Patrikajournal
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

সাভারে এসবির এসআইকে পিটিয়ে হত্যা, আরও ১০ জন গ্রেপ্তার

Published September 7, 2026 · Updated September 7, 2026 · By Michael Martin - patrikajournal.com

Foto : Michael Martin - patrikajournal.com

সাভারের বরদেশীতে এসবির উপপরিদর্শকের হত্যাকাণ্ড: সংঘবদ্ধ দলের ১১ সদস্য হাতে

Patrikajournal.com – স ভ র এসব র এসআইক - রাজধানীর সাভার থানা এলাকায় পুলিশের বিশেষ শাখার একজন উপপরিদর্শককে পিটিয়ে হত্যা করার ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী গতকাল রোববার রাতে ব্যাপক অভিযান চালিয়ে আরও ১০ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। এতে মামলার প্রধান আসামিসহ মোট ১১ জন এখন পুলিশের হেফাজতে। সাভার, মানিকগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জসহ ঢাকার একাধিক এলাকায় একযোগে চালানো হয় এই অভিযান।

গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে একজনকে পাঁচ দিনের পুলিশ রিমান্ডে দিয়েছে আদালত। বাকিদের আদালতে হাজির করার প্রক্রিয়া চলমান। এই ঘটনা রাজধানীর নিম্নমধ্যবিত্ত এলাকায় পুলিশের নিরাপত্তা-গণনৈতিক সম্পর্কের নতুন এক পরীক্ষার সামনে দাঁড় করিয়েছে।

রিমান্ড ও আদালত প্রক্রিয়া

মামলার প্রধান আসামি জহিরুল ইসলামকে রোববার সকালেই গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। তাঁর দেওয়া তথ্য ও তদন্তে উঠে আসা তথ্যের ভিত্তিতে বাকিদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। সোমবার ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তাঁকে হাজির করে পুলিশ ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন জানায়। শুনানি শেষে আদালত পাঁচ দিনের রিমান্ড অনুমোদন করে।

অপরদিকে বিল্লাল হোসেন ও দেলোয়ার হোসেনকে পৃথকভাবে আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন করা হয়। তবে আদালত রিমান্ডের শুনানি না নিয়েই তাঁদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। বাকি আটজনকে থানায় রাখা হয়েছে। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) তাঁদের আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন করা হবে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের পরিচয়

রোববার রাতে গ্রেপ্তার ১০ জনের মধ্যে এজাহারভুক্ত ছয়জন হলেন—আলাউদ্দিন (২৬), আপন (৩০), জিহাদ (২০), ইমরান (২৬), নূর মোহাম্মদ রুদ্র (২৪) ও রাকিব মিয়া (২৮)। এজাহারের বাইরে গ্রেপ্তার চারজন হলেন—সাব্বির আহমেদ (২৪), ওয়াসিম (৪০), বিল্লাল হোসেন (৩০) ও দেলোয়ার হোসেন (২৮)।

২০-৩০ সদস্যের সংঘবদ্ধ দল

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের তথ্য মিলিয়ে জানা যায়, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের প্রায় সবাই মাদক কারবারসহ নানা অপকর্মে জড়িত। তাঁরা ২০ থেকে ৩০ জনের একটি সংঘবদ্ধ দলের সদস্য। এলাকায় বখাটেপনা, মাদক বিক্রি ও চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অপকর্মে এই দলের হস্তক্ষেপ থাকার অভিযোগ স্থানীয় বাসিন্দাদের। এমনকি দলের সদস্যদের পরিবারের কয়েকজনকেও মাদক কারবারের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে জড়িয়ে রাখা হয়েছে।

মদিনা হাউজিং: অপকর্মের ঘাঁটি

ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের পাশে আমিনবাজারের সালেহপুর সেতু থেকে কয়েক শতাংশ দূরে অবস্থিত মদিনা হাউজিং। স্থানীয় মানুষের ভাষায় এলাকাটি 'বালুর মাঠ' নামেও পরিচিত। অনেকটা নির্জন এই এলাকায় ফাঁকা ফাঁকা বাড়িঘর দেখা যায়। স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য অনুযায়ী, এসআই আলতাব হোসেন হত্যার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের প্রায় সবাই নিয়মিত এই এলাকায় আড্ডা দেন এবং সেখান থেকেই বিভিন্ন অপকর্ম পরিচালনা করা হয়। ঘটনার দিন শনিবার রাতেও আসামিদের অধিকাংশই ওই এলাকায় অবস্থান করছিলেন। জহিরুল ইসলামের সঙ্গে থাকা মজিবুর রহমানের ফোন পেয়ে তাঁরা ঘটনাস্থলে ছুটে যান।

এলাকাটিতে ২০-৩০ জনের এই দলের নেতৃত্ব দেন স্থানীয় আমিনবাজার ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সদস্য শামসুল হকের দুই ছেলে আপন ও জিহাদ। মামলার প্রধান আসামি জহিরুল ইসলামের সঙ্গে এই দুই ভাইয়ের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

পরিবারে মাদক কারবারের ছাপ

আপন ও জিহাদের মা জাহি বেগমকে স্থানীয়রা মাদক কারবারের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে চিহ্নিত করেছেন। একাধিকবার মাদকসহ গ্রেপ্তার হওয়ার ঘটনা তাঁর বিরুদ্ধে ঘটেছে বলে জানা যায়। আপন ও জিহাদ নিজেও মাদক বেচাকেনায় জড়িত বলে স্থানীয় অনেকের বক্তব্য।

গ্রেপ্তার বিল্লাল হোসেনের বিরুদ্ধে সাভার থানায় একাধিক মাদক মামলা দায়ের আছে। পুলিশ হেফাজতে থাকা অবস্থাতেই তিনি মাদক কারবারের সঙ্গে যুক্ত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। মামলার প্রধান আসামি জহিরুল ইসলামের মা রুকি বেগমও এলাকার পরিচিত মাদক কারবারি। তাঁর বিরুদ্ধে অন্তত ১৮টি মাদক মামলা আছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। গ্রেপ্তারের পর জহিরুল ইসলাম পুলিশকে বলেছেন, তাঁর মা মাদক ব্যবসায় জড়িত থাকায় তিনি তাঁর সঙ্গে থাকেন না। পাশের এলাকায় বসবাস করে তিনি রেন্ট-এ-কারের ব্যবসা করেন। তবে স্থানীয়দের দাবি, জহিরুল ইসলাম নিজেও মাদক কারবারের সঙ্গে যুক্ত।

শনিবার রাতের ঘটনার ধারা

গত শনিবার রাত সাড়ে সাতটার দিকে জহিরুল ইসলাম নিজের ব্যক্তিগত গাড়ি চালিয়ে ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক থেকে বরদেশী এলাকার মদিনা হাউজিংয়ে যাচ্ছিলেন। গাড়িতে তাঁর সঙ্গে ছিলেন মজিবুর, কাশেম, আলমগীর ও মাসুদ। হাউজিংয়ের ভেতরে একটি অটোগ

Related Reading

Frequently Asked Questions

What is স ভ র এসব র এসআইক?

স ভ র এসব র এসআইক is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.

Why does স ভ র এসব র এসআইক matter?

স ভ র এসব র এসআইক matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.