সরকার বিনিয়োগে বড় সংস্কারের ঘোষণা করেছে
আমল ত ন ত র ক জট – ব্যবসার উন্নয়নের প্রক্রিয়া সহজ করতে সরকার আমলাতান্ত্রিক জটিলতা দূর করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার ঘোষণা করেছে। অনুমোদন প্রক্রিয়ার ধীরগতি এবং নীতিগত বাধা বিনিয়োগের পথে বড় অসুবিধা হতো। এখন পর্যন্ত কিছু ক্ষেত্রে অনুমোদন পেতে হতো ১৯ থেকে ৪০ টি পর্যন্ত কাজ, যা বিনিয়োগের গতি বাড়ানোর স্থলে কমিয়ে দিয়েছিল। এবার সরকার সব সংশ্লিষ্ট সংস্থাকে একটি কেন্দ্রীয় সমন্বয় কাঠামোতে স্থান দিচ্ছে। কোনো বিনিয়োগ বা ব্যবসায়িক আবেদন জমা দেওয়ার পর সাত দিনের মধ্যে সিদ্ধান্ত দেওয়া বাধ্যবাধকতা আরোপ করা হয়েছে। যদি কোনো সংস্থা সময়ের মধ্যে বিষয়টি নির্ণয় করতে পারে না, তাহলে আবেদনটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে অনুমোদিত বলে গণ্য হবে।
বাংলাদেশকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি করা হবে
সরকার বিনিয়োগে আরো প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ গড়ে তুলতে চলেছে। গতকাল শনিবার রাজধানীর একটি হোটেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের আয়োজিত ‘রোডম্যাপ ফর ট্রেড, গ্রোথ অ্যান্ড ইকোনমিক ডিপ্লোম্যাসি ২০২৬’ সম্মেলনে উপস্থিত হন বিনিয়োগ ও ব্যবসা সংক্রান্ত প্রধান নীতিগুলি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন।
“ডিরেগুলেশন বা অপ্রয়োজনীয় নিয়ন্ত্রণ ও বিধি-নিষেধ অপসারণ আমাদের সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রধান অগ্রাধিকার। ব্যবসা করতে গিয়ে উদ্যোক্তাদের বৃহৎ অসুবিধা হতো অনুমোদন প্রক্রিয়ায়। বর্তমানে কিছু ক্ষেত্রে ১৯ থেকে ৪০ টি পর্যন্ত অনুমোদন নিতে হতো, যা বিনিয়োগের গতি কমিয়ে দিয়েছিল। আমরা এ ব্যবস্থার মূল চাবিকাঠি পরিবর্তন আনতে যাচ্ছি।”
অর্থনৈতিক কূটনীতি ও ব্যবসার সহজীকরণ গুরুত্বপূর্ণ
অর্থমন্ত্রী বলেন, শুধু নিয়ন্ত্রণ শিথিল করলেই হবে না, দেশের আর্থিক কাঠামোকে নতুন বাস্তবতার সঙ্গে খাপ খাইয়ে পুনর্গঠন করতে হবে। সম্প্রতি দেশের বৃহৎ অর্জন হলো রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও নীতিগত ধারাবাহিকতা প্রতিষ্ঠা, যা বিনিয়োগকারীদের আস্থা বৃদ্ধি করছে। আগামী ছয় থেকে ১২ মাসের মধ্যে অতিরিক্ত ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল স্থাপন
