Patrikajournal
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

অদ্ভুত মামলা, নজিরবিহীন কারসাজি | | বাংলাদেশ প্রতিদিন

Published May 19, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Christopher Gonzalez - patrikajournal.com

Foto : Christopher Gonzalez - patrikajournal.com

অদ্ভুত মামলা, কারসাজির নজিরহীন ঘটনা

Patrikajournal.com – অদ ভ ত ম মল নজ রব - কুড়িগ্রামের উলিপুর থানার বুড়াবুড়ি সাতভিটা এলাকার চাঁদ মিয়ার ছেলে আশিকুর রহমান (২৪) রাষ্ট্রের চোখে জুলাই শহীদ হিসেবে পরিচিত হন। স্বীকৃতি পাওয়া পরিবারকে অনুদান হিসেবে ৩০ লাখ টাকাও দেওয়া হয়। কিন্তু তদন্তে দেখা গেছে, আশিকুর রহমান আন্দোলনে অংশ নিয়েছিলেন না। তিনি মস্তিষ্কে সংক্রমণজনিত অসুস্থতার চিকিৎসায় সম্পূর্ণ সময় হাসপাতালে ছিলেন।

ডাক্তারের প্রেসক্রিপশনে 'ব্রেন ইনফেকশন' লেখা ছিল, কিন্তু মৃত্যুসনদে মৃত্যুর কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয় 'হেড ইনজুরি'। আশিকুরের মৃত্যুর আগে তার চিকিৎসাপত্র ও মৃত্যুসনদ যাচাই করে দেখা গেছে যে তিনি ২০২৪ সালের ১ সেপ্টেম্বর মারা যান একটি মামলার পরে। মামলার নম্বর ১৩ এবং আসামির সংখ্যা ১০৪। এই মামলায় তিনজন সাংবাদিক আসামি হন।

গত বছরের ১৫ জানুয়ারি মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় জুলাই শহীদদের তালিকা প্রকাশ করে। ওই গেজেটে আশিকুর রহমানের নাম ২১৭ নম্বরে উল্লেখ করা হয়। গতকাল সোমবার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রের 'চতুর্থ স্তম্ভ' সাংবাদিকতাকে বিক্ষত করতে অন্তর্বর্তী সরকারের দেড় বছরে পরিকল্পিতভাবে ৪৯টি মামলায় ২৮২ জন সাংবাদিককে আসামি করা হয়েছে। মামলার নথি যাচাই করে দেখা গেছে যে বেশির ভাগ মামলা অদ্ভুত এবং কারসাজিতে ভরা।

আশিকুর রহমানের চিকিৎসাপত্র অনুযায়ী, তিনি রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মেডিসিন ইউনিট-১ বিভাগের ২৯ নম্বর ওয়ার্ডে (বি-১১ শয্যা) চিকিৎসাধীন ছিলেন ২০২৪ সালের ১২ আগস্ট থেকে ১৮ আগস্ট পর্যন্ত। এখান থেকে তাঁকে ঢাকার বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে রেফার করা হয়। রংপুর মেডিক্যালের ছাড়পত্রে তাঁর রোগ হিসেবে 'সেপসিস উইথ ফোকাল সিজার (এইচ/ও এনসেফালাইটিস)' লেখা ছিল। অর্থাৎ চিকিৎসকরা তখন তাঁর শরীরে গুরুতর সংক্রমণ ছিল বলে জানিয়েছিলেন।

মৃত্যুর প্রত্যয়নপত্র অনুযায়ী আশিকুরকে ২৬ আগস্ট রাত ৯টা ৪০ মিনিটে বিএমইউ আইসিইউ-২-তে ভর্তি কর