Patrikajournal
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

ডায়ালাইসিস সেবা মিলবে সব জেলা-উপজেলায়, ৫ হাজার নার্স-টেকনোলজিস্টের প্রশিক্ষণ শুরু

Published September 14, 2026 · Updated September 14, 2026 · By Mary Davis - patrikajournal.com

Foto : Mary Davis - patrikajournal.com

জেলা-উপজেলায় ডায়ালাইসিস সেবা পৌঁছাতে ৫ হাজার জনবলের প্রশিক্ষণ

Patrikajournal.com – ড য় ল ইস স স ব - কিডনি রোগীদের চিকিৎসা সহজলভ্য করতে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে ড য় ল ইস স স সেবা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে ৫ হাজার নার্স ও মেডিকেল টেকনোলজিস্টকে বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া শুরু হয়েছে। তিন মাসের এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে নতুন কেন্দ্রগুলোর জন্য দক্ষ জনবল তৈরি করা হবে।

পরিকল্পনায় নার্স ও মেডিকেল টেকনোলজিস্টের জন্য ২ হাজার ৫০০টি করে নতুন পদ তৈরির কথা বলা হয়েছে। প্রশিক্ষিত কর্মী ও প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নিশ্চিত হলে কিডনি রোগীদের চিকিৎসার জন্য ঢাকামুখী হওয়ার চাপ কমতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।

প্রথম ধাপে ১২০ জনের প্রশিক্ষণ

নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তরের মহাপরিচালক দিল আফরোজা জানিয়েছেন, প্রথম ধাপে ১২০ জনকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। ন্যাশনাল কিডনি ফাউন্ডেশনে ৯০ জন, পাবনায় ২০ জন এবং রাজশাহীতে ১০ জন প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন।

আমরা ইতোমধ্যে ১২০ জনকে নিয়ে এই প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু করেছি। এর মধ্যে ন্যাশনাল কিডনি ফাউন্ডেশনে ৯০ জন, পাবনায় ২০ জন এবং রাজশাহীতে ১০ জনকে ডায়ালাইসিস সেবাসংক্রান্ত প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। অল্প দিনের মধ্যেই সিলেটসহ কয়েকটি জায়গায় ব্যাপকভাবে এই প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু করব।

প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কর্মীদের নতুন ও বিদ্যমান ডায়ালাইসিস ইউনিটে কাজে লাগানোর পরিকল্পনা রয়েছে। দ্রুত সময়ে কিডনি রোগীদের জন্য সেবা নিশ্চিত করতে নতুন নার্স নিয়োগের উদ্যোগও চলমান বলে জানানো হয়েছে।

মেডিকেল কলেজ ও জেলা হাসপাতালে কেন্দ্র

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন জানান, প্রতিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৫০ শয্যার কিডনি ডায়ালাইসিস সেন্টার স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। প্রতিটি জেলা সদর হাসপাতালেও ১০ শয্যার কেন্দ্র গড়ে তোলার কথা বলা হয়েছে।

দেশের প্রতিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৫০ শয্যাবিশিষ্ট কিডনি ডায়ালাইসিস সেন্টার এবং প্রতিটি জেলা সদর হাসপাতালে ১০ শয্যাবিশিষ্ট ডায়ালাইসিস সেন্টার স্থাপন করা হবে।

২০২৬-২৭ অর্থবছরের কার্যক্রম সামনে রেখে সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, বিশেষায়িত হাসপাতাল ও জেলা সদর হাসপাতালে কর্মরত নার্সদের কাছ থেকে প্রশিক্ষণের আবেদন নেওয়া হয়েছে। আবেদনকারীদের সরকারি চাকরিতে অন্তত দুই বছর পূর্ণ থাকতে হবে এবং বয়স সর্বোচ্চ ৪০ বছর হতে হবে।

প্রশিক্ষণ ব্যবস্থাপনায় ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব কিডনি ডিজিজেস অ্যান্ড ইউরোলজি (নিকডু) এবং ন্যাশনাল কিডনি ফাউন্ডেশন যুক্ত থাকবে। প্রতি ব্যাচে ৫০ থেকে ১০০ জন প্রশিক্ষণার্থী রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। মোট ৫ হাজার প্রশিক্ষণার্থীর মধ্যে আড়াই হাজার নার্স থাকবেন।

কেন সেবা বিকেন্দ্রীকরণ জরুরি

কিডনি অ্যাওয়ারনেস মনিটরিং অ্যান্ড প্রিভেনশন সোসাইটি, ক্যাম্পসের তথ্য অনুযায়ী, দেশে প্রায় ৩ কোটি ৮০ লাখ মানুষ কোনো না কোনো ধরনের কিডনি রোগে আক্রান্ত। তাঁদের মধ্যে প্রতিবছর প্রায় ৪০ হাজার রোগীর নিয়মিত ডায়ালাইসিসের প্রয়োজন হয়।

এই চিকিৎসা দীর্ঘমেয়াদি হওয়ায় রোগীদের নির্ধারিত বিরতিতে কেন্দ্রে যেতে হয়। দূরের হাসপাতালে যাতায়াত, থাকা ও পরিবারের সময় ব্যয় অনেক রোগীর জন্য বাড়তি বোঝা হয়ে দাঁড়ায়। তাই স্থানীয় পর্যায়ে ড য় ল ইস স স সুবিধা গড়ে উঠলে প্রান্তিক এলাকার রোগীদের চিকিৎসায় পৌঁছানো সহজ হতে পারে।

বাংলাদেশ রেনাল অ্যাসোসিয়েশনের হিসাবে দেশে প্রায় ১৪৬টি ডায়ালাইসিস কেন্দ্র রয়েছে, যার ৬৫ থেকে ৭০ শতাংশই ঢাকাকেন্দ্রিক। বড় শহরের বাইরে কেন্দ্রের স্বল্পতার কারণে অনেক রোগীকে দূরপাল্লার যাত্রা করতে হয়।

উপজেলা পর্যায়ে বিস্তারের পরিকল্পনা

সরকারি নথিতে বলা হয়েছে, জেলা পর্যায়ের কেন্দ্রগুলো পূর্ণমাত্রায় চালুর তিন বছর পর উপজেলা পর্যায়ে সেবা চালুর জন্য পৃথক কর্মপরিকল্পনা তৈরি করা হবে। প্রথম ধাপে জেলা সদর হাসপাতালকে কেন্দ্র করে কার্যক্রম বিস্তারের পর উপজেলাগুলোকে বিবেচনায় নেওয়া হবে।

২০ জুলাই স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় পরিদর্শনের সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের প্রতিটি জেলায় ১০ শয্যার কিডনি ডায়ালাইসিস সেন্টার প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত দেন। পরে ১২ আগস্ট তাঁর সভাপতিত্বে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের বৈঠকে প্রশিক্ষণ, জনবল ও কেন্দ্র স্থাপনের বিষয়ে আরও সিদ্ধান্ত হয়।

একই বৈঠকে তৃণমূল পর্যায়ে চিকিৎসকের সংকট মোকাবিলায় প্রবেশনারি চিকিৎসকদের নিজ নিজ উপজেলায় পদায়নের সিদ্ধান্ত হয়েছে। কোনো উপজেলায় উপযুক্ত চিকিৎসক না থাকলে নিকটবর্তী উপজেলা বা জেলা থেকে চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়ার কথাও বলা হয়েছে।

ডায়ালাইসিস সেবা নিয়ে সাধারণ প্রশ্ন

জেলা পর্যায়ের কেন্দ্রগুলোতে কারা সেবা পাবেন?

কিডনি রোগের এমন পর্যায়ে পৌঁছানো রোগীরা, যাঁদের চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নিয়মিত ডায়ালাইসিস প্রয়োজন, তাঁরা কেন্দ্রগুলো চালু হলে সেবা নিতে পারবেন। সেবার নিয়ম ও রোগী নিবন্ধনের প্রক্রিয়া সংশ্লিষ্ট হাসপাতাল থেকে জানা যাবে।

প্রশিক্ষণ কেন গুরুত্বপূর্ণ?

ডায়ালাইসিস পরিচালনায় দক্ষ নার্স ও মেডিকেল টেকনোলজিস্ট প্রয়োজন। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে জনবলকে রোগীর নিরাপত্তা, যন্ত্র পরিচালনা ও চিকিৎসাসংশ্লিষ্ট কার্যক্রমে প্রস্তুত করা হবে।

উপজেলা পর্যায়ে কবে সেবা চালু হতে পারে?

সরকারি পরিকল্পনা অনুযায়ী, জেলা পর্যায়ের কেন্দ্রগুলো পূর্ণমাত্রায় চালুর তিন বছর পর উপজেলা পর্যায়ে ড য় ল ইস স স সুবিধা সম্প্রসারণের জন্য পৃথক কর্মপরিকল্পনা তৈরি করা হবে।

Related Reading

Frequently Asked Questions

What is ড য় ল ইস স স ব?

ড য় ল ইস স স ব is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.

Why does ড য় ল ইস স স ব matter?

ড য় ল ইস স স ব matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.