্ঘদিনের প্রত্যাশার বাঁধ নির্মিত হওয়ায় ঘরবাড়ি বিলীনের ভয় কমেছে। তাঁর মতে, নির্মিত বেড়িবাঁধ পর্যটকদের কাছেও আকর্ষণীয় হয়ে উঠছে। জুঁইদন্ডী ইউনিয়নের বাসিন্দা সালাউদ্দিন জাহেদ বলেন, টেকসই বাঁধ নির্মাণ হলে নদীভাঙন ও প্লাবনের ঝুঁকি কমবে এবং মানুষ ঘরবাড়ি হারানোর আতঙ্ক থেকে মুক্তি পাবে।

কাজের মান নিশ্চিতের নির্দেশনা

সম্প্রতি পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এনামুল হক রায়পুরসহ আনোয়ারার উপকূলীয় বেড়িবাঁধ নির্মাণকাজ পরিদর্শন করেন। তিনি কাজের মান নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ এবং গুণগতমান শতভাগ নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেন।

চট্টগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের আনোয়ারার দায়িত্বে থাকা উপবিভাগীয় প্রকৌশলী বর্ণ হক জানান, রায়পুরে নির্ধারিত সময়ের আগেই এক কিলোমিটার টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ শেষ হয়েছে। অবশিষ্ট কাজও দ্রুত এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

প্রশ্নোত্তর

আনোয়ারার বেড়িবাঁধ প্রকল্পের কাজ কবে শেষ হওয়ার কথা?

প্রকল্পের নির্ধারিত মেয়াদ অনুযায়ী ২০২৭ সালের জুনের মধ্যে সব কাজ শেষ করার লক্ষ্য রয়েছে।

কোন এলাকায় বাঁধ নির্মাণকাজ চলছে?

রায়পুর ইউনিয়নে ২ দশমিক ৭৭৫ কিলোমিটার এবং জুঁইদন্ডী ইউনিয়নে ২ দশমিক ৪০ কিলোমিটার স্থায়ী সুরক্ষা বাঁধের কাজ চলছে।

নতুন বাঁধে কী ধরনের উপকার আশা করছেন স্থানীয়রা?

স্থানীয়দের প্রত্যাশা, নতুন বাঁধ জলোচ্ছ্বাস, নদীভাঙন ও নোনাপানির ক্ষতি কমিয়ে বসতবাড়ি, কৃষিজমি ও চিংড়িঘের সুরক্ষায় ভূমিকা রাখবে।

Related Reading

Frequently Asked Questions

What is চট টগ র ম র আন য়?

চট টগ র ম র আন য় is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.

Why does চট টগ র ম র আন য় matter?

চট টগ র ম র আন য় matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.