Patrikajournal
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

অর্থনীতি পুরোপুরি ঘুরে দাঁড়াতে ৪ থেকে ৫ বছর লাগবে: অর্থমন্ত্রী | | বাংলাদেশ প্রতিদিন

Published June 12, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Christopher Gonzalez - patrikajournal.com

Foto : Christopher Gonzalez - patrikajournal.com

অর্থনীতি পুরোপুরি ঘুরে দাঁড়াতে ৪ থেকে ৫ বছর সময় লাগবে: অর্থমন্ত্রী

Patrikajournal.com – অর থন ত প র প র - বাংলাদেশের অর্থনীতি বর্তমানে কঠিন পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে চলছে। স্থিতিশীল ও সমৃদ্ধ পথে যাওয়ার জন্য সময় প্রয়োজন। মন্ত্রী বলেন, আগামী দুই বছর কঠিন সাধনার মধ্য দিয়ে অর্থনীতি এগিয়ে যাবে, তারপর ধীরে ধীরে স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে। পুরোপুরি ঘুরে দাঁড়াতে চার থেকে পাঁচ বছর সময় নেবে।

বাংলাদেশের অর্থনীতি এখন যেখানে দাঁড়িয়ে আছে, সেখান থেকে সামনে এগোতে দুই বছরের কৃচ্ছ্রসাধন প্রয়োজন হবে। এরপর অর্থনীতি স্থিতিশীল হবে এবং চতুর্থ ও পঞ্চম বছরে পুরোপুরি ঘুরে দাঁড়াবে। জনগণের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে আমরা সক্ষম হব বলে বিশ্বাস করি।

সংবাদ সম্মেলনের বিষয়াবলী

অর্থ মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে শুক্রবার বিকেলে রাজধানীতে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী বলেন, শ্রমশক্তিকে দক্ষ করে তোলাই সরকারের প্রধান লক্ষ্য। এজন্য শিক্ষা, কারিগরি ও ভোকেশনাল প্রশিক্ষণে বড় ধরনের বিনিয়োগ করা হচ্ছে। এ কর্মসূচির মাধ্যমে দেশের ভেতরে এবং বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানো হবে। শ্রমিকরা উচ্চ আয়ের চাকরি পেতে সক্ষম হবেন।

বর্তমানে নিম্ন আয়ের এবং দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জীবনযাত্রার মানে চাপ হয়েছে। সে পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য এবারের বাজেটে সামাজিক নিরাপত্তা এবং কল্যাণমূলক কর্মসূচিতে ইতিহাসের সর্বোচ্চ বাজেট দেওয়া হয়েছে। পরিবারভিত্তিক সহায়তা, কৃষি খাত, সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা ও প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবায় বড় বরাদ্দ রয়েছে।

মন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, শিক্ষিত তরুণদের বেকারত্ব কমাতে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, পুনঃপ্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। গ্রামীণ অর্থনীতি মূলধারায় আনতে ‘ক্রিয়েটিভ ইকোনমি’ কর্মসূচির মাধ্যমে কামার, কুমার, তাঁতি, কারুশিল্পী এবং সাংস্কৃতিক কর্মীদের ঋণ, প্রশিক্ষণ, ডিজাইন সহায়তা ও বাজার বিস্তারের উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে।

সরকার এখন মানুষের জীবনমান উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং বিনিয়োগের সুফল নিশ্চিত করার দিকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। প্রতিটি প্রকল্পে ‘ভ্যালু ফর মানি’ এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে।

আয়োজনকা�