Patrikajournal
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

আদালতে দায় স্বীকার সোহেলের, যুক্তিতর্ক বৃহস্পতিবার | | বাংলাদেশ প্রতিদিন

Published June 3, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Betty Rodriguez - patrikajournal.com

Foto : Betty Rodriguez - patrikajournal.com

বাংলাদেশ প্রতিদিন

যুক্তিতর্ক বৃহস্পতিবার

Patrikajournal.com – আদ লত দ য় স ব ক - আদালত দায় স্বীকার সোহেলের পরিস্থিতি আজ আবারও চর্চার কেন্দ্রে আসে। ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইবুনালে বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালতে সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তারের যুক্তি তর্কের শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। এ মামলাটি রাজধানী ঢাকার পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তারের ধর্ষণ ও গলা কেটে হত্যার ঘটনার উপর গঠিত। তদন্তের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত দায় স্বীকার সোহেল ও তার স্ত্রীকে সম্মুখীন করেছে।

আদালতে দায় স্বীকার সোহেল ও স্বপ্না আক্তার

বুধবার (৩ জুন) সকালে সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তারকে আসামি হিসেবে ঢাকার আদালতে আনা হয়। তাদের নিয়ে কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগার ও কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে আদালতে সমর্থন করার ব্যবস্থা করা হয়। মহানগর হাজতখানায় তাদের রাখা হয়। বেলা ১১টা ১০ মিনিটে বিচারক বেঞ্চ আদালতে বসে।

আমি নির্দোষ স্যার। আমার সঙ্গে যে ছিল ডলার, তাকে আপনারা ধরেন। আমি দোষ করিনাই তা-না, আমিও দোষ করেছি। আমারে মাফ করে দিয়েন, আমার একটা ছোটো ছাওয়াল আছে, আমার বউটা একদম নির্দোষ।

স্বপ্না আক্তারের বিচারকে বলা হয়, ‘আমি কিছু করি নাই, আমি নির্দোষ।’ তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার এসআই অহিদুজ্জামান সোহেল রানা ও তার স্ত্রীকে অভিযোগপত্র জমা দিয়েছিলেন। পরে চার্জশিট আমলে নেওয়ার পর বিচারের জন্য বদলির আদেশ দেওয়া হয়। আদালত দায় স্বীকার সোহেল ও তার স্ত্রীর উপর একটি তীব্র যুক্তি তর্কের ব্যবস্থা করেছে।

বিচারকের আদেশ ও মামলার প্রক্রিয়া

বিচারক মাসরুর সালেকীন দুলু আজিজুর রহমানের আবেদনে যুক্তি তর্কের তারিখ ধার্য করেন। আত্মপক্ষ সমর্থন শুনানির পর ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪২ ধারার আদেশ প্রকাশ করা হয়। এই আদেশ অনুযায়ী আদালত দায় স্বীকার সোহেল ও স্বপ্না আক্তারকে একটি মামলার মূল পরিপ্রেক্ষিতে পরীক্ষা করবে। এ মামলার পরিপ্রেক্ষিতে দুটি আসামি সম্মুখীন হয়েছেন ক্রমাগত যুক্তি তর্কের পরিস্থিতি।

ট্রাইবুনাল গত ১ জুন সাক্ষীদের সমন জারি করেন যখন মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা অভিযোগ পত্র আমলে নিয়েছিলেন। এই ঘটনার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার এসআই অহিদুজ্জামান সোহেল রানা ও তার স্ত্রীকে অভিযুক্ত করেন। তদন্তের পরিপ্রেক্ষিতে দায় স্বীকার সোহেল এবং স্বপ্না আক্তার ক্ষমা চাওয়ার প্রক্রিয়া আরম্ভ করেছে।

আদালত দায় স্বীকার সোহেলের মামলার সাথে বিচার প্রক্রিয়া জুড়ে যায়। শিশু রামিসা আক্তারের ধর্ষণ ও গলা কেটে হত্যার ঘটনা প্রতিদিনের কাছে একটি সংকট হিসেবে তুলে ধরা হয়। যুক্তি তর্কের সময় আসামি দুটি তাদের নির্দ