টিআইবি তদন্ত সংস্থা নয়, গবেষণানির্ভর সংস্থা
আমর তদন ত কর ন গব ষণ – বাংলাদেশের গণমাধ্যম সংস্থা টিআইবি (ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশা) কর্তৃক প্রকাশিত আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পর্কিত প্রতিবেদনের সংস্থার অবস্থান পরিষ্কার করেছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে মোহাম্মদ আনওয়ার হাসান। প্রতিবেদনটি সরকারের মুখ্য কর্মকর্তাদের সম্মুখে উপস্থাপন করার পর টিআইবি তাদের অনুসন্ধানের পদ্ধতি ও তথ্য বিশ্লেষণের ভিত্তিতে কাজ করে এটা প্রমাণ করেছে। সংস্থাটি জানায়, তাদের স্বাধীন গবেষণার মাধ্যমে বিষয়টি বিশ্লেষণ করা হয়েছে।
গবেষণার ভিত্তিতে তথ্য প্রকাশ
টিআইবি বলেছে, তাদের প্রতিবেদন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংগ্রহ করতে সামাজিক বিজ্ঞান ও পরিমাণগত পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়েছে। তাই আমর তদন্ত করি না গবেষণা করি বলে প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে। সংস্থাটি তাদের বিষয়টি আরও বিস্তারিত করে বলেছে, পুলিশের আগের মেয়াদে সম্পর্কিত তথ্য ও বর্তমানে তুলনা করার প্রক্রিয়া বিশ্লেষণের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়েছে। বিশেষ করে তথ্য সংগ্রহের অভিজ্ঞতা ও তার সত্যতা যাচাই করা হয়েছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, প্রতিবেদনটি কাটিংনির্ভর হিসেবে পরিচিত হয়েছে।
সংস্থার সরাসরি দাবি হলো, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পর্কিত তাদের তথ্য পুলিশ কর্তৃপক্ষ অস্বীকার করেনি। তবে তাদের গবেষণার পরিধি নিয়ে বিভিন্ন মহলে বিতর্ক ছিল। টিআইবি জানায়, এ প্রতিবেদনে আমর তদন্ত করি না গবেষণা করি ধারণা গ্রহণ করেছে। সংস্থাটি জানায়, গবেষণা ও তদন্তের মধ্যে তুলনা করে যাওয়ার জন্য পুলিশ ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে।
তথ্য সত্যতা ও প্রতিবেদনের বিশ্লেষণ
টিআইবি প্রকাশ করেছে যে, গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যের গুণগত ও নির্ভরযোগ্যতা যাচাই করার প্রক্রিয়া তাদের গবেষণার অন্তর্ভুক্ত। সংস্থাটি বলেছে, সরকারের প্রতিক্রিয়া নিয়ে কেবলমাত্র আমর তদন্ত করি না গবেষণা করি ধারণার উপর ভিত্তি রাখা হয়েছে। তবে তাদের বিশ্লেষণ অনুযায়ী প্রতিবেদনটি কোনো প্রতিষ্ঠানের প্রতি আসামী হিসেবে দাঁড়ানো বা কাটিং করার বিষয়টি প্রমাণিত হয়নি।
বাংলাদেশ পুলিশ ও তিনটি সুপরিচিত মানবাধিকার সংগঠনের তথ্য ব্যবহার করে টিআইবি তাদের প্রতিবেদন প্রস্তুত করেছে। এই তথ্যগুলো তুলনা করার প্রক্রিয়ায় আমর তদন্ত করি না গবেষণা করি প্রতিবেদন সংস্থার অভিমত প্রমাণ করেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, সামা�
