Patrikajournal
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

আক্রমণে জেগেছে ইরানিদের দেশপ্রেম | | বাংলাদেশ প্রতিদিন

Published May 23, 2026 · Updated July 21, 2026 · By James Martinez - patrikajournal.com

Foto : James Martinez - patrikajournal.com

ইরানিদের দেশপ্রেম জেগেছে আক্রমণের পর

Patrikajournal.com – আক রমণ জ গ ছ ইর ন - ইরানের মৌলবাদী প্রশাসন মানুষের প্রতি আকর্ষণ হারিয়েছে। মার্কিন অবরোধ, অভ্যন্তরীণ বেকারত্ব ও নির্যাতনে মুখোমুখি হয়ে সাধারণ মানুষ বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছে। ট্রাম্প এবং তাঁর সহযোগীদের আশা ছিল যে প্রধান নেতা ও কমান্ডারদের হত্যা করলে সেই সঙ্গে মানুষ সারাদেশে বিক্ষুব্ধ হয়ে রাস্তায় নেমে আসবে। সরকার ভেঙে পড়বে এবং ট্রাম্প সেখানে তাঁর পছন্দের ব্যক্তিকে ক্ষমতায় বসিয়ে বিশ্বের তেল ও অন্যান্য সম্পদ লু���ঠান করতে পারবেন।

অপেক্ষা করা হয়েছে বৃহৎ পরিমাণে বিপ্লব ঘটার জন্য। কিন্তু ইরানের মানুষ আক্রান্ত দেখে বিশ্বাস ছাড়েনি। তারা সরকার ও সশস্ত্র বাহিনীকে সমর্থন করে দাঁড়িয়ে গেছে। ইরানের সংস্কৃতির গভীরতা ও তাদের দেশপ্রেমের পরিমাণ ট্রাম্পের ধারণা ছাড়া ছিল।

অতীতে গ্রিকদের পারস্য শাসনের অধীনে ছিল। কিন্তু তারা ধর্ম থেকে মুক্ত হয়েছিল না, ভাষার কোনো পরিবর্তন ঘটেনি। তেমন করে আমেরিকানরা বৈ দুর্বল কোনো জাতি নয়, তারা বহুজাতিগত সংমিশ্রণে গঠিত বৃহৎ একটি গোষ্ঠী। ট্রাম্প সম্পর্কে কোনো বিশ্বাস নেই এবং বিশ্বাস করে না যে ইরানে সামাজিক বিপ্লব ঘটবে। ঘটেছে বরং কমিউনিস্টদের মধ্যে বিভেদ ও মার্কিন গোয়েন্দাদের কাজের কারণে সেটা হয়নি।

ট্রাম্পের দেশপ্রেম আর তার আশা

বাদশাহতন্ত্রের পতনের পর ইরান হাতে ধরেছিল ধর্মীয় মৌলবাদীদের ক্ষমতা। যারা শাসন করছে তাদের মানুষ সুখের জন্য লড়ছে না, বিদেশীদের ডেকে আনার কোনো চিন্তা ছিল না। ট্রাম্প ব্যবসায়ী পেশায় ও স্বভাবে ছিল। তিনি ইরানের সংস্কৃতি ও ধর্মান্তরিত মানুষের সম্পর্ক বুঝতে পারেন নি।

ট্রাম্প আওয়াজ দিয়েছেন আমেরিকা আবার বড় হবে বলে। তাঁর মতোদের কাছে বড় হওয়া অর্থ মহৎ হওয়া নয়, বৃহৎ হওয়া মাত্র। তাদের আমেরিকা বৃহৎ হবে সংস্কৃতিতে নয়, ধনদৌলতে।

ট্রাম্পের সঙ্গে দাঁড়িয়েছিল তাঁর সাথীদের কেউ কেউ শ্বেতাঙ্গ আধিপত্যে বিশ্বাস করে। অর্ধশিক্ষাকে যথেষ্ট শিক্ষা বলে মনে করে এবং আত্মসুখের বাইরে অন্য কোনো সুখের কথা ভাবতে পারে না এমন মানুষ। তবে আমেরিকার জন্য ট্রাম্প ও ট্রাম্পইজমই যে একমাত্র সত্য সেটা নয়। আমেরিকার ইতিহাসে অনেক মহৎ মানুষের বড় বড় অবদান রয়েছে।

রবীন্দ্রনাথের আমেরিকা সম্পর্কে ধারণা

সাহিত্যে, সংগীতে, বিজ্ঞানে, চলচ্চিত্রে, খেলাধুলায় এবং রাজনৈতিক আন্দোলন ও চিন্তার মাধ্যমে আমেরিকা বিশ্বকে কম সমৃদ্ধ করেনি। তবে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের মধ্যে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর আমেরিকার ওপর আস্থা ব্যক্ত করেন। তিনি প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরুর আগে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন। তাতে তাঁর রচনা ও ব্যক্তিত্ব বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে।

১৯১৭ সালে বিশ্বযুদ্ধ প্রচণ্ড হয়ে উঠার সময় তিনি তিনটি বক্তৃতা দেন- জাপানে একটি ও আমেরিকায় দুটি। �