Patrikajournal
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

ট্রাকে কলাপাতার নিচে মিলল ৬৮৮ বোতল মদ-ফেনসিডিল ও ৪০০ পিস ইয়াবা, আটক ৩

Published October 17, 2026 · Updated October 17, 2026 · By Betty Rodriguez - patrikajournal.com

Foto : Betty Rodriguez - patrikajournal.com

জৈন্তাপুরে কলাপাতার আড়ালে মাদক বহনের চেষ্টা, ট্রাকসহ তিনজন আটক

Patrikajournal.com – ট র ক কল প ত র - সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার হরিপুর পুলিশ চেকপোস্টে একটি ট্রাক তল্লাশি করে বিদেশি মদ, ফেনসিডিল ও ইয়াবার বড় চালান জব্দ করেছে পুলিশ। সিলেট-তামাবিল মহাসড়ক দিয়ে সিলেটের দিকে আসা ট্রাকটির ওপর কলাপাতা রাখা ছিল। সেই কলাপাতার নিচে বিশেষ কৌশলে মাদকদ্রব্যগুলো লুকিয়ে রাখা হয়েছিল বলে জানিয়েছে পুলিশ।

শনিবার, ১৭ অক্টোবর দুপুর আনুমানিক সাড়ে ১২টার সময় চেকপোস্টে ট্রাকটি থামিয়ে তল্লাশি শুরু হয়। তল্লাশির একপর্যায়ে কলাপাতার আড়াল থেকে মাদক উদ্ধারের পর ট্রাকটিও জব্দ করা হয়। এ ঘটনায় ট্রাকে থাকা তিনজনকে হেফাজতে নিয়েছে জৈন্তাপুর মডেল থানা-পুলিশ।

যা যা জব্দ করা হয়েছে

পুলিশের জব্দ তালিকায় রয়েছে ৬৪৮ বোতল বিদেশি মদ, ৪০ বোতল ফেনসিডিল এবং ৪০০ পিস ইয়াবা। সব মিলিয়ে উদ্ধার হওয়া বোতলজাত মাদকের সংখ্যা ৬৮৮টি। মাদক পরিবহনের কাজে ব্যবহৃত ঢাকা মেট্রো-ট-২৪-৪৭৭১ নম্বরের ট্রাকটিও পুলিশের জিম্মায় নেওয়া হয়েছে।

পণ্যবাহী যানবাহনে সাধারণত বিভিন্ন ধরনের মালামাল বহন করা হয়। এ ক্ষেত্রে কলাপাতা দিয়ে ট্রাকের ওপরের অংশ ঢেকে মাদক লুকানোর চেষ্টা করা হয়েছিল। তবে চেকপোস্টে নিয়মিত তল্লাশির সময় বিষয়টি ধরা পড়ে যায়।

আটক তিন ব্যক্তি

আটক ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন নওগাঁর পোরশা উপজেলার শিষাবাজার এলাকার মো. আরিফের ছেলে মো. সিরাজ (২৪)। অন্য দুজন হলেন পত্নীতলা উপজেলার কাশিপুর এলাকার মৃত আবদুল হামিদের ছেলে মো. রমজান হোসেন তামিম (২৪) এবং মহাদেবপুর উপজেলার এনায়েতপুর এলাকার আবদুর রাজ্জাকের ছেলে মো. ইদ্রিস আলী (৩৮)।

তিনজনকেই পুলিশি হেফাজতে রাখা হয়েছে। তাঁদের ভূমিকা, মাদক চালানটির গন্তব্য এবং এর সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত কি না, সেসব বিষয় তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

পুলিশের বক্তব্য

জৈন্তাপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান মোল্লা জানান, তল্লাশির সময় ট্রাকের ওপর রাখা কলাপাতার নিচে মাদক পাওয়া যায়। তাঁর ভাষ্য, উদ্ধার করা মাদক এবং ব্যবহৃত যানবাহন আইনগত প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে জব্দ করা হয়েছে।

“ট্রাক থেকে কলাপাতার নিচে লুকিয়ে রাখা মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়।”

ওসি মাহবুবুর রহমান মোল্লা আরও জানান, আটক তিনজনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করার প্রস্তুতি চলছে। মামলার প্রক্রিয়া শেষ হলে তাঁদের আদালতে পাঠানো হবে।

মহাসড়কের চেকপোস্টে তল্লাশির গুরুত্ব

সিলেট-তামাবিল মহাসড়ক এই অঞ্চলের একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়কপথ। যাত্রীবাহী যানবাহনের পাশাপাশি পণ্যবাহী ট্রাকও এ পথে নিয়মিত চলাচল করে। ফলে নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশি চেকপোস্টে তল্লাশি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। সন্দেহজনক যানবাহন পরীক্ষা করে অবৈধ পণ্য, মাদক কিংবা অপরাধে ব্যবহৃত সামগ্রী শনাক্তের সুযোগ তৈরি হয়।

এ ধরনের অভিযানে শুধু উদ্ধার হওয়া মাদকের পরিমাণই নয়, পরিবহনের পদ্ধতিও গুরুত্ব পায়। কারণ বৈধ পণ্য বা কৃষিপণ্য হিসেবে ব্যবহৃত উপকরণের আড়ালে নিষিদ্ধ দ্রব্য বহনের অভিযোগ উঠলে তদন্তে পরিবহনব্যবস্থা, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি এবং সম্ভাব্য গন্তব্য সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহের প্রয়োজন হয়।

জব্দ হওয়া ট্রাকটির কাগজপত্র, চালকের পরিচয় এবং চালানটির সঙ্গে সম্পৃক্ত অন্যান্য তথ্যও মামলার তদন্তে বিবেচনায় আসতে পারে। তবে এ বিষয়ে চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত তদন্ত ও আদালতের প্রক্রিয়ার আগেই দেওয়ার সুযোগ নেই। আটক ব্যক্তিদের ক্ষেত্রেও আইনি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়েই অভিযোগের সত্যতা নির্ধারিত হবে।

পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া

পুলিশ জানিয়েছে, উদ্ধার হওয়া বিদেশি মদ, ফেনসিডিল ও ইয়াবা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় আলামত হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। ট্রাকটিও মামলার আলামত হিসেবে জব্দ অবস্থায় থাকবে। আটক তিনজনকে আদালতে সোপর্দ করার আগে প্রয়োজনীয় আইনি কার্যক্রম সম্পন্ন করা হবে।

চেকপোস্টে এই অভিযানের মাধ্যমে কলাপাতার নিচে লুকিয়ে বহন করা একটি মাদক চালান আটক হলো। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তল্লাশি কার্যক্রমের কারণে চালানটি গন্তব্যে পৌঁছানোর আগেই ধরা পড়েছে বলে ঘটনাটির তাৎপর্য রয়েছে।

Related Reading

Frequently Asked Questions

What is ট র ক কল প ত র?

ট র ক কল প ত র is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.

Why does ট র ক কল প ত র matter?

ট র ক কল প ত র matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.