Patrikajournal
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

ইউনূসের কালো আইনে অর্থনীতির সর্বনাশ | | বাংলাদেশ প্রতিদিন

Published June 9, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Michael Martin - patrikajournal.com

Foto : Michael Martin - patrikajournal.com

ইউনূসের কালো আইনে অর্থনীতির সর্বনাশ

Patrikajournal.com – ইউন স র ক ল আইন অর - বিচারের আগে কেউ কি ফাঁসি পাওয়া সম্ভব? এ প্রশ্ন শুনে অনেকেই অবাক হবেন। এটি কি কখনো সম্ভব নাকি? আমাদের সংবিধানের ৩১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, কোনো নাগরিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ আদালতে প্রমাণিত হওয়া পর্যন্ত তাকে নির্দোষ হিসেবে বিবেচনা করা আইনের মৌলিক শর্ত। কিন্তু ইউনূসের সরকার দেড় বছরে এই মৌলিক শর্ত লঙ্ঘন করে অর্থনীতির উপর আঘাত হানে।

ইউনূসের কালো আইনের মধ্যে প্রধান ছিল দুর্নীতি দমন কমিশন আইনের সংশোধন। এই আইনের মাধ্যমে তদন্ত ও বিচার ছাড়াই ব্যবসায়ী সম্পত্তি জব্দের ক্ষমতা দেওয়া হয়। পূর্বের দুদক আইন-২০০৪ নামে প্রজ্ঞাপন জারি করে গত ২৩ ডিসেম্বর বিচারের আগে হয়রানি ছাড়া নিষ্পন্ন ব্যাংক অ্যাকাউন্ট জব্দের প্রক্রিয়া প্রতিষ্ঠিত হয়।

নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করে গত ১৭ ফেব্রুয়ারি এবং সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু হয় গত ১২ মার্চ। এই অধিবেশনে সর্বমোট ১৩৩টি অধ্যাদেশ উত্থাপন করা হয়। যেখানে পাস হয় ১১৩টি, বাতিল হয় সাতটি। বাকি ১৩টি অধ্যাদেশের বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। এর মধ্যে দুদক সংশোধন অধ্যাদেশও ছিল।

আইন অনুযায়ী, গত ১২ মার্চ অধিবেশনে উত্থাপনের পর গত ১১ এপ্রিল পর্যন্ত ৩০ দিন পেরিয়ে গেলে ওই ১৩টি অধ্যাদেশ কার্যকর হয়েছে। সেই দিন থেকে আগের দুদক আইন-২০০৪ আবার পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়ন করা হয়। কিন্তু তা অবৈধভাবে কার্যকর হয়েছে।

প্রায় দেড় হাজার ব্যবসায়ী বিদেশে যাওয়া নিষেধ করা হয়েছে

দুর্নীতি দমন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী ইউনূস সরকারের কালো আইনে প্রায় দেড় হাজার ব্যবসায়ী এবং নিরীহ মানুষের ব্যাংক হিসাব জব্দ করা হয়েছে। বিদেশযাত্রার নিষেধাজ্ঞা জারি করে প্রায় ১ হাজার শিল্পপতি এবং ব্যবসায়ীকে বিদেশে যেতে বারণ করা হয়। এতে সাজা দেওয়া হয় তদন্তের আগেই।

ভারতে বিদেশযাত্রার নিষেধাজ্ঞা জারির জন্য অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে চার্জশিট প্রদান করা আইনের অবশ্যই প্রয়োজন। কেবল অভিযোগ থাকলে বিদেশযাত্রার নিষেধাজ্ঞা জারি করা যায় না।

৫৫ হাজার কোটি টাকার সম্পদ জব্দের ফলে বেসরকারি খাতে আঘা�