Patrikajournal
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

পিরিয়ডের সময় মিষ্টিজাতীয় খাবার খেতে ইচ্ছে হয় কেন? জেনে নিন এর কারণ

Published September 4, 2026 · Updated September 4, 2026 · By Betty Rodriguez - patrikajournal.com

Foto : Betty Rodriguez - patrikajournal.com

Patrikajournal.com – প র য়ড র সময় ম ষ - এমনটা প্রায় অনেকের হয়; পিরিয়ডের সময় বা তার কয়েক দিন আগে থেকে মিষ্টি, চকলেট বা আইসক্রিম খাওয়ার তীব্র ইচ্ছা জাগে। যতবারই নিজেকে ভোলাতে চান, ঠিক ততবারই মনে হয় একটু মিষ্টিজাতীয় খাবার চেখে দেখলে মন্দ হতো না! প্রায় সব নারীই প্রতি মাসে বা জীবনের কোনো না কোনো সময়ে এই অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যান। এটি নিছক মিষ্টিপ্রীতির ফল নয়, এর বৈজ্ঞানিক ও হরমোনজনিত কারণ রয়েছে। পিরিয়ডের দিনগুলোতে কেন মিষ্টি খেতে ইচ্ছে করে, তার কয়েকটি কারণ সম্পর্কে জেনে নিন ঝটপট। পিরিয়ড শুরু হওয়ার ঠিক আগে শরীরে ইস্ট্রোজেন এবং প্রোজেস্টেরন হরমোনের মাত্রা হঠাৎ করে কমে যায়। এই পরিবর্তনের ফলে মস্তিষ্কে সেরোটোনিন নামক রাসায়নিকের উৎপাদন কমে যায়। সেরোটোনিন হলো আমাদের মেজাজ নিয়ন্ত্রণকারী বা ফিল গুড হরমোন। যখন শরীরে সেরোটোনিন কমে যায়, তখন মস্তিষ্ক তাৎক্ষণিকভাবে মন ভালো করার উপায় খোঁজে। মিষ্টি বা কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাবার দ্রুত সেরোটোনিনের মাত্রা বাড়াতে সাহায্য করে, তাই শরীরে তখন মিষ্টিজাতীয় খাবারের চাহিদা বাড়ে। পিরিয়ড চলাকালে হরমোনের পরিবর্তনের কারণে শরীর দ্রুত ক্লান্ত হয়ে পড়ে এবং শক্তির অভাব দেখা দেয়। চিনি বা মিষ্টিজাতীয় খাবারে থাকে উচ্চমাত্রার কার্বোহাইড্রেট, যা শরীরে প্রবেশ করেই দ্রুত শক্তি জোগায়। শরীর যখন ক্লান্ত থাকে, তখন সে সহজে ও দ্রুত শক্তি পাওয়ার জন্য মিষ্টি খাবারের সংকেত পাঠায়। পিরিয়ডের আগের দিনগুলোতে হরমোনের কারণে শরীরে ইনসুলিনের কার্যকারিতায় কিছুটা পরিবর্তন আসতে পারে। এর ফলে রক্তে শর্করার মাত্রা বা ব্লাড সুগার ওঠানামা করে। রক্তে শর্করার মাত্রা কমে গেলে শরীর তা দ্রুত পূরণ করার জন্য মিষ্টি বা ক্যালরি-বহুল খাবারের তীব্র চাহিদা তৈরি করে। পিরিয়ড চলাকালে শারীরিক অস্বস্তি এবং মুড সুইংয়ের কারণে মানসিক চাপ বা স্ট্রেস বাড়ে। স্ট্রেসের সময় শরীর থেকে অতিমাত্রায় কর্টিসল নামের হরমোন নিঃসৃত হয়। এই কর্টিসল হরমোন আমাদের চর্বিযুক্ত এবং মিষ্টি খাবারের প্রতি আকর্ষণ বাড়িয়ে দেয়, যা সাময়িকভাবে মন শান্ত করে বা আরাম দেয়। অতিরিক্ত মিষ্টি বা রিফাইন্ড সুগার খেলে পিরিয়ডের ক্র্যাম্প বা পেটে ব্যথা ও ক্লান্তি আরও বেড়ে যেতে পারে। তাই মিষ্টি খাওয়ার ইচ্ছা হলে বেছে নিতে হবে এর স্বাস্থ্যকর বিকল্পগুলো। সাধারণ মিল্ক চকলেটের বদলে ৭০ শতাংশ বা তার বেশি কোকোযুক্ত ডার্ক চকলেট খান। এটি ম্যাগনেশিয়ামের চমৎকার উৎস, যা মেজাজ ভালো করে এবং পেশির টান কমায়। মিষ্টির তীব্র ইচ্ছা কমাতে খেজুর, কিশমিশ, পাকা কলা, আপেল বা আঙুর খেতে পারেন। চাইলে নারকেল ও নারকেলের পানিও পান করতে পারেন। এগুলো মিষ্টির চাহিদা মেটাবে আবার শরীরে পুষ্টিও জোগাবে। কাঠবাদাম, কাজুবাদাম বা মিষ্টি কুমড়ার বীজ খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে। ফলে হুটহাট মিষ্টি খাওয়ার ইচ্ছা কমে। কিছু শর্করাজাতীয় খাবার দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখে। সেগুলো খেলেও মিষ্টি খাওয়ার প্রবণতা কমে। ওটস, লাল চালের ভাত ইত্যাদি পিরিয়ডের কয়েক দিন খেয়ে দেখতে পারেন। এগুলো শরীরে দীর্ঘ সময় ধরে শক্তি বজায় রাখতে সাহায্য করে। সূত্র: হেলথ লাইন ও অন্যান্য

Related Reading

Frequently Asked Questions

What is প র য়ড র সময় ম ষ?

প র য়ড র সময় ম ষ is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.

Why does প র য়ড র সময় ম ষ matter?

প র য়ড র সময় ম ষ matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.