রাউজানে দুই বছরে ২৭ খুন: রক্তাক্ত রাতের পেছনে কাদের খেলা
Patrikajournal.com – র উজ ন দ ই বছর ২৭ – চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলায় গত রাউজান দুই বছর ধরে স্থানীয় মানুষের ঘুম ভাঙছে গুলির শব্দে। ৩ সেপ্টেম্বর রাতের ঘটনায় যুবদলের কর্মী মোহাম্মদ করিমকে কুপিয়ে গুলি করে হত্যা করা হয় — এটি এই এলাকার দুই বছরের ২৭তম খুনের ঘটনা। প্রতিটি লাশের পেছনে রাজনৈতিক প্রতিশোধ, আধিপত্যের লড়াই বা সশস্ত্র সন্ত্রাসের ছাপ রয়েছে, আর সাধারণ মানুষ এখন প্রতিটি অন্ধকার রাতের অপেক্ষায় কাঁপছে।
রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর শুরু হওয়া নিয়মিত হত্যার ধারা
২০২৪ সালের ২৮ আগস্ট — আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পরপরই শ্রমিক লীগের নেতা আবদুল মান্নানকে হত্যা করা হয়। সেই ঘটনা থেকেই রাউজানে এক ধরনের নিয়মিত হত্যার ধারা শুরু হয়, যা থামার নাম নেই। রাউজান দুই বছর পার হলেও এই ধারা অব্যাহত। মোট ২৭ জন এই সময়ের মধ্যে প্রাণ হারিয়েছেন, যার মধ্যে ২০ জনের মৃত্যুর পেছনে সরাসরি রাজনৈতিক কারণ চিহ্নিত হয়েছে। বাকিদের ক্ষেত্রে আধিপত্য বিস্তার বা ব্যক্তিগত বিরোধের ভূমিকা রয়েছে।
হত্যার তালিকায় রয়েছে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য এ বি এম ফজলে করিমের খামারবাড়ির কর্মচারী মুহাম্মদ ইউসুফ মিয়া থেকে শুরু করে মোহাম্মদ করিম পর্যন্ত। তালিকায় আরও আছেন মুহাম্মদ আজম খান, আবু তাহের, জাহাঙ্গীর আলম, মোহাম্মদ হাসান, কমর উদ্দিন জিতু, মো. রুবেল, নুর আলম বকুল, মো. জাফর, মানিক আবদুল্লাহ, মো. ইব্রাহিম, রূপন নাথ, মো. আলমগীর, মোহাম্মদ সেলিম, দিদারুল আলম রিংকু, আবদুল হাকিম, আলমগীর আলম ওরফে আলম, জানে আলম সিকদার, মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন ওরফে রিযাড, আবদুল মুজিব ওরফে মুজিব ভান্ডারি, কাউসার উজ জামান বাবলু, মো. নাছির তালুকদার ওরফে মধু নাছির, মাকসুদুল হক চৌধুরী ওরফে মাসুদ এবং মোহাম্মদ আবদুল মান্নান সওদাগর। চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ এই সংখ্যা নিশ্চিত করেছে, তবে একজনের নাম-ঠিকানা এখনো সংগ্রহ করা সম্ভব হয়নি।
সশস্ত্র দলের নেতৃত্ব, গ্রেপ্তার ও পলাতক
রাউজানের এই হত্যাযজ্ঞের পেছনে ভারতের পাঞ্জাবে অবস্থিত একসময়ের ক্যাডার সাজ্জাদ হোসেন খান ওরফে বি. সাজ্জাদের নাম হুকুমদাতা হিসেবে উঠে এসেছে। তাঁর নেতৃত্বে কাজ করে একটি সশস্ত্র দল, যার সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন মো. ইলিয়াস ওরফে ধামা ইলিয়াস, দিদারুল আলম ওরফে দিদার, মোহাম্মদ আবছার মিয়া, মোহাম্মদ রাহমান (বাহিনী প্রধান), মোহাম্মদ ইউসুফ, মোহাম্মদ জাহেদ, মোহাম্মদ মোবারক, মোহাম্মদ আইনুব, ডেভিড ইমন ও মোহাম্মদ মোবারক ওরফে কালা মোবারক।
এই দলের সবচেয়ে আলোচিত নাম মোহাম্মদ রাহমান, যাকে সবচেয়ে ভয়ংকর কিলার হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত তিনটার দিকে রাহমান সামাজিক মাধ্যমের স্টোরিতে একটি ভিডিও আপলোড করেন, যেখানে তিনি হাতে নাইন এমএম পিস্তল তুলে গুলি ছোড়ে। করিম হত্যাকাণ্ডের মাত্র পাঁচ ঘণ্টা পর এই ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন পুলিশ কর্মকর্তা মন্তব্য করেছেন, এটি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি রীতিমতো চ্যালেঞ্জ।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ডেভিড ইমন, কালা মোবারক, ধামা ইলিয়াস, দিদারুল আলম ওরফে দিদার ও মোহাম্মদ আবছার মিয়াকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছে। কিন্তু রাহমান এখনো অধরা। পুলিশ সুপার মাসুদ আলম জানান, সব হত্যাকাণ্ডের আসামিদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং অস্ত্রশস্ত্র উদ্ধার করা হচ্ছে। তবে স্থানীয় পরিস্থিতি দেখে প্রশ্ন উঠেছে — পুলিশ কি সত্যিই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারছে? রাউজান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম উত্তর দেন:
রাউজানে হত্য
Related Reading
Frequently Asked Questions
What is র উজ ন দ ই বছর ২৭?
র উজ ন দ ই বছর ২৭ is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.
Why does র উজ ন দ ই বছর ২৭ matter?
র উজ ন দ ই বছর ২৭ matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.

