Patrikajournal
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

পাহাড়ের জাতিগোষ্ঠীকে বাঙালি বলার অধিকার কারও নেই: সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী

Published October 24, 2026 · Updated October 24, 2026 · By Mary Davis - patrikajournal.com

Foto : Mary Davis - patrikajournal.com

প হ ড় র জ ত নিয়ে সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্য

Patrikajournal.com – প হ ড় র জ ত গোষ্ঠীগুলোকে জোর করে বাঙালি বলার অধিকার রাষ্ট্র বা কোনো ব্যক্তির নেই বলে মন্তব্য করেছেন সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম। তিনি বলেছেন, পার্বত্য অঞ্চলে বসবাসকারী বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর নিজস্ব মাতৃভাষা, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য রয়েছে। এসব ভাষা, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য চর্চা এবং সংরক্ষণের অধিকারও তাঁদের রয়েছে।

শুক্রবার বান্দরবানের থানচি উপজেলায় পুলিশের পরিচালিত হাইল্যান্ডার পার্কে আয়োজিত এক সাংস্কৃতিক সন্ধ্যায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। স্থানীয় বিএনপির উদ্যোগে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে পার্বত্য এলাকার মানুষের সাংস্কৃতিক পরিচয়, ভাষাগত অধিকার এবং নিজস্ব ঐতিহ্য রক্ষার বিষয়টি গুরুত্ব পায়।

নিজস্ব ভাষা ও সংস্কৃতি চর্চার অধিকার

প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম বলেন, পার্বত্য অঞ্চলের জাতিগোষ্ঠীগুলোর নিজস্ব ভাষায় কথা বলা এবং সংস্কৃতি চর্চার অধিকার রয়েছে। তিনি এ অধিকারকে মানুষের স্বাভাবিক পরিচয় ও মর্যাদার অংশ হিসেবে উল্লেখ করেন। তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে, দেশের বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর ধর্ম, জাতিগত পরিচয় ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য আলাদা হলেও বাংলাদেশ সবার।

তিনি বলেন, বিগত সরকার পার্বত্য অঞ্চলের বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীকে ‘ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী’ হিসেবে অভিহিত করেছিল। তবে বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পার্বত্য অঞ্চলের জাতিগোষ্ঠীগুলোকে ভিন্ন দৃষ্টিতে দেখেন না। প্রধানমন্ত্রী সবাইকে বাংলাদেশি হিসেবে বিবেচনা করেন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

“এ দেশের জাতি-ধর্ম যার যার, দেশ সবার। প্রত্যেক জনগোষ্ঠীর নিজস্ব মাতৃভাষা, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য চর্চার অধিকার রয়েছে।”

প হ ড় র জ ত প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্যে মূলত সাংস্কৃতিক স্বাতন্ত্র্য ও নাগরিক পরিচয়ের দুটি বিষয় একসঙ্গে উঠে এসেছে। একদিকে প্রতিটি জনগোষ্ঠী নিজেদের ভাষা ও রীতিনীতি বজায় রাখবে, অন্যদিকে সবাই বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে সমান মর্যাদা বহন করবে।

অনুষ্ঠানে যাঁরা উপস্থিত ছিলেন

সাংস্কৃতিক সন্ধ্যার অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মংশৈম্রাই মারমা। অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন থানচি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল ফয়সাল, থানচি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কানন সরকার এবং উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি খামলাই ম্রোসহ অন্যরা।

অনুষ্ঠানে স্থানীয় পর্যায়ে সংস্কৃতি, পরিচয় ও পার্বত্য অঞ্চলের মানুষের জীবনযাপন নিয়ে আলোচনা হয়। এমন আয়োজন স্থানীয় বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর শিল্প, ঐতিহ্য ও সাংস্কৃতিক প্রকাশের সুযোগ তৈরি করে বলেও প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্য থেকে বোঝা যায়।

রেমাক্রী সফরে মতবিনিময়ের পরিকল্পনা

আগামীকাল শনিবার, ২৪ অক্টোবর সকালে প্রতিমন্ত্রীর দুর্গম রেমাক্রী পরিদর্শনে যাওয়ার কথা রয়েছে। সেখানে স্থানীয় বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর গণ্যমান্য ব্যক্তি ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে উন্নয়ন এবং সংস্কৃতিবিষয়ক মতবিনিময় সভায় অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।

রেমাক্রী সফরে স্থানীয় মানুষের বক্তব্য, সাংস্কৃতিক চর্চা এবং উন্নয়নসংক্রান্ত প্রয়োজনের বিষয়গুলো আলোচনায় আসতে পারে। প হ ড় র জ ত গোষ্ঠীর মানুষের নিজস্ব সংস্কৃতি ও ভাষার প্রতি সম্মান দেখিয়ে উন্নয়ন কার্যক্রম নিয়ে মতবিনিময় এ সফরের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হতে পারে।

প্রশ্নোত্তর

প্রতিমন্ত্রী কী বিষয়ে কথা বলেছেন?

তিনি পার্বত্য অঞ্চলের বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর নিজস্ব মাতৃভাষা, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য চর্চার অধিকার নিয়ে কথা বলেছেন।

অনুষ্ঠানটি কোথায় অনুষ্ঠিত হয়েছে?

বান্দরবানের থানচি উপজেলায় পুলিশের পরিচালিত হাইল্যান্ডার পার্কে সাংস্কৃতিক সন্ধ্যাটি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রেমাক্রী সফরে কী হওয়ার কথা রয়েছে?

স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে উন্নয়ন এবং সংস্কৃতিবিষয়ক মতবিনিময় সভায় অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।

Related Reading

Frequently Asked Questions

What is প হ ড় র জ ত গ?

প হ ড় র জ ত গ is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.

Why does প হ ড় র জ ত গ matter?

প হ ড় র জ ত গ matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.