Patrikajournal
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

অভিবাসন কমাতে বড় সিদ্ধান্তের পথে সুইজারল্যান্ড, নজিরবিহীন গণভোটের আয়োজন | | বাংলাদেশ প্রতিদিন

Published June 13, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Mary Davis - patrikajournal.com

Foto : Mary Davis - patrikajournal.com

সুইজারল্যান্ডে অভিবাসন কমাতে গণভোটের সিদ্ধান্ত

Patrikajournal.com – অভ ব সন কম ত বড় স - সুইজারল্যান্ড অভিবাসনের চাপ কমানো এবং জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করার উদ্দেশ্যে একটি নীতিগত প্রস্তাব গণভোটের মাধ্যমে প্রবর্তনের পথে অগ্রসর হয়েছে। প্রস্তাব পাস হলে আগামী কয়েক দশকে দেশটির জনসংখ্যা ১ কোটির মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখতে সরকারকে প্রতিক্রিয়া করতে হবে, যা ভবিষ্যতের অভিবাসন নীতির গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন ঘটাতে পারে।

বিশ্লেষকদের মতে আর্থিক ব্যবস্থা বাঁচাবে না বিদ্রোহ

প্রস্তাবের সমর্থকদের দাবি, ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদৃশ দেশগুলো থেকে অভিবাসন দেশটির আবাসন, অবকাঠামো, সামাজিক সেবা ও প্রাকৃতিক সম্পদে অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করছে। তবে বিরোধীদের মতে, স্বাস্থ্যসেবা, প্রযুক্তি, আর্থিক খাত এবং ওষুধশিল্পে বিদেশি কর্মীদের নির্ভরশীলতা থাকায় এ উদ্যোগ সুইজারল্যান্ডের অর্থনীতি ও শ্রমবাজারে ক্ষতিকর হতে পারে। এই গণভোটে সরকার ও পার্লামেন্ট উভয়ই বিরোধিতা করছে।

ব্যবসায়ী সংগঠন ইকোনোমিসুইস প্রস্তাবকে ‘অযৌক্তিক’ বলে চেপে দিয়েছে। তারা দাবি করেছে যে এটি দেশের নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির জন্য ঝুঁকি সৃষ্টি করতে পারে। গণভোটে বৃহত্তম পার্লামেন্টারি দল ডানপন্থী ও জনতাবাদী সুইস পিপলস পার্টি এ প্রস্তাবের পক্ষে রয়েছে।

জনসংখ্যার বৃদ্ধি ও অর্থনৈতিক উৎপাদনের প্রভাব

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ২০০২ সালে সুইজারল্যান্ড ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে নাগরিকদের কাজ ও বসবাস সম্পর্কে বিধিনিষেধ শিথিল হওয়ার পর দেশের জনসংখ্যা ২৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। গত বছরে তা ৯১ লাখে পৌঁছেছে। অর্থনৈতিক উৎপাদনও ২৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

সুইস পিপলস পার্টির আইনপ্রণেতা বার্নার্ড বাপস্টে বলেন, “আমরা মূলত নিজেদের সাফল্যেরই শিকার।” তিনি বলেন যে সীমান্ত নীতির পরিবর্তন বিভিন্ন ধরনের অপরাধ বৃদ্ধি করছে এবং জনসংখ্যা বৃদ্ধির নেতিবাচক প্রভাব স্পষ্ট। গণভোট পাস হলে সরকারকে ২০৫০ সালের মধ্যে জনসংখ্যা ১ কোটির মধ্যে রাখতে ব্যবস্থা করতে হবে।

বিশ্বে নজিরবিহীন এক নীতি

অন্যদিকে জেনেভা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান অধ্যাপক রেনে শভোক বলেন, এ প্রস্তাব পাস হলে ব্রাসেলসের সঙ্গে সুইজারল্যান্ডের সম্পর্ক অবনতি পাবে এবং বিদেশি বিনিয়োগকারীদের মধ্যে অনিশ্চয়তা বৃদ্ধি পেতে পারে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন দেশটির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক অংশীদার।

“আমাদের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি বিদেশি�