মার্কিন নিষেধাজ্ঞা থোড়াই কেয়ার করছে চীন–ইরান, এখনো চলছে বিলিয়ন ডলারের লেনদেন
মার্কিন নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও চীন–ইরানের বিলিয়ন ডলারের বাণিজ্য
Patrikajournal.com – ম র ক ন ন ষ ধাজ্ঞার চাপ উপেক্ষা করে ইরান ও চীন পণ্য বিনিময়ভিত্তিক একটি ব্যবস্থার মাধ্যমে বিলিয়ন ডলারের লেনদেন চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছে রয়টার্স। ইরানি তেলের বিপরীতে চীনা পণ্য ও সেবা কেনার জন্য ক্রেডিট ব্যবহৃত হচ্ছে। এ বিষয়ে সরাসরি জানেন এমন দুই জ্যেষ্ঠ ইরানি কর্মকর্তা এবং আরও কয়েকটি সূত্র এই তথ্য দিয়েছেন।
সূত্রগুলোর ভাষ্য অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক ব্যাংকিং ব্যবস্থাকে এড়িয়ে চলা এই বাণিজ্য কাঠামো সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ইরানের অর্থনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। একই সঙ্গে বিশ্বের সবচেয়ে বড় অপরিশোধিত তেল আমদানিকারক চীন ছাড়মূল্যে ইরানের তেল পাওয়ার সুযোগ পাচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্র ইরানের তেল কেনা বা পরিবহনে সহায়তাকারী কয়েকটি ছোট চীনা প্রতিষ্ঠানের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। তবে বিশ্ব অর্থনীতিতে বড় প্রভাব ফেলতে পারে—এমন কঠোর পদক্ষেপ থেকে ওয়াশিংটন এখনো বিরত রয়েছে।
তেল বিক্রির বিপরীতে পণ্য ও সামরিক সরঞ্জাম
এই ব্যবস্থার আওতায় ইরান চীন থেকে ওষুধ, যানবাহন ও যোগাযোগের সরঞ্জাম কিনেছে বলে সূত্রগুলো জানিয়েছে। পণ্যের নির্মাতারা সরাসরি ইরানের সঙ্গে লেনদেন করেনি এবং তাদের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা ভঙ্গের প্রমাণও পাওয়া যায়নি।
সূত্রগুলোর দাবি, গত এক বছরে অন্তত একবার কয়েক মিলিয়ন ডলার মূল্যের বিমান প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম সরবরাহের চুক্তিতেও একই পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়েছে। তবে এসব কথিত লেনদেনের বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি এবং রয়টার্সও স্বাধীনভাবে তা যাচাই করতে পারেনি।
চীন ও ইরান দীর্ঘদিনের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক অংশীদার। ২০২১ সালে তারা ২৫ বছরের একটি কৌশলগত অংশীদারত্ব চুক্তি সই করে, যেখানে জ্বালানি ও অবকাঠামোসহ বিভিন্ন খাত অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। তবে চুক্তিটির অনেক বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ্যে সীমিত।
চীনের তেল কেনা ও নিষেধাজ্ঞা নিয়ে অবস্থান
কেপলারের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে সমুদ্রপথে ইরান থেকে পাঠানো মোট তেলের ৮০ শতাংশের বেশি কিনেছে চীন। দৈনিক গড়ে এর পরিমাণ ছিল প্রায় ১৪ লাখ ব্যারেল। দীর্ঘদিনের ম র ক ন ন ষ ধাজ্ঞার কারণে ইরানি তেলের ক্রেতা সীমিত হয়ে পড়লেও চীন এখনো দেশটির প্রধান বাজার।
চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় রয়টার্সকে বলেছে, বর্ণিত পণ্য বিনিময় ব্যবস্থা সম্পর্কে তারা অবগত নয়। একই সঙ্গে চীন জানিয়েছে, জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের অনুমোদন ছাড়া আরোপ করা একতরফা নিষেধাজ্ঞার বিরোধিতা তারা সবসময় করে এসেছে। ইরানও পশ্চিমা দেশগুলোর এমন নিষেধাজ্ঞাকে অবৈধ বলে মনে করে।
হোয়াইট হাউসের এক কর্মকর্তা বলেছেন, ট্রাম্প প্রশাসন ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ অর্থনৈতিক অংশীদারদের সঙ্গে কাজ করছে, যাতে ইরান তার পারমাণবিক কর্মসূচি এগিয়ে নিতে প্রয়োজনীয় উপকরণ না পায়।
প্রশ্নোত্তর
চীন কেন ইরানের তেল কিনছে?
চীন ইরানের প্রধান তেল ক্রেতা এবং তুলনামূলক কম দামে অপরিশোধিত তেল পাওয়ার সুযোগ পায়। দুই দেশের দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক অংশীদারত্বও এই বাণিজ্য অব্যাহত রাখতে ভূমিকা রাখছে।
পণ্য বিনিময়ভিত্তিক ব্যবস্থা কীভাবে কাজ করে?
এই কাঠামোয় ইরানি তেল বিক্রির অর্থ সরাসরি আন্তর্জাতিক ব্যাংকিং ব্যবস্থার মাধ্যমে পাঠানো হয় না। এর বদলে সেই অর্থ বা ক্রেডিট ব্যবহার করে চীন থেকে পণ্য ও সেবা কেনা হয়, যা ম র ক ন ন ষ ধাজ্ঞাজনিত আর্থিক বাধা এড়াতে সহায়তা করতে পারে।
এই লেনদেনের সব তথ্য কি নিশ্চিত?
না। রয়টার্স কয়েকটি সূত্রের বক্তব্যের ভিত্তিতে তথ্য প্রকাশ করেছে, তবে বিমান প্রতিরক্ষা সরঞ্জামসহ কিছু কথিত লেনদেন স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
Related Reading
Frequently Asked Questions
What is ম র ক ন ন ষ ধ?ম র ক ন ন ষ ধ is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.
Why does ম র ক ন ন ষ ধ matter?ম র ক ন ন ষ ধ matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.