Patrikajournal
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

ছড়িয়ে পড়েছে যুদ্ধ, হুতি নিয়ন্ত্রণ থেকে সানা পুনর্দখলের পরিকল্পনা ইয়েমেন সরকারের

Published September 8, 2026 · Updated September 8, 2026 · By Christopher Gonzalez - patrikajournal.com

Foto : Christopher Gonzalez - patrikajournal.com

সানা পুনর্দখলের লক্ষ্যে ইয়েমেন সরকারপন্থী বাহিনীর ব্যাপক পাল্টা-অভিযান

Patrikajournal.com – ছড় য় পড় ছ য দ ধ - ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত এবং সৌদি আরব-সমর্থিত সরকার গতকাল সোমবার হুতি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে এক সমন্বিত পাল্টা-হামলা শুরু করেছে। এই অভিযানের মূল উদ্দেশ্য ইরান-সমর্থিত হুতিদের কাছ থেকে রাজধানী সানা আবার দখল নেওয়া। আল-বাঈদা ও আল-জাওফ প্রদেশে লড়াই তীব্র আকার ধারণ করেছে — এই দুই এলাকা সানার দিকে যাওয়ার প্রধান প্রবেশপথ হিসেবে পরিচিত। হুতি পক্ষের দাবি অনুযায়ী, আল-হাজম শহরের একটি কারাগারে হামলার ফলে অন্তত সাতজন প্রাণ হারিয়েছেন।

সরকারের বক্তব্য ও অভিযানের লক্ষ্য

ইয়েমেনের উপ-প্রতিরক্ষামন্ত্রী মেজর জেনারেল সামির আল-সাবরি রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত এক বক্তব্যে স্পষ্ট করে বলেছেন, সরকার সানা 'পুনর্দখলের' সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সরকারপন্থী বাহিনীর মুখপাত্র মাজিদ আল-নুজাইলি অভিযানের উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করে বলেছেন:

এই অভিযানের লক্ষ্য হলো হুতিদের 'কবজা থেকে ইয়েমেনকে মুক্ত করা' এবং 'সানাকে সব ইয়েমেনির রাজধানী হিসেবে পুনরুদ্ধার করা।'

তিনি বেসামরিক নাগরিকদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। বিশেষ করে সানা থেকে মারিব ও আল-জাওফকে সংযোগকারী সড়ক, এবং নিহম, সিরওয়াহ, মাহলিতাহ ও আল-হাজমের দিকে যাওয়া সড়কগুলো এড়িয়ে চলতে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

পটভূমি: ২০২২-এর যুদ্ধবিরতি থেকে বর্তমান সংকট

বর্তমান লড়াই ২০২২ সালে জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় ঘটা যুদ্ধবিরতির পর সবচেয়ে গুরুতর উত্তেজনা। ওই যুদ্ধবিরতির মাধ্যমে বহু ধরনের সংঘর্ষ সাময়িকভাবে থেমে গিয়েছিল। ইয়েমেনে যুদ্ধের সূচনা ঘটে ২০১৪ সালে, যখন হুতিরা রাজধানী সানা দখল করে। পরবর্তী বছর সৌদি আরবের নেতৃত্বে একটি সামরিক জোট দেশে হস্তক্ষেপ করে। কূটনীতিকদের আশা ছিল, ২০২২-এর যুদ্ধবিরতি ধীরে ধীরে একটি স্থায়ী রাজনৈতিক সমঝোতায় রূপ নেবে। তবে ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধের ফলে আঞ্চলিক উত্তেজনা তীব্র হওয়ায় সেই প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে।

জুলাই মাসে ইয়েমেনে আবার লড়াই শুরু হয়। সে সময় সরকারপন্থী বাহিনী হুতিদের নিয়ন্ত্রিত সানা বিমানবন্দরে হামলা চালায়, যার ফলে ইরান থেকে আসা একটি বিমান সেখানে অবতরণ করতে পারেনি। এরপর গত সপ্তাহে হুতিরা বহু ফ্রন্টে অভিযান শুরু করে — পশ্চিমাঞ্চলীয় তাইজ এবং দক্ষিণাঞ্চলীয় হোদেইদাহ হয়ে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা। তাদের লক্ষ্য ছিল বন্দরনগরী আল-মাখা এবং লোহিত সাগরের বাব আল-মান্দেব প্রণালির দিকে অগ্রসর হওয়া। এর আগে হুতিরা জলপথে যাতায়াতকারী সৌদি জাহাজের ওপর অবরোধ ঘোষণা করেছিল। লোহিত সাগর ও এডেন উপসাগরের মধ্যে জাহাজ চলাচলের জন্য এই জলপথ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ইরান হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচল সীমিত করার পর সৌদি আরবের তেল রপ্তানির জন্য বাব আল-মান্দেব প্রণালির তাৎপর্য আরও বৃদ্ধি পেয়েছে।

সামরিক পরিস্থিতি ও কৌশলগত বিশ্লেষণ

ইয়েমেনবিষয়ক বিশ্লেষক আহমেদ আল-শালাফির মতে, সরকারি বাহিনী হুতিদের সাম্প্রতিক অভিযানের 'প্রাথমিক ধাক্কা সামলে উঠেছে' বলে মনে হচ্ছে। এরপর তারা কয়েকটি ফ্রন্টে লড়াই ছড়িয়ে দিয়েছে, যার উদ্দেশ্য হুতি বাহিনীকে বিভিন্ন জায়গায় বিভক্ত করা এবং তাদের ওপর চাপ বৃদ্ধি করা।

আল-জাওফ বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি সৌদি আরবের সীমান্তবর্তী এবং হুতিদের প্রধান ঘাঁটি সাদা প্রদেশের দিকে যাওয়ার পথের সঙ্গে যুক্ত।

তিনি আরও উল্লেখ করেন:

আল-বাঈদা কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি ইয়েমেনের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত এবং আটটি গভর্নরেটকে সংযুক্ত করেছে। এর মধ্যে চারটি উত্তরাঞ্চলে এবং চারটি দক্ষিণাঞ্চলে।

বৃহস্পতিবার পর্যন্ত সংঘর্ষ মূলত তাইজের পশ্চিমে এবং হোদেইদাহর দক্ষিণে সীমিত ছিল। কিন্তু বর্তমানে লড়াই আল-দালি', মারিব, আল-জাওফ এবং আল-বাঈদা প্রদেশেও ছড়িয়ে পড়েছে।

মানবিক প্রভাব ও স্বাস্থ্যসংক্রান্ত তথ্য

লড়াইয়ে ইতোমধ্যে শত শত মানুষ হতাহত হয়েছেন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) সোমবার জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার থেকে ইয়েমেনে প্রায় ৯০০ মানুষ নিহত বা আহত হয়েছেন। তাদের বেশিরভাগই তাইজ এবং দেশটির পশ্চিম উপকূলীয় এলাকায় হতাহত। সংস্থাটি আরও জানিয়েছে, শুধু তাইজ থেকেই আনুমানিক ২১ হাজার মানুষ — অর্থাৎ প্রায় ৩ হাজার পরিবার — বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।

সানা থেকে প্রতিবেদক ইউসুফ মাওরি জানিয়েছেন, হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে, কারণ সোমবারের হতাহত এখনো ওই হিসাবের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত হয়নি।

সোমবার দুই পক্ষেরই শত শত মানুষ হতাহত হয়েছেন বলে জানা যাচ্ছে। বিশেষ করে আল-জাওফ গভর্নরেটে বিমান হামলা চালানোর খবর পাওয়ায় হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।

রাজনৈতিক বিবৃতি ও সাম

Related Reading

Frequently Asked Questions

What is ছড় য় পড় ছ য দ ধ?

ছড় য় পড় ছ য দ ধ is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.

Why does ছড় য় পড় ছ য দ ধ matter?

ছড় য় পড় ছ য দ ধ matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.